Abhishek on WB SIR List: তালিকা প্রকাশ করুন, নাহলে কান ধরে ক্ষমা চান, SIR নিয়ে কমিশনকে হুংকার অভিষেকের
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) করে বাংলা দখল করতে চেয়েছে বিজেপি। মানুষ এফআইআর করে জবাব দেবেন। হুংকার দিয়ে বললেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।
ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ শানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে যদি ১.৩৬ কোটি ভোটারের নাম বাদ করে দেওয়া হয়, তাহলে কমিশনের সেই তালিকা প্রকাশ করা উচিত। তালিকা প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। নাহলে বাংলার মানুষের কাছে কান ধরে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করেন অভিষেক। সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আগামী বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দিল্লিতে গিয়ে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশন জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করবেন। ১.৩৬ কোটি ভোটারের ক্ষেত্রে যে অসংগতি আছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তাঁরা আসলে কারা? প্রত্যেকের নাম প্রকাশ করার দাবি তোলা হবে। তারপরও তালিকা প্রকাশ না হলে কমিশনের ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

জ্ঞানেশবাবু 'ভ্যানিশবাবু' হয়ে গিয়েছেন, তোপ দাগলেন অভিষেক
সেখানেই থামেননি অভিষেক। গত নভেম্বর দিল্লিতে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল যে পাঁচটি প্রশ্ন করে এসেছিল, তার উত্তর এখনও দেয়নি। জ্ঞানেশবাবু ভ্যানিশবাবু হয়ে গিয়েছেন বলেও কটাক্ষ করেছেন অভিষেক। যদিও কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছিল যে তৃণমূলের যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। যে দাবি খারিজ করে দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
বিএলওদের রোষের মুখে কমিশন
তারইমধ্যে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন বুথ লেভেল অফিসাররাও (বিএলও)। শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের (বিএলও শাখা) সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেছেন, ‘২০০২ সালের ভোটার তালিকার ডেটা সম্পূর্ণভাবে ডিজিটাল রূপান্তর না হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গে বহু ভোটারের নাম বিএলও অ্যাপে আনম্যাপড দেখাচ্ছে। যদিও ওই ভোটারদের নাম ২০০২ সালের যাচাইকৃত হার্ডকপি ভোটার তালিকায় রয়েছে। এই প্রযুক্তিগত সমস্যার জন্য ভোটারদের দোষী করা যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। নির্দেশে বলা হয়েছে, এমন ভোটারদের হিয়ারিংয়ে ডাকা যাবে না। সংশ্লিষ্ট নথি জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের মাধ্যমে যাচাই করে প্রশাসনিকভাবে সমস্যার নিষ্পত্তি করতে হবে।’
'জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার পরে ভুল স্বীকার কমিশনের'
সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘বারবার আমরা এইসব অসংগতি লক্ষ্য করে সময় নিয়ে সুষ্ঠুভাবে কাজ করার দাবি তুলে ধরেছিলাম। কোনও কর্ণপাত করা হয়নি। অসংখ্য ভোটারদের হয়রানি, বিএলওদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার পর আজ পরোক্ষভাবে ভুল স্বীকার করা হল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের পক্ষ থেকে। কমিশনের এই ভূমিকাকে আমরা ধিক্কার জানাচ্ছি।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


