SC on Bengal SIR: এসআইআর মামলায় মমতার সওয়াল মানল সুপ্রিম কোর্ট, ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন পিছোচ্ছে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) সংক্রান্ত মামলার শুনানির প্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররাই (ইআরও) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

Published on: Feb 9, 2026, 17:21:13 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) সংক্রান্ত মামলার শুনানির প্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররাই (ইআরও) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। এসআইআরের কাজে মাইক্রো অবজার্ভাররা শুধুমাত্র তাঁদের সহায়তা করতে পারবেন। সেইসঙ্গে রাজ্যের ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি অফিসারকে মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) বা ইআইওয়ের কাছে রিপোর্ট করে দায়িত্বভার গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজন মতো নির্বাচন কমিশন তাঁদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব দেবে বলে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেইসঙ্গে স্ক্রুটিনির মেয়াদ আরও সাতদিন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আাদালত। আর তার ফলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সীমা যে পিছিয়ে যাচ্ছে, তা নিশ্চিত হয়ে গেল। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল মেনে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল মেনে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)

রাজ্যের দেওয়া অফিসারদের নিয়োগ

আগেরদিন যখন শীর্ষ আদালতে এসআইআর মামলা উঠেছিল, তখন কমিশনের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল যে রাজ্য সরকার পর্যাপ্ত অফিসার দেয়নি। তাই মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা যাচ্ছে না। যদিও পালটা রাজ্যের তরফে জানানো হয় যে তারা অফিসার দিতে প্রস্তুত। তারপর আজ শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে রাজ্যের দেওয়া ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি অফিসারকে কাজে যোগ দিতে হবে। সেইসঙ্গে ইআরও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

'এটা গণতন্ত্রের পক্ষে এক বিশাল জয়', বলছে তৃণমূল

আর সেই বিষয়টাকে নিজেদের বড় জয় হিসেবে তুলে ধরছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের শাসক দলের তরফে বলা হয়েছে, ‘এই রায় নির্বাচন কমিশনের সেই একতরফা পদক্ষেপকে খণ্ডন করে দিল, যার মাধ্যমে তারা এই প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত, আতঙ্কিত এবং কারচুপি করতে একচেটিয়াভাবে বাংলায় মাইক্রো-অবজার্ভারদের এনে বসিয়ে রেখেছিল। বিজেপি অনুগতদের ভোটার ডেটাবেসের ব্যাক-এন্ড অ্যাক্সেস দেওয়া হচ্ছিল, যাতে তারা বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিতে পারে। সংবিধান হত্যার সেই অপচেষ্টাকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত রুখে দিয়েছে।’

সেইসঙ্গে তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, ‘এটা গণতন্ত্রের পক্ষে এক বিশাল জয়। বাংলার বিশাল জয়। আর তাদের জন্য এক বিরাট পরাজয়, যারা ভেবেছিল যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে। মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং নির্বাচনের পবিত্রতা রক্ষার এই লড়াই অব্যাহত থাকবে।’

রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শো-কজ সুপ্রিম কোর্টের

তারইমধ্যে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি পীযূষ পান্ডেকেে শো-কজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। অভিযোগ করা হয় যে এনুমারেশন ফর্ম পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনায় দায়ের করা হয়নি এফআইআর। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজিকে শো-কজ করা হয়েছে। কেন এফআইআর দায়ের করা হয়নি, তা লিখিতভাবে জানাতে হবে।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More