WB Summer Forecast March-May: কাঁদিয়ে ছাড়বে গরম! রাজস্থানের থেকেও বেশিদিন তাপপ্রবাহের ভয় বাংলার একাধিক জেলায়
মার্চে মোটামুটি তাও আয়ত্তের মধ্যে থাকবে গরম। এপ্রিল ও মে'তে গরমে নাজেহাল হতে হবে।
শীত কাঁপুনি ধরিয়েছি। আর কাঁদিয়ে ছাড়বে গরম। এমনই পূর্বাভাস দিল ভারতীয় মৌসম ভবন। শনিবার মাসিক পূর্বাভাসের প্রেক্ষিতে মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, মার্চ থেকে মে পর্যন্ত গরমে নাজেহাল হবে দেশের অধিকাংশ জায়গা। তাও মার্চে পরিস্থিতি কিছুটা ঠিকঠাক থাকবে। মানে যেমন গরম থাকবে, সেরকম স্তরেই থাকবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। কিন্তু এপ্রিল ও মে'তে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে খাক করে দেবে গরম। যে তালিকায় গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গও আছে। সাধারণত গড়ে যত সংখ্যক দিনে তাপপ্রবাহ চলে, তার থেকে বেশিদিন এবার মারাত্মক গরম পড়ার আশঙ্কা আছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে।

কোন কোন অঞ্চলকে গরমে নাজেহাল হতে হবে?
মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিম রাজস্থান, গুজরাট, হরিয়ানা, পঞ্জাব, দক্ষিণ মহারাষ্ট্র, পশ্চিম মহারাষ্ট্র, পূর্ব উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, তেলাঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তর কর্ণাটকের একাংশ এবং উত্তর তামিলনাড়ুতে মারাত্মক গরম পড়বে।
তবে মন্দের ভালো যে মার্চে মারাত্মক গরম থাকবে না দেশের অনেকাংশে। সাধারণত যেরকম গরম পড়ে, সেরকমই থাকবে আবহাওয়া। মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তর-পূর্ব ভারত, পূর্ব ভারত, পশ্চিম হিমালয়ের একাংশ, মধ্য ভারতের একাংশ এবং উপকূলীয় ভারতের একাংশ বাদে ভারতের একাংশের তাপমাত্রা স্বাভাবিক বা স্বাভাবিকের থেকে কম থাকবে।
রাজস্থানের থেকেও বেশিদিন তাপপ্রবাহ পশ্চিমাঞ্চলে
কিন্তু এপ্রিল ও মে'তে সেই 'সুখও' মিলবে না। ওই দু'মাসে গরমে নাজেহাল হতে হবে। মৌসম ভবনের যা পূর্বাভাস, তাতে এপ্রিল ও মে'তে পশ্চিমবঙ্গের তাপপ্রবাহের দিনের সংখ্যা বেশি থাকবে। বিশেষত রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলির অবস্থা শোচনীয় হতে পারে। রাজস্থানের থেকেও বেশিদিন তাপপ্রবাহের আশঙ্কা আছে পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে। যে তালিকায় পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার মতো জেলা আছে।
বৃষ্টি কতটা হবে?
ভারতীয় মৌসম ভবনের ডিরেক্টর জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন যে মার্চে বৃষ্টিপাত মোটের উপরে স্বাভাবিক থাকবে। দেশের অনেকাংশে স্বাভাবিক বা স্বাভাবিকের থেকে বেশি বৃষ্টি হবে। শুধুমাত্র উত্তর-পূর্ব ভারত, উত্তর-পশ্চিম ভারতের একাংশ, পূর্ব-মধ্য ভারতের একাংশে বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের থেকে কম হতে পারে। আর ১৯৭১ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মার্চে দেশে গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হল ২৯.৯ মিলিমিটারের মতো। তবে এপ্রিল ও মে'তে বৃষ্টি কতটা হবে, কতটা হবে, সে বিষয়ে আপাতত মৌসম ভবনের তরফে কিছু জানানো হয়নি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


