West Bengal Assembly Election: 'এসআইআরের পরে রাজ্যে এনআরসি করবে বিজেপি', ভোটবঙ্গে সামনে বড় দাবি
যোগী আদিত্যনাথের বক্তব্যেরও বিরোধিতা করেন মমতা। আজ তিনি বলেন, 'উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কাল এসে এখানে বলেছেন, উত্তরপ্রদেশের মতো এখানেও বুলডোজার চলবে। মানেটা কী? আমরা বুলডোজার-নীতিতে বিশ্বাস করি না। আমরা ভালোবাসার নীতি বিশ্বাস করি।'
বাংলায় সিএএ, এসআইআর করতে দেবেন না বলেছিলেন। তবে এই দুটোই হয়েছে। আর এবার নির্বাচনের মুখে সিউড়িতে নির্বাচনী প্রচার থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করলেন, এসআইআর-এর পর এনআরসি করার ছক কষছে বিজেপি। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, 'বাংলার ইতিহাস বদলে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপির সোনার বাংলা বলার অধিকার নেই। এসআইআরের পরে এনআরসি করার ছক কষছে বিজেপি।' রাজ্যে এবারের নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাতে একাধিক দল মুখিয়ে আছে। বাম-কংগ্রেস ছাড়াও ভোটয়মদানে আছে আইএসএফ, হুমায়ুন কবিরের আমজনতা উন্নয়ন পার্টি, আসাদউদ্দিন ওয়াইসির এআইএমআইএম। এই আবহে ভোটে সংখ্যালঘুদের একজোট রাখতে মরিয়া তৃণমূল। তাই এসআইআর, এনআরসির মতো ইস্যুতে বেশ সরব মমতা।

এদিকে সরাসরি যোগী আদিত্যনাথের বক্তব্যেরও বিরোধিতা করেন মমতা। আজ তিনি বলেন, 'উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কাল এসে এখানে বলেছেন, উত্তরপ্রদেশের মতো এখানেও বুলডোজার চলবে। মানেটা কী? আমরা বুলডোজার-নীতিতে বিশ্বাস করি না। আমরা ভালোবাসার নীতি বিশ্বাস করি।' এদিকে বিজেপি টাকা দিয়ে ফাঁসাতে চাইতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'বিজেপির কাছ থেকে টাকা নেবেন না। ভুল করবেন না। আমার কাজ আপনাদের সতর্ক করা। অ্যাকাউন্ট বানিয়ে টাকা দেবে বলে কালো টাকা দিয়ে দেবে। তার পর ইডি-সিবিআইয়ের মামলা করবে।'
এদিকে গত ২০২১ সালের নির্বাচনেও মমতার মুখে ছিল - '২৯৪ আসনে আমি প্রার্থী'। এবারও ফের মমতার গলায় সেই একই সুর। আজ সিউড়িতে তিনি বলেন, 'উজ্জ্বল নয়, এখানে ধরে নিন আমিই প্রার্থী। তৃণমূলের নেতৃত্বে সরকার চাইলে ২৯৪ আসনে আমাকেই প্রার্থী বলে ভেবে নিন।' উল্লেখ্য, সিউড়ি কেন্দ্রে তৃণমূল এবার প্রার্থী করেছে উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়কে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


