West Bengal Govt DA: বকেয়া ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু!কোন পোর্টালে, কীভাবে তথ্য জানা যাবে, রইল লিঙ্ক
ডিএ ঘিরে এল বড় খবর!
রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল রাজ্য সরকারের অর্থ দফতর। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর বকেয়া ডিএ (মহার্ঘ্যভাতা ) দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল রাজ্যে। জানা যাচ্ছে, গ্রুপ ডি ও পেনশন ভোগীদের টাকা ঢুকে যাবে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে। বাকি প্রাপকদের ডিএর টাকা জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ডে ঢুকবে।

জিপিএএফ অ্যাকাউন্টে কীভাবে টাকা পৌঁছবে তা জানানো হয়েছে নবান্নর তরফে। ডিএর টাকা এইচআরএমএসের মাধ্যমে জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে ঢুকবে।
কোথায় দেখতে পাবেন ডিএ-র টাকা সম্পর্কিত তথ্য?
https://www.wbifms.gov.in/PORTAL/postlogin.html এই লিঙ্কে গিয়ে ক্লিক করে বা https://www.wbifms.gov.in/ এ গিয়ে ডিএর ডাকা সম্পর্কে তথ্য পেয়ে যেতে পারবেন। এই সরকারি পোর্টালে গিয়ে ’মাই ডকুমেন্ট’ অপশন-এ যেতে হবে। এরপর সেখানে ‘এরিয়ার স্টেটমেন্ট’ অপশন শো করলে, সেটি দেখতে হবে। সেখানেই দেখতে পাবেন আপনার বকেয়া ডিএর পরিমাণ। ইতিমধ্যেই নবান্নের তরফে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) জারি করা হয়েছে। সেখানেই যাবতীয় তথ্যে বলা হয়েছে কী কী করণীয়।
প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার নির্দেশ বহু আগে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। দেশের শীর্ষ আদালত রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেয় বকেয়া ডিএর ২৫ শতাংশ দিয়ে দেওয়ার। সেই পরিমাণ ডিএ দেওয়ার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ৬ সপ্তাহের জন্য। তবে সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ দিতে পারেনি রাজ্য। চাওয়া হয়েছিল আরও ৬ সপ্তাহ। এরপর চলে দীর্ঘ আইনি লড়াই। এরপর ভোটের দিন ঘোষণার দিনই অর্থাৎ ১৫ মার্চ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান বকেয়া ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ চলতি মাসেই দিয়ে দেওয়া হবে। আর মার্চের শেষলগ্নেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল।
এদিকে, এমন এক দিনেই রাজ্য অর্থ দফতরের অ্যাকাউন্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গুগল-এ গিয়ে রাজ্যের ফিনান্স ডিপার্টমেন্ট-এর ওয়েবসাইটটি সার্চ করার পরে সার্চ রেজাল্টে দেখানো হয়, ‘This Site May Be Hacked.’ হয় বলে মিডিয়া রিপোর্ট উঠে আসে। তবে finance.wb.gov.in এই সাইটে বৃহস্পতির সন্ধ্যা নাগাদ এমন কোনও লেখা দেখা যায়নি।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


