WB Govt Aid Employees DA: সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য স্বস্তির খবর, ১৫ দিনের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র বিল তৈরির নির্দেশ

বকেয়া মহার্ঘভাতা (ডিএ) মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। বিভিন্ন দপ্তরকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র বিল প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। ফলে বহুদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা হাজার হাজার শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত ও পুরসভার কর্মীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।

Published on: Aug 6, 2026, 12:33:41 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

WB Govt Aid Employees DA: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বা গ্রান্ট-ইন-এইড সংস্থার কর্মীদের জন্য এল স্বস্তির খবর। বকেয়া মহার্ঘভাতা (ডিএ) মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। বিভিন্ন দপ্তরকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র বিল প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। ফলে বহুদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা হাজার হাজার শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত ও পুরসভার কর্মীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বা গ্রান্ট-ইন-এইড সংস্থার কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি হতে চলেছে
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বা গ্রান্ট-ইন-এইড সংস্থার কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি হতে চলেছে

বকেয়া ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আইনি লড়াই চলছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর চলতি বছরের মার্চ মাসে সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ-র একটি অংশ তাঁদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা করা হয়। অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগীরাও সেই টাকা সরাসরি নিজেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পেয়ে যান। তবে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিতই ছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আলোচনা হলেও বাস্তবে কোনও অগ্রগতি হয়নি। অবশেষে সেই অচলাবস্থা কাটতে শুরু করেছে বলেই প্রশাসনিক মহলের দাবি।

অর্থ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি কোষাগার থেকে যাঁরা সরাসরি বেতন পান না, অথচ সরকারি অনুদানের মাধ্যমে বেতন পান, তাঁদের বকেয়া ডিএ মেটানোই এখন সরকারের অগ্রাধিকার। এই তালিকায় রয়েছেন সরকার অনুমোদিত স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত কর্মী, পুরসভার কর্মচারী, বিভিন্ন বিধিবদ্ধ বোর্ড, কর্পোরেশন এবং অন্যান্য অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মীরা।

এই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির আইটি কর্মীদেরও বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাঁরা বেতন, ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক বিল প্রশাসনিক পোর্টালে আপলোড করেন, তাঁদের আপাতত অন্য কোনও আর্থিক বকেয়ার বিল জমা না দিয়ে শুধুমাত্র ডিএ-র বিল তৈরির কাজকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করে বিল প্রস্তুত করার নির্দেশ পৌঁছে গিয়েছে বিভিন্ন দপ্তরে।

প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, এই বকেয়া ডিএ মূলত ‘রোপা ২০০৯’ অনুযায়ী প্রাপ্য মহার্ঘভাতার অংশ। দীর্ঘদিন ধরে সেই অর্থ বকেয়া ছিল। এবার ধাপে ধাপে সেই অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বিল তৈরির কাজ শেষ হলেই অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়াও শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কর্মীদের একাংশের বক্তব্য, বহু বছর ধরে তাঁরা এই পাওনার অপেক্ষায় রয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর সরকারি কর্মীরা বকেয়া ডিএ পেলেও তাঁরা বঞ্চিত ছিলেন। তাই এবার প্রশাসনিক স্তরে উদ্যোগ শুরু হওয়ায় তাঁদের মধ্যে নতুন করে আশার আলো দেখা দিয়েছে। যদিও কবে টাকা হাতে পাবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

অর্থ দপ্তরের নির্দেশকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন দপ্তরে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ, হিসাব মিলিয়ে বিল প্রস্তুতের কাজ চলছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে খুব শীঘ্রই সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত হাজার হাজার কর্মীর দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘভাতা মেটানোর পথে বড় পদক্ষেপ নেবে রাজ্য সরকার।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More