WB Silicon Valley project investment: AI ও ডেটা সেন্টার বাংলায় আনছে IT বিপ্লব, ৩০০০০ কোটি টাকার লগ্নির প্রকল্পের ঘোষণা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স বা এআই) এবং ডেটা সেন্টারের মতো বিষয়ের উপরে জোর দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আর সেই বিষয়গুলির হাত ধরেই পশ্চিমবঙ্গে আসছে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) বিপ্লব। ৩০,০০০ কোটি টাকা লগ্নির আশা করা হচ্ছে।

Published on: Jan 16, 2026 6:50 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পশ্চিমবঙ্গের সিলিকল ভ্যালি প্রকল্পে ৩০,০০০ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ আসতে পারে। এমনই আশাপ্রকাশ করলেন রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের সচিব শুভাঞ্জন দাস। শুক্রবার অ্যাসোচেম এবং সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কস অফ ইন্ডিয়ার (এসটিপিআই) অনুষ্ঠানে তিনি জানান, 'দুর্দান্ত গতিতে' এগিয়ে চলেছে ২৫০ একরের সিলিকন ভ্যালি প্রকল্প। যে প্রকল্পের হাত ধরে কমপক্ষে ৭,৫০০ কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গের তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের সচিব।

সিলিকল ভ্যালি প্রকল্পে ৩০,০০০ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগের আশা করা হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ব্লুমবার্গ)
সিলিকল ভ্যালি প্রকল্পে ৩০,০০০ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগের আশা করা হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ব্লুমবার্গ)

৪১ সংস্থাকে জমি বরাদ্দ বাংলার সিলিকন ভ্যালিতে

তিনি জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স বা এআই) এবং ডেটা সেন্টারের মতো বিষয়ের উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে আরও বেশি সংখ্যক সংস্থা পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে পারে। তাঁর কথায়, 'এখনও পর্যন্ত (সিলিকন ভ্যালিতে) ৪১টি সংস্থাকে জমি বরাদ্দ করা হয়ে গিয়েছে। সশরীরে পরিদর্শনে গিয়ে দেখা গিয়েছে যে নির্মাণকাজ খুব দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। আমরা আশা করছি যে (সিলিকন ভ্যালিতে) ৩০,০০০ কোটি টাকার মতো লগ্নি হবে।'

রাজ্যে ৯২ আইটি পার্ক আছে, শিলিগুড়িতে ডেটা সেন্টারও

তবে সেই তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের গণ্ডি শুধু কলকাতা, সল্টলেক বা নিউটাউনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই বলে দাবি করেছেন রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের সচিব। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে রাজ্যে ৩২টি সরকারি আইটি (তথ্যপ্রযুক্তি) পার্ক আছে। সঙ্গে বেসরকারি ৬০টি আইটি পার্কও আছে পশ্চিমবঙ্গে। যেখানে ২,৮০০টি কোম্পানি বিভিন্ন রকমের কাজ করে থাকছে। আর সেখানে দু'লাখেরও বেশি মানুষ কাজ করেন। যেমন শিলিগুড়িতে যে সরকারি ডেটা সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে, সেখানে অত্যাধুনিক পরিকাঠামো আছে।

এমনকী রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পকে নয়া উচ্চতায় নিয়ে যেতে এআই প্রশিক্ষণ এবং মডেল বিল্ডিংয়ের জন্য এইসব প্রযুক্তি বেসরকারি সংস্থাকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে কিনা, সেই সংক্রান্ত প্রস্তাবও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের সচিব। অ্যাসোচেম এবং এসটিপিআইয়ের অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, 'যে কোনও সম্প্রসারণের প্রস্তাবকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। যে কোনও প্রকল্প যাতে মসৃণভাবে চালু করা হয়, সেজন্য আমরা হাতে হাত ধরে কাজ করব।'

জিসিসির নয়া ডেস্টিনেশন হল পশ্চিমবঙ্গ

সেই রেশ ধরে কলকাতার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের চেয়ারম্যান সুশীল মোহতা বলেছেন যে পশ্চিমবঙ্গের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের ইতিবাচক পরিবেশ নিয়ে আরও বেশি করে প্রচার করতে হবে। ইউরোপ-সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের কাছে তুলে ধরতে হবে যে 'গ্লোবাল কেপিবিলিটি সেন্টার'-র (জিসিসি) নয়া ডেস্টিনেশন হল পশ্চিমবঙ্গ।