Mamata to Tarique Rahman: তারেকভাইকে ‘অভিনন্দন’, বাংলাদেশের ভাইবোনদের ‘শুভনন্দন’!বার্তায় আর কী লিখলেন মমতা?
প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন তারেক রহমান। তাঁর উদ্দেশ্যে বার্তা পোস্ট করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে এবার বসতে চলেছেন বিএনপি চিফ তারেক রহমান। এককালে হাসিনার আওয়ামি লিগের কট্টর বিরোধী দল ছিল খালেদা জিয়ার বিএনপি। একটা সময় হাসিনার আমলে দেশ ছেড়ে চলে যান তারেক রহমান। সেই তারেক দেশে ফিরতেই বিপুল জনমত নিয়ে সরকার গড়ার পথে বিএনপি। আর এদিন বাংলাদেশের ভোটের ফলাফল স্পষ্ট হতেই তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা বার্তা জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন তারেক রহমান। তঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে, মমতা তাঁর বার্তায় তারেক রহমানকে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেন। বাংলায় লেখা এক পোস্টে মমতা লেখেন,'শুভনন্দন, আমার সকল ভাই-বোনদের, বাংলাদেশের সকল মানুষকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন। তাদের সবাইকে আমার অগ্রিম রমজান মোবারক।' পোস্টে এরপর লেখা,'বাংলাদেশের এই বিপুল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই আমার তারেকভাইকে, তাঁর দলকে ও অন্যান্য দলকে। সবাই ভালো থাকুন, সুখী থাকুন।' গুরুত্বপূর্ণভাবে পোস্টের শেষে লেখা, 'আমাদের সঙ্গে সব সময় বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, এটাই আমরা কামনা করি।'
শুধু মমতাই নন। বিএনপি ও তারেক রহমানকে এই বিপুল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। বিএনপির বিজয়ের পর তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক বিজয়ের নেতৃত্ব দেওয়ায় আমি তারেক রহমানকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। এই বিজয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়াবে। আমাদের বহুমুখী সম্পর্ক জোরদার করতে এবং আমাদের সাধারণ উন্নয়ন লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে আমি আপনার সাথে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।’
এর আগে ২০২৪ সালে সহিংস বিদ্রোহে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে, হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুরা সহিংসতার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। শেখ হাসিনা নয়াদিল্লিতে আত্মনির্বাসনে রয়েছেন, যা নোবেল বিজয়ী মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন শাসনামলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিতর্কের বিষয় ছিল। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক। তারেকের পার্টি তথা তারেকের মা খালেদা, হাসিনার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন , ফলত তারেক ক্ষমতায় থাকায় হাসিনার প্রত্যর্পণের প্রশ্নটি দিল্লি-ঢাকা সমীকরণে আবার লেন্সের নীচে রয়েছে।
( এই প্রতিবেদন এআই দ্বারা অনুবাদ হয়েছে। )
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


