WB Govt Employee 6th Pay Commission DA Arrear: দীর্ঘ দিনের অপেক্ষার অবসান, ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ রাজ্যের
বকেয়া মেটানোর সিদ্ধান্ত হলেও পুরো টাকা হাতে পাওয়ার ক্ষেত্রে এখনই স্বস্তি মিলছে না অধিকাংশ কর্মীর। কারণ, কর্মীদের শ্রেণি অনুযায়ী টাকা জমা দেওয়ার পদ্ধতি আলাদা করা হয়েছে। গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’ কর্মীদের প্রাপ্য বকেয়া ডিএ তাঁদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড বা জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে।
দীর্ঘ দিনের অপেক্ষার অবসান। ২০০৮ থেকে ২০১৫—টানা সাত বছরের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানাল রাজ্য সরকার। বুধবার অর্থদপ্তরের জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যে ডিএ বকেয়া রয়েছে, তা সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য অনুযায়ী মিটিয়ে দেওয়া হবে। এর আগে চলতি বছরের মার্চেই ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল নবান্ন। ফলে তার আগের বকেয়া নিয়ে কর্মীদের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা ছিল, বুধবারের বিজ্ঞপ্তিতে তার অবসান হল।

তবে বকেয়া মেটানোর সিদ্ধান্ত হলেও পুরো টাকা হাতে পাওয়ার ক্ষেত্রে এখনই স্বস্তি মিলছে না অধিকাংশ কর্মীর। কারণ, কর্মীদের শ্রেণি অনুযায়ী টাকা জমা দেওয়ার পদ্ধতি আলাদা করা হয়েছে। গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’ কর্মীদের প্রাপ্য বকেয়া ডিএ তাঁদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড বা জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। অন্য দিকে, গ্রুপ ‘ডি’ কর্মীদের ক্ষেত্রে টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
অবসরের মুখে থাকা কর্মীদের জন্য অবশ্য থাকছে আলাদা ব্যবস্থা। কোনও কর্মী অবসরের তিন মাসের মধ্যে থাকলে এবং তাঁর জিপিএফের চূড়ান্ত অর্থ প্রদানের সময় এসে গেলে, বকেয়া ডিএ আর জিপিএফে জমা হবে না। সেই টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, জিপিএফে জমা পড়া বকেয়া ডিএ সাধারণ নিয়মে ২০২৮ সালের ৩১ মার্চের আগে তোলা যাবে না। অর্থাৎ, টাকা হিসাবের খাতায় জমা হলেও আপাতত তা ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না। তবে অবসর, মৃত্যু বা পদত্যাগের মতো বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী টাকা পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ফলে ঘোষণার পরেও বাস্তবে নগদ অর্থ হাতে পেতে বহু কর্মীকেই অপেক্ষা করতে হবে।
বকেয়া ডিএ-র হিসাব নির্ধারণের দায়িত্বও সংশ্লিষ্ট দফতরের উপর দেওয়া হয়েছে। দফতরের প্রধান এবং ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসার বা ডিডিও-রা কর্মীদের বেতন সংক্রান্ত নথি এবং আগের রেকর্ড পরীক্ষা করে বকেয়া হিসাব চূড়ান্ত করবেন। তার পর সেই অনুযায়ী বিল তৈরি করে অর্থ ছাড়ার ব্যবস্থা করা হবে।
২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়ার ক্ষেত্রে আগে কোনও কর্মীকে টাকা দেওয়া হয়ে থাকলে, সেই অর্থও হিসাবের সময় ধরা হবে। পরে হিসাবের কোনও ভুল ধরা পড়লে অতিরিক্ত দেওয়া টাকা কর্মীর কাছ থেকে ফেরত নেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
অর্থদপ্তরের নির্দেশিকায় আরও জানানো হয়েছে, প্রচলিত নিয়ম মেনেই প্রাপ্য অর্থের উপর টিডিএস কেটে নেওয়ার পর টাকা ছাড়া হবে। ফলে সাত বছরের বকেয়া ডিএ মেটানোর সিদ্ধান্তে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটলেও, টাকা কবে এবং কী ভাবে ব্যবহার করা যাবে, তার বড় অংশটাই নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট কর্মীর শ্রেণি ও চাকরির অবস্থার উপর।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


