West Bengal Election: 'দক্ষিণ কলকাতায় লোডশেডিং যাতে না হয়, তা দেখা হয়েছে, গণনাকেন্দ্রগুলিতে বিদ্যুতের ব্যাক আপ থাকবে'
দক্ষিণ কলকাতার ডিইও রণধীর কুমার জানান, কলকাতা দক্ষিণে ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। কলকাতা উত্তরের ডিইও স্মিতা পান্ডে জানালেন, কলকাতা উত্তরের ৪৮ শতাংশ বুথ অতি স্পর্শকাতর।
দক্ষিণ কলকাতার বিধানসভা কেন্দ্রগুলির ভোটকেন্দ্র বা গণনাকেন্দ্রে লোডশেডিং হতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করে দিলেন কলকাতা দক্ষিণের ডিইও রণধীর কুমার। বিশেষ করে ভোটগণনাকেন্দ্রে 'পাওয়ার ব্যাকআপ' থাকবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, এই দক্ষিণ কলকাতারই ভবানীপুর কেন্দ্রে মুখোমুখি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। এর আগে ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মুখোমুখি হয়েছিলেন শুভেন্দু এবং মমতা। সেই দ্বৈরথে খুব অল্প ব্যবধানেই মমতা হেরে গিয়েছিলেন শুভেন্দুর কাছে। তবে তৃণমূল অভিযোগ করে আসছে, 'লোডশেডিং' করিয়ে নাকি শুভেন্দু নন্দীগ্রামে জিতেছিলেন। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামে ভোট গণনার দিনে শেষের দিকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এই আবহে কলকাতা দক্ষিণের ডিইও রণধীর কুমারের মন্তব্যের আলাদা তাৎপর্য রয়েছে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের।

ডিইও রণধীর কুমার জানান, কলকাতা দক্ষিণে ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। এদিকে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে তিনি বলেন, 'সিইএসসি-র থেকে আমাদের কানেকশন নেওয়া হয়েছে। লোডশেডিং যাতে না হয়, তা আগে থেকেই দেখা হয়েছে। এছাড়াও পাওয়ার ব্যাক আপ থাকছে। গণনাকেন্দ্রগুলিতে বিদ্যুতের ব্যাক আপ থাকে। জেনারেটর থাকবে। বিদ্যুৎ চলে গেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেটর চালু হবে।' প্রসঙ্গত, বালিগঞ্জ, কলকাতা বন্দর, রাসবিহারী এবং ভবানীপুর রয়েছে দক্ষিণ কলকাতায়।
এদিকে কলকাতা উত্তরের ডিইও স্মিতা পান্ডে জানালেন, কলকাতা উত্তরের ৪৮ শতাংশ বুথ অতি স্পর্শকাতর। যা সংখ্যায় ৮৩৭টি। কলকাতা উত্তরে বর্তমানে মোট ৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্মিতা পান্ডে জানিয়েছেন, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মূল কমান্ড সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। সেখান থেকে ওয়েব কাস্টিংয়ের মাধ্যমে বুথগুলোতে নজরদারি চালানো হবে। এদিকে উত্তর কলকাতায় এবার নতুন করে তিনটি আবাসনে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এর আগে মাত্র একটি আবাসনেই ভোটকেন্দ্র হত। এবার তা বেড়ে চার হয়েছে। কলকাতা দক্ষিণে ২টি আবাসনে বুথ হচ্ছে এবারে। উল্লেখ্য, কলকাতা উত্তরে মোট সাতটি বিধানসভা রয়েছে। জোড়াসাঁকো, চৌরঙ্গি, শ্যামপুকুর, এন্টালি, কাশীপুর – বেলগাছিয়া, বেলেঘাটা এবং মানিকতলা।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


