Murshidabad Vote Update: ভোট দিয়ে স্বামীর খুনের বিচারের দাবি হরগোবিন্দ দাসের স্ত্রীর, প্রচার করেছিলেন বিজেপির হয়ে
Murshidabad Vote Update: হরগোবিন্দের স্ত্রী পারুল দাস আজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন। আর ভোট দিয়ে আজ তিনি বললেন, 'স্বামীর মৃত্যুর বিচার চাই।' উল্লেখ্য, ওয়াকফ প্রতিবাদের নামে সাম্প্রদায়িক হিংসায় প্রাণ হারিয়েছিলেন হরগোবিন্দ।
Murshidabad Vote Update: ওয়াকফ হিংসায় প্রাণ হারিয়েছিলেন হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাস। সেই হরগোবিন্দের স্ত্রী পারুল দাস আজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন। আর ভোট দিয়ে আজ তিনি বললেন, 'স্বামীর মৃত্যুর বিচার চাই।' উল্লেখ্য, ওয়াকফ প্রতিবাদের নামে সাম্প্রদায়িক হিংসার সাক্ষী থেকেছিল মুর্শিদাবাদ। স্থানীয়দের পালিয়ে গিয়ে পাশের জেলাতে আশ্রয় পর্যন্ত নিতে হয়েছিল সেই সময়। এদিকে স্বামী-পুত্রকে হারিয়ে বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন হরগোবিন্দ দাসের স্ত্রী। চন্দনের স্ত্রী পিংকি দাসও বিজেপির হয়ে প্রচার করেছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের ১২ এপ্রিল শমসেরগঞ্জে প্রাণ হারান হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাস। সেই ঘটনার প্রভাব পড়ে রাজ্য রাজনীতিতে। খুনের নেপথ্য কারণ হিসাবে উঠে আসে ব্যক্তিগত শত্রুতা। এরপর ১৩ অভিযুক্তকে পাকড়াও করে পুলিশ। তবে অভিযোগ ওঠে, সাম্প্রদায়িক হিংসার আড়ালে খুন করা হয়েছিল পিতাপুত্রকে। ধৃত ১৩ জনকেই দোষী সাব্যস্ত করে কোর্ট। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা শোনানো হয়। রায় ঘোষণার সময় বিচারক জানিয়েছেন, কোনও রাজনৈতিক কারণ নয়, ব্যক্তিগত কারণেই এই খুন। যদিও এই রায়ে সন্তুষ্ট হয়নি দাস পরিবার।
উল্লেখ্য়, এই তদন্তে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলের নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতীম সরকার। তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়েছিল। এই খুনের পরে সিপিএম দাবি করেছিল, হরগোবিন্দ এবং চন্দন তাদের দলের কর্মী। পরে নির্বাচনের আবহে হরগোবিন্দের স্ত্রী এবং চন্দনের স্ত্রী বিজেপির হয়ে প্রচার শুরু করেন। বিজেপির মহিলা মোর্চার পক্ষ থেকে তাঁদের প্রচারে আহ্বান জানানো হয়। তাঁরা জানিয়েছিলেন, বিজেপি তাঁদের পাশে ছিল। তাঁদের সহযোগিতা করেছে। হরগোবিন্দ এবং চন্দনের মৃত্যুতে বিজেপি 'হিন্দু শহিদ দিবস' পালনের ঘোষণা করে বিজেপি।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


