WB Investments: পুজোর আগেই বাংলায় কাটবে শিল্পখরা? এলঅ্যান্ডটি, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসে ৬০০০ কোটির বিনিয়োগ, আসছে আদানিও

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী ২৭ তারিখ সিলিকন ভ্যালিতে এলঅ্যান্ডটির একটি নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন হতে পারে। এর পরেই পুজোর মরসুমে আরও একটি বড় শিল্প প্রকল্প চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। হলদিয়ায় হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নতুন প্ল্যান্টের উদ্বোধন আগামী ১৪ অক্টোবর হতে পারে বলে জানান তিনি।

Published on: Aug 25, 2026, 10:41:02 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দীর্ঘদিনের শিল্পখরা কাটিয়ে বাংলায় বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। রাজ্যে একের পর এক নতুন শিল্প প্রকল্প নিয়ে ঘোষণা করল সরকার। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, আগামী কয়েক মাসে বাংলায় একাধিক বড় শিল্প প্রকল্পের কাজ এগোবে। তালিকায় রয়েছে লারসেন অ্যান্ড ট্রুব্রো বা এলঅ্যান্ডটি এবং হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নতুন প্রকল্প। এই দুই প্রকল্প ঘিরে রাজ্যে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ আসতে পারে বলে জানান তিনি।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী ২৭ তারিখ সিলিকন ভ্যালিতে এলঅ্যান্ডটির একটি নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন হতে পারে।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী ২৭ তারিখ সিলিকন ভ্যালিতে এলঅ্যান্ডটির একটি নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন হতে পারে।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী ২৭ তারিখ সিলিকন ভ্যালিতে এলঅ্যান্ডটির একটি নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন হতে পারে। এর পরেই পুজোর মরসুমে আরও একটি বড় শিল্প প্রকল্প চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। হলদিয়ায় হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নতুন প্ল্যান্টের উদ্বোধন আগামী ১৪ অক্টোবর হতে পারে বলে জানান তিনি।

শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এ বিষয়ে তাঁর আলোচনা হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পুজোর আগেই এই দুই প্রকল্পের উদ্বোধন বাংলার শিল্পক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে। সরকারের আশা, নতুন বিনিয়োগের ফলে শুধু শিল্প পরিকাঠামোই বাড়বে না, বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে।

রাজ্যের শিল্পক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে বিনিয়োগের ঘাটতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন প্রকল্পগুলিকে সামনে রেখে সরকার এখন শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরির বার্তা দিতে চাইছে। বড় সংস্থাগুলিকে রাজ্যে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার পাশাপাশি দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

এর পাশাপাশি স্বাস্থ্যক্ষেত্রেও বড় বিনিয়োগের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নিউ টাউনে প্রায় ২ হাজার শয্যার একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল তৈরি করবে আদানি গোষ্ঠী। এই প্রকল্পে রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই লিখিত সম্মতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, আদানি গোষ্ঠীর কর্ণধার করণ আদানি তাঁর সঙ্গে দেখা করে হাসপাতাল তৈরির বিষয়ে আলোচনা করেছেন। সংস্থার তরফে দ্রুত কাজ শুরু করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। হাসপাতাল তৈরিতে পুরো বিনিয়োগই আদানি গোষ্ঠী করবে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই হাসপাতালের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হবে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ। মোট ২ হাজার শয্যার মধ্যে ১ হাজার শয্যা আর্থিকভাবে দুর্বল এবং দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে রাখা হবে। বাকি ১ হাজার শয্যায় বাণিজ্যিক পরিষেবা দেওয়া হবে। একইসঙ্গে আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি ও উন্নত পরিকাঠামো রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারের মতে, নিউ টাউনে এত বড় হাসপাতাল তৈরি হলে শুধু কলকাতা নয়, আশপাশের জেলার মানুষও উন্নত চিকিৎসার সুযোগ পাবেন। স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর পাশাপাশি এই প্রকল্পেও বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে।

সব মিলিয়ে শিল্প এবং স্বাস্থ্য—দুই ক্ষেত্রেই একসঙ্গে বড় বিনিয়োগের বার্তা দিয়েছে রাজ্য সরকার। এলঅ্যান্ডটির প্রকল্প, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নতুন প্ল্যান্ট এবং নিউ টাউনে আদানির হাসপাতাল—তিনটি প্রকল্পই বাস্তবায়িত হলে বাংলার অর্থনীতি এবং কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এখন দেখার, ঘোষণার পর কত দ্রুত প্রকল্পগুলির কাজ মাটিতে নামে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More