WB SIR Voter List Latest Update: নতুন করে অযোগ্য প্রমাণিত ৫০০০০ ভোটার, শেষ পর্যন্ত বাংলায় এসআইআরে কত নাম বাদ যাবে?

পশ্চিমবঙ্গের এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হতে চলেছে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি। এর আগে এসআইআরের প্রথম পর্বে ফর্ম জমা না পড়ায় মৃত এবং স্থানান্তরিত মিলিয়ে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে তালিকায়। এদিকে হাজিরায় অনুপস্থিতির জন্যে আরও ৫ লাখ ভোটার বাদ পড়তে চলেছে।

Published on: Feb 17, 2026 10:32 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এসআইআরে নতুন করে অযোগ্য প্রমাণিত হয়েছেন ৫০ হাজার জন ভোটার। এই আবহে এসআইআরে বাদ পড়া নামের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে বলে জানা গেল রিপোর্টে। দাবি করা হচ্ছে, সোমবার পর্যন্ত সব মিলিয়ে অন্তত ৬৫ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়তে চলেছে এসআইআরে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট ২ লক্ষ ৮ হাজার ৮৭০ জন অযোগ্য ভোটার চিহ্নিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। এসআইআর শুনানির পরে নথি যাচাই পর্বে আরও নাম বাদ পড়তে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

সোমবার পর্যন্ত সব মিলিয়ে অন্তত ৬৫ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়তে চলেছে এসআইআরে। (HT_PRINT)
সোমবার পর্যন্ত সব মিলিয়ে অন্তত ৬৫ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়তে চলেছে এসআইআরে। (HT_PRINT)

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হতে চলেছে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি। এর আগে এসআইআরের প্রথম পর্বে ফর্ম জমা না পড়ায় মৃত এবং স্থানান্তরিত মিলিয়ে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে তালিকায়। এদিকে হাজিরায় অনুপস্থিতির জন্যে আরও অন্তত ৫ লাখ ভোটার বাদ পড়তে চলেছে। এরই সঙ্গে প্রায় ১০ লাখের মতো ভোটার নাকি লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জেরে বাদ পড়তে পারে তালিকা থেকে। এই আবহে প্রায় ৭৫ লাখের কাছাকাছি নাম শেষ পর্যন্ত বাদ পড়তে পারে তালিকা থেকে।

তবে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জেরে কেন ১০ লাখের মতো ভোটারের নাম বাদ পড়বে তালিকা থেকে? রিপোর্ট অনুযায়ী, শুনানিতে অনেকেই কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি নথির একটি জমা দিতে পারেননি। নথি না দিতে পারা ভোটারদের নাম বাদ পড়বে তালিকা থেকে। এদিকে কী কারণে নাম বাদ গেল তা নোটিস দিয়ে ভোটারদের জানানো হবে। নাম বাদ পড়া ভোটাররা এরপর কী করতে পারেন? রিপোর্ট অনুযায়ী, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পাঁচ দিনের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করতে পারবেন ভোটাররা। এরপরও যদি তাঁর নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত না হয়, তাহলে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে সিইও দফতরে আবেদন জানাতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ভোটার। আপাতত স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া চলবে। এরপর আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।