WB SIR: ১ এপ্রিল পর্যন্ত বিবেচনাধীন কতজনের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে? এসআইআরে ভাগ্য ঝুলে আর কতজনের?

সিইও দফতরের তরফ থেকে ১ এপ্রিল রাতে জানানো হয়, রাজ্যে মোট বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লাখ ৬ হাজার ৬৭৫। এর মধ্যে ৪৯ লাখ ৬২ হাজার ৮৫০ জনের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে। এই আবহে আর ১০ লাখ ৪৩ হাজার ৮২৫ জনের নামের নিষ্পত্তি করা বাকি রয়েছে।

Published on: Apr 2, 2026, 07:46:40 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এখন প্রতিদিনই নিয়ম করে বিচারাধীন ভোটারদের নামের নিষ্পত্তি করে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করে চলেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে সব বিচারাধীন ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে বলে সুপ্রিম কোর্টকে জানানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৪৯ লাখ নামের নিষ্পত্তি করেছেন বিচারকরা। যদিও নিষ্পত্তি হওয়া তথ্যের মধ্যে কত নাম বাদ গিয়েছে, তা স্পষ্ট করেনি সিইও দফতর।

এখনও পর্যন্ত ৪৯ লাখ ৬২ হাজার ৮৫০ জনের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে এসআইআরে। (HT_PRINT)
এখনও পর্যন্ত ৪৯ লাখ ৬২ হাজার ৮৫০ জনের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে এসআইআরে। (HT_PRINT)

সিইও দফতরের তরফ থেকে ১ এপ্রিল রাতে জানানো হয়, রাজ্যে মোট বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লাখ ৬ হাজার ৬৭৫। এর মধ্যে ৪৯ লাখ ৬২ হাজার ৮৫০ জনের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে। এই আবহে আর ১০ লাখ ৪৩ হাজার ৮২৫ জনের নামের নিষ্পত্তি করা বাকি রয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, চতুর্থ তালিকা পর্যন্ত ১৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। যদিও সর্বশেষ প্রকাশিত তালিকা পর্যন্ত বাদ পড়া নামের সংখ্যা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু বলেনি নির্বাচন কমিশন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু হয়েছিল। এরপর গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। সেইসময় ৫৮ লক্ষের নাম বাদ যায়। এই সব ভোটারের নামে এনুমারেশন ফর্মই জমা পড়েনি। তাই খসড়া তালিকা থেকেই বাদ পড়েছিল তাদের নাম। এর মধ্য়ে মৃত ভোটার ২৪ লাখ ১৬ হাজার ৮৫২, নিখোঁজ ১২ লাখ ২০ হাজার ৩৮ জন, স্থানান্তরিত রয়েছেন ১৯ লাখ ৮৮ হাজার ৭৬ জন, ভুয়ো ভোটার ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩২৮ জন এবং অন্যান্য ৫৭ হাজার জন।

এরপর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেখানে আরও সাড়ে ৫ লাখের মতো নাম বাদ যায়। সব মিলিয়ে সেই পর্যন্ত এসআইআরের 'চূড়ান্ত তালিকায়' ৬৩ লাখ লোকের নাম বাদ পড়েছিল। এছাড়া আরও প্রায় ৬০ লাখ ভোটারের নাম ছিল বিচারাধীন। এই আবহে গত ২৩ মার্চ প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হয়। তারপর ২৭ মার্চ থেকে রোজ একটি করে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করতে শুরু করে নির্বাচন কমিশন।