Bengal Budget 2026 Announcements: শুধু ভাতা নয়; বাজেটে ৫ MSME পার্ক তৈরি, জেলার শহরের উন্নতি-সহ ২১ দফা ঘোষণা, কী?
বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাজেটে একাধিক জনমুখী প্রকল্পের ঘোষণা করা হল। সবমিলিয়ে এবার বাজেটে (ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট) মোট ২১টি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তার মধ্যে ভাতা নিয়ে বেশি আলোচনা হলেও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে।
ভাতা থেকে ভেট- বিধানসভা নির্বাচনের আগে যে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করা হল, তাতে মুক্তহস্তে দান করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। মাধ্যমিক পাশ করা যুবক-যুবতীদের বেকার ভাতা, লক্ষ্মীর ভান্ডারে অনুদান বৃদ্ধি, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) বৃদ্ধি, সপ্তম বেতন কমিশনের মতো একগুচ্ছ জনমুখী প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাছাড়াও আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন।

বাজেট ভাষণে কী কী বললেন অর্থমন্ত্রী?
১) আমাদের রাজ্যে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষকে প্রতি বছর গঙ্গার ভাঙন থেকে রক্ষা করার জন্য ভাঙন রোধে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু সমস্যাটির একটি চিরস্থায়ী সমাধান আশু প্রয়োজন। এজন্য, সরকার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সাহায্য ও পরামর্শ নিয়ে একটি সার্বিক পরিকল্পনা রূপায়ণ করতে চলেছে।
২) রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে ৬টি 'ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ইকনমিক করিডর' তৈরি করার কাজ হাতে নিয়েছে। এই প্রকল্পের পরিকাঠামো গঠনে যৌথ অংশগ্রহণ করার জন্য নামী আর্থিক সংস্থা প্রস্তাব দিয়েছে। এই পরিকাঠামো দ্রুত গঠনের সঙ্গে সঙ্গে শিল্প সংস্থাগুলি বিনিয়োগ করবে এবং রাজ্যে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
৩) আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, আরও কর্মসংস্থানের প্রয়াসে জলপাইগুড়ি জেলায় দুটি এবং বীরভূম, বাঁকুড়া ও মুর্শিদাবাদ জেলায় একটি করে মোট পাঁচটি নতুন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প পার্ক (MSME) স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৪) এছাড়াও রাজ্যে সরকারি জমিতে যৌথ উদ্যোগে একটি উচ্চমানের 'গ্লোবাল ট্রেড সেন্টার' গড়ে তোলা হবে।
৫) রাজ্যে খেলাধুলোর উন্নতির জন্য হাওড়ার ডুমুরজলাতে ইতিমধ্যে একটি 'স্পোর্টস সিটি' তৈরি করা হচ্ছে। এবার কলকাতার উপকণ্ঠে বারুইপুরে ইতিমধ্যে টেলি অ্যাকাডেমি গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে এই অ্যাকাডেমিকে কেন্দ্র করে একটি 'সংস্কৃতি শহর' বা 'কালচারাল সিটি' গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
৬) আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের রাজ্যের অনেকগুলি শহরকে আধুনিক করে গড়ে তোলার জন্য সরকার একটি সামগ্রিক পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এর ফলে শহরগুলি ব্যবসা, পরিবেশ ও কর্মসংস্থান-বান্ধব হবে এবং সেখানে আধুনিক জীবনের সুযোগসুবিধা থাকবে, যেখানে ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচারের (পরিকাঠামো)বড় ভূমিকা থাকবে।
বর্তমানে হাওড়া, ডায়মন্ড হারবার, বর্ধমান, দুর্গাপুর, বোলপুর, কৃষ্ণনগর, বারাসত, রায়গঞ্জ, শিলিগুড়ি, বহরমপুর, মালদা, কল্যাণী, শ্রীরামপুর, অণ্ডাল, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দিঘা, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, নিউটাউনের এনকেডিএ এলাকা, গঙ্গারামপুর, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং শহরের জন্য এই আধুনিকীকরণ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অসুবিধা না ঘটিয়ে কীভাবে প্রকল্পের বাস্তবায়ন সম্ভব, তা খতিয়ে দেখতে সরকার একটি কমিটি গঠন করবে। এই কমিটি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সার্ভের কাজ শেষ করে রিপোর্ট প্রদান করবে।
৭) রাজ্যের হিমঘরগুলিতে বর্তমানে ৫.৯৫ মিলিয়ন টন কোল্ড স্টোরেজ ক্ষমতা আছে এবং পশ্চিমবঙ্গ এ বিষয়ে দেশের মধ্যে প্রথম। মরশুমের সময় উৎপন্ন বাড়তি ফসল ও ফল সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে সরকার যৌথ উদ্যোগে রাজ্যজুড়ে প্রয়োজনীয় এলাকায় আরও ৫০টি নতুন কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করবে।
৮) ক্ষুদ্র চা-বাগান মালিকদের স্বার্থে, কাঁচা চা পাতা উৎপাদনের উপর কৃষি আয়কর (এগ্রিকালচারাল ইনকাম ট্যাক্স) ছাড়ের সময়সীমা আগামী অর্থবর্ষের জন্য অর্থাৎ ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হল এবং একইসঙ্গে চা উৎপাদনের উপর লাগু সেসের ছাড়ও আর এক বছর বাড়িয়ে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত করা হল।
৯) এপ্রিল থেকে 'আশা' (ASHA) কর্মীদের মাসিক সাম্মানিক ১,০০০ টাকা বৃদ্ধি করা হল। আমি আরও ঘোষণা করছি যে, সরকারের অধীনে অন্য মহিলা কর্মীরা যেমন পেয়ে থাকেন, এখন থেকে আশা কর্মীদের জন্যও ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটি দেওয়া হবে। এছাড়া কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে তাঁদের নিকট পরিবারকে এককালীন ৫ লাখ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। এজন্য আমি আগামী অর্থবর্ষে ১০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ প্রস্তাব করছি।
১০) আইসিডিএস (ICDS) কর্মীরা এই রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। প্রাথমিক শৈশবকালীন যত্ন, শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সংক্রান্ত পরিষেবা দিয়ে থাকেন। আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি সহায়কদের মাসিক সাম্মানিক এপ্রিল থেকে আরও ১,০০০ টাকা বৃদ্ধি করা হল। কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে, আইসিডিএস কর্মীদের নিকট পরিবারকে এককালীন ৫ লাখ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়ার প্রস্তাব রাখছি। এজন্য আমি আগামী অর্থবর্ষে ২৫০ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব রাখছি।
১১) রাজ্যে শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত প্যারা-টিচার, শিক্ষাবন্ধু, সহায়ক/সহায়িকা, সম্প্রসারক, মুখ্য সম্প্রসারক-সহ স্পেশাল এডুকেটর ও ম্যানেজমেন্ট স্টাফ প্রত্যেকের জন্য মাসিক সাম্মানিক এপ্রিল থেকে আরও ১,০০০ টাকা বৃদ্ধি করা হল। কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু হলে এই সকল কর্মীদের নিকট পরিবারও এককালীন ৫ লাখ টাকা আর্থিক সাহায্য পাবেন। এজন্য ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে আমি ১১০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব করছি।
১২) রাজ্যে বর্তমানে ১ লাখ ২৫ হাজারেরও বেশি সিভিক ভলান্টিয়ার, ভিলেজ-পুলিশ ও গ্রিন-পুলিশ কর্মী, পুলিশ প্রশাসনকে সাহায্য করার ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় কাজ করে চলেছেন। তাঁদের কাজের স্বীকৃতি দিতে আমি আনন্দের সঙ্গে এই সকল কর্মীদের মাসিক পারিশ্রমিক আগামী এপ্রিল ২০২৬ থেকে আরও ১,০০০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব রাখছি।
বর্তমানে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুতে এই কর্মীদের নিকট পরিবার ৩ লাখ টাকা আর্থিক সাহায্য পান। এঁদের ক্ষেত্রেও এই সাহায্যের পরিমাণ ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা করা হল। এর জন্য আগামী অর্থবর্ষে আমি ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখছি।
১৩) আমাদের সরকার অনলাইনে কেনা জিনিসের সরবরাহকে কেন্দ্র করে দ্রুত গড়ে ওঠা নতুন 'গিগ-অর্থনীতি-র' গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন। আমাদের রাজ্যে এই অর্থনীতির সঙ্গে এক বিশালসংখ্যক কর্মী যুক্ত। এই সমস্ত গিগ-কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষা বৃদ্ধির লক্ষ্যে, আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, সকল গিগ-কর্মীদের সরকারের চালু সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় (যেমন স্বাস্থ্যসাথী) আনা হবে।
১৪) আপনারা অবগত আছেন যে, কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে রাজ্যের জব কার্ড হোল্ডারদের জন্য কাজ নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে 'কর্মশ্রী' প্রকল্প চালু করেছে, যেটি এখন জাতির জনকের নামে 'মহাত্মাশ্রী' হিসাবে নামাঙ্কিত। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রত্যেক জব কার্ড হোল্ডারের জন্য বছরে ন্যূনতম ১০০ দিনের কাজ নিশ্চিত করা হয়েছে। এই প্রকল্পে প্রয়োজনীয় গতি সঞ্চার করতে আমি আগামী অর্থবর্ষে ২,০০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ প্রস্তাব পেশ করছি।
১৫) ক্ষেতমজুর ভাই-বোনেদের জীবিকা, কৃষি ও সংশ্লিষ্ট কাজকর্মের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। এই সকল ক্ষেতমজুরদের জন্য ২,০০০ টাকার দুটি কিস্তিতে বার্ষিক মোট ৪,০০০ (চার হাজার) টাকা আর্থিক অনুদানের প্রস্তাব রাখছি। এই অনুদানের একটি কিস্তি রবি চাষের সময় ও অন্যটি খরিফ চাষের সময়ে দেওয়া হবে। যে সকল ক্ষেতমজুরের নিজস্ব কৃষিজমি না থাকায় 'কৃষকবন্ধু' (নতুন) প্রকল্পের সুবিধা পান না বা যাঁরা ভাগচাষি হিসাবে নথিবদ্ধ নন, সেই সকল যোগ্য ক্ষেতমজুরেরা সেটির আওতায় আসবেন। তাঁদের একটি তথ্যভাণ্ডার (ডাটাবেস) তৈরি করা হবে।
১৬) ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের চাষের খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে এখন তাঁদের সরকারি টিউবওয়েল বা নদী-সেচ ব্যবস্থা (RLI) ব্যবহারে যে ফি বা চার্জ দিতে হয়, তা সম্পূর্ণ মকুব করা হল।
১৭) আমাদের সরকার সর্বদাই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের চাহিদার বিষয়ে সম্পূর্ণ সংবেদনশীল। তাঁরা সরকারি নীতি ও প্রকল্প রূপায়ণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রাজ্যের ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশের কার্যকাল ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়েছে। আমি আনন্দের সঙ্গে রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের জন্য সপ্তম পে কমিশন গঠনের ঘোষণা করছি। কমিশন রাজ্যের সকল সরকারি কর্মচারীদের আগামিদিনের বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বিষয়ে সুপারিশ করবে।
১৮) পেনশন প্রাপকদের, রাজ্যের হেলথ স্কিমে চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচ লাঘব করার উদ্দেশ্যে আমি ২ লাখ টাকার বর্তমান ক্যাশলেস সুবিধার সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব করছি। সরকারি প্যানেলভুক্ত হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় তাঁদের চিকিৎসা খরচ ২ লাখ টাকা অতিক্রম করলে, পরবর্তী বাড়তি খরচের ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশলেস করা হবে। এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই প্রকাশিত হবে।
১৯( আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, রাজ্যের সরকারি, আধা-সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক ও অ-শিক্ষক কর্মীবৃন্দ এবং পেনশন প্রাপকদের উপর মূল্যবৃদ্ধির চাপ কমাতে রাজ্য সরকার আগামী ১ এপ্রিল চার শতাংশ হারে আরও এক কিস্তি মহার্ঘ ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
২০) রাজ্যের ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি মাধ্যমিক (বা সমতুল্য) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষিত যুব সমাজকে কর্মসংস্থানের পথে সাহায্য করার জন্য সরকার 'বাংলার যুব-সাথী নামে নতুন প্রকল্প চালু করছে। যাঁরা শিক্ষা সংক্রান্ত বা স্কলারশিপ ছাড়া রাজ্য সরকারের অন্য কোনও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না, তাঁদের কর্মসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত সর্বাধিক ৫ বছর পর্যন্ত মাসে ১,৫০০ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। আগামী ১৫ অগস্ট থেকে এই প্রকল্প চালু হবে। এর জন্য আমি আগামী অর্থবর্ষে ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) কোটি টাকা ব্যয়বরাদ্দের প্রস্তাব করছি।
২১) আপনারা অবগত আছেন যে, আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর চিন্তাপ্রসূত 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' প্রকল্পটি বাংলার মা-বোনেদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ইতিমধ্যে, রাজ্যের ২ কোটি ২১ লাখ মা-বোনেরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। আবেদনের ভিত্তিতে আরও ২০ লাখ ৬২ হাজার মা-বোনকে এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এখন রাজ্যের প্রায় ২ কোটি ৪২ লক্ষ মা-বোনেদের হাত আরও একটু শক্ত করতে, আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত সকলের জন্য, মাসিক আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ফেব্রুয়ারি থেকে আরও ৫০০ টাকা বাড়ানো হল। সেজন্য আমি ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে অতিরিক্ত ১৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


