Passenger terminal on Hooghly river: কলকাতায় গঙ্গাবক্ষে অত্যাধুনিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল তৈরির পথে রাজ্য, খরচ ৪২ কোটি

কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায় হুগলি নদীর তীরে অত্যাধুনিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল তৈরি করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, সাধারণত কলকাতা বা হাওড়ায় যেরকম ফেরিঘাট আছে, তার থেকে অনেক আধুনিক হবে প্রস্তাবিত প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল।

Published on: Jan 31, 2026, 11:35:15 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কলকাতা, হাওড়া-সহ সংলগ্ন এলাকার রাস্তায় গাড়ির চাপ ক্রমশ বাড়ছে। যানজটের কারণে নাভিঃশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের। বিকল্প হিসেবে জলপথ পরিবহণের উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে। আর সেই লক্ষ্যেই এবার গঙ্গার পাড়ে অত্যাধুনিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল তৈরির পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে ওই অত্যাধুনিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের খরচ ধরা হয়েছে ৪২.৬ কোটি টাকা। সেজন্য ইতিমধ্যে টেন্ডার ডাকার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। তারপর নিয়ম মেনে টার্মিনাল নির্মাণের বরাত দেওয়া হবে। পুরো বিষয়টি তদারকি করা হবে পশ্চিমবঙ্গ পরিবহণ পরিকাঠামো উন্নয়ন কর্পোরেশন লিমিটেড তরফে। তবে ঠিক কোথায় সেই প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল তৈরি করা হবে, তা নির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি। কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাভুক্ত হুগলি নদীর তীরে সেই প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল তৈরি করা হবে বলে সূত্রের খবর।

কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায় হুগলি নদীর তীরে অত্যাধুনিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল তৈরি করা হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে এএফপি)
কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায় হুগলি নদীর তীরে অত্যাধুনিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল তৈরি করা হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে এএফপি)

প্রস্তাবিত প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে কী কী থাকবে?

সূত্রের খবর, সাধারণত কলকাতা বা হাওড়ায় যেরকম ফেরিঘাট আছে, তার থেকে অনেক আধুনিক হবে প্রস্তাবিত প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল। যাত্রীদের ওঠানামার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। প্রচুর যাত্রী এলেও যাতে হুড়োহুড়ি না হয়, সেজন্য বাড়তি নজর দেওয়া হবে। থাকবে বিশেষ টিকিট কাউন্টার। লঞ্চ বা ফেরির জন্য যাত্রীরা যাতে অপেক্ষা করতে পারেন, সেজন্য বড়সড় ওয়েটিং এরিয়া তৈরি করা হবে। সবমিলিয়ে একেবারে অত্যাধুনিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল তৈরি করা হবে বলে সূত্রের খবর।

জলপথ পরিবহণের উপরে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বর্তমানে কলকাতা, হাওড়া-সহ সংলগ্ন এলাকায় গাড়ির চাপ মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মিটিং-মিছিল। তার জেরে দীর্ঘক্ষণ যানজটে ফেঁসে থাকতে হয় মানুষকে। সেই সমস্যা থেকে মুক্ত করতে জলপথ পরিবহণের উপরে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সেজন্য টার্মিনাল, জেটি-সহ বিভিন্ন পরিকাঠামো ঢেলে সাজানো হচ্ছে।

আগামিদিনে পরিবহণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠবে জলপথ

রাজ্য পরিবহণ দফতরের কর্তাদের বক্তব্য, জলপথ পরিবহণে যেমন খরচ কম হয়, তেমন পরিবেশ দূষণও নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ফলে আগামিদিনে পরিবহণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠবে জলপথ। সেই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের তাকিয়ে জলপথ পরিবহণের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সেইসঙ্গে আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে যাতায়াতের করিডর হিসেবে হুগলি নদীকে ভালোভাবে ব্যবহার করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। সেই উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই হুগলি নদীর তীরে অত্যাধুনিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল তৈরি করা হচ্ছে।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More