WB Vote Update: ভোট শেষে ফেরার আগে দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে মারধর কেন্দ্রীয় বাহিনীর, দাবি প্রার্থীর
Central Force beat TMC Workers: দেবাশিসের অভিযোগ, ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার পর সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ কেন্দ্রীয় বাহিনী ফেরার জন্য গাড়িতে উঠছিল। তখন চার-পাঁচজন যুবক আসেন, তাঁরা সিআরপিএফ-এর সঙ্গে কথা বলেন। তারপরই জওয়ানরা বাড়িতে ঢুকে মহিলাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে ও তৃণমূল কর্মীদের মারধর করে।
Central Force beat TMC Workers: মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলায়। তবে এর মাঝেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বন্যা বইয়ে দিয়েছে শাসকলদল তৃণমূল কংগ্রেস। জায়গায় জায়গায় নাকি তাদের কর্মীদের অন্যায় ভাবে আটক করেছে পুলিশ। বহু জায়গায় নাকি আবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছে তারা। এমনই ভাবে কলকাতার রাসবিহারীতেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ঘাসফুল শিবিরের প্রার্থী দেবাশিস কুমার। তাঁর অভিযোগ, বাড়িতে ঢুকে তৃণমূল কর্মীদের মারধর করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। (আরও পড়ুন: বুথ থেকে বের হলে 'দেখে নেওয়ার' হুমকি, আটকে পড়া এজেন্টদের উদ্ধারে BJP প্রার্থী)

আরও পড়ুন: ভোট শেষ হতে না হতেই কলকাতায় মার খেল তৃণমূল, মাথা ফাটল প্রাক্তন কাউন্সিলরের
এই নিয়ে দেবাশিসের অভিযোগ, ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার পর সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ কেন্দ্রীয় বাহিনী ফেরার জন্য গাড়িতে উঠছিল। তখন চার-পাঁচজন যুবক আসেন, তাঁরা সিআরপিএফ-এর সঙ্গে কথা বলেন। তারপরই জওয়ানরা বাড়িতে ঢুকে মহিলাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে ও তৃণমূল কর্মীদের মারধর করে। পরে আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীদের হাসরাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই খবর পেয়ে হাসপাতালে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে যান দেবাশিস কুমার এবং স্বরূপ বিশ্বাস।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে দেবাশিস কুমার বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ করে কলকাতার নিউআলিপুরের মতো জায়গায় এমন অত্যাচার করছে। যেখানে-যেখানে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়ার দল নেবে এবার।' স্বরূপ বিশ্বাস বলেন, '২০০ মিটারের বাইরে দাঁড়িয়েছিল। ইভিএম চলে গেলে যেমন দেখার তেমন ওরা দেখছিল। ফেরত যাওয়ার জন্য সিআরপিএফরাও গাড়িতে উঠে গিয়েছিলেন। সেই সময় অমিত দাস, আকাশ দাস, পরিতোষ দাস ও কৌশিক সরকার নামের চারটে ছেলে আসে। সিআরপিএফ-এর গাড়িতে উঠে কিছু বলে। সেকেন্ডের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর লোকজন নামে আর তারপর লাঠিপেটা করতে শুরু করে।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


