WB PAC Chairman Speculation: কে হবেন বিধানসভার PAC চেয়ারম্যান? রীতি মেনেও তৃণমূলকে ধাক্কা দেবে বিজেপি?
এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এমন দু’জনকে পিএসির চেয়ারম্যান করেছিল যাঁরা খাতায় কলমে পদ্ম প্রতীকে বিধায়ক হলেও দলবদল করে তৃণমূলে নাম লিখিয়েছিলেন - মুকুল রায় ও আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল। এই আবহে বিজেপি কি এর 'প্রতিশোধ' নেবে?
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি বা পিএসি-র চেয়ারম্যান পদ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই কমিটির চেয়ারম্যান পদটি বিরোধী শিবিরকে দেওয়াই রীতি। তবে তৃণমূল জমানায় সেই রীতি বারবার ভেঙেছে। এই আবহে বিজেপি আমলে কী হয়, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এমন দু’জনকে পিএসির চেয়ারম্যান করেছিল যাঁরা খাতায় কলমে পদ্ম প্রতীকে বিধায়ক হলেও দলবদল করে তৃণমূলে নাম লিখিয়েছিলেন - মুকুল রায় ও আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল। তৎকালীন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, সংসদীয় রীতি মেনেই পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয়েছে। এই আবহে বিজেপি কি এর 'প্রতিশোধ' নেবে?

প্রসঙ্গত, বিধানসভায় পিএসি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কমিটি। সরকারি খরচ ও আর্থিক বিষয় খতিয়ে দেখার দায়িত্ব থাকে এই কমিটির উপর। সাধারণত বিরোধী দলের কোনও বিধায়কই এই কমিটির চেয়ারম্যান হন। সেই কারণেই এবার বিজেপির তরফে কাকে সামনে আনা হবে, তা রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই আবহে রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, এই কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হতে পারে আইএসএফ বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকিকে। তবে নিতান্তই যদি তৃণমূলের থেকে কাউকে পিএসি চেয়ারম্যান করতে হয়, তাহলে বেসুরো কোনও বিধায়ককে সেই পদে বসানো হতে পারে বলে দাবি করা হল রিপোর্টে।
সরকারে আসার পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী বারংবার সৌজন্যের রাজনীতির ওপর জোর দিয়েছেন। প্রশাসনিক বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের ডেকেছেন। এর আগে তৃণমূল জমানায় বিজেপির কোনও জনপ্রতিনিধিকে ডাকা হত না। তবে বিরোধী দলনেতা নিয়োগ এবং বিধানসভায় ঘর বরাদ্দ নিয়ে একটি জটিলতা তৈরি হয়েছে। গতকাল শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং কুণাল ঘোষ অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও সাক্ষাৎ হয়নি। এর মধ্যে রীতি মেনেই তৃণমূলকে ধাক্কা দিতে চাইছে বিজেপি।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


