Finswimming Championship: ফিনসুইমিংয়ে রেকর্ড পঞ্চমবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন বাংলা! জিতল ৬১ সোনা, সেরা কে কে?
কর্ণাটকের ইয়েমমেকেরার ইন্টারন্যাশনাল সুইমিং পুলে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় ফিনসুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে 'ওভারঅল চ্যাম্পিয়ন' খেতাব জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করল পশ্চিমবঙ্গ। এই জয়ের মাধ্যমে ভারতীয় ফিনসুইমিংয়ের ইতিহাসে টানা পাঁচবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার এক নতুন রেকর্ড গড়ল বাংলা।
কর্ণাটকের ইয়েমমেকেরার ইন্টারন্যাশনাল সুইমিং পুলে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় ফিনসুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে 'ওভারঅল চ্যাম্পিয়ন' খেতাব জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করল পশ্চিমবঙ্গ। এই জয়ের মাধ্যমে ভারতীয় ফিনসুইমিংয়ের ইতিহাসে টানা পাঁচবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার এক নতুন রেকর্ড গড়ল বাংলা। বাংলার প্রতিযোগীরা দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে মোট ৫৬৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করে পদক তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। তারা মোট ১৬৫টি পদক জিতেছে, যার মধ্যে রয়েছে ৬১টি সোনা, ৫৯টি রুপো এবং ৪৫টি ব্রোঞ্জ। ২৪৮ পয়েন্ট নিয়ে কর্ণাটক রানার্স-আপ হয়েছে এবং ৭৮ পয়েন্ট পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে উত্তরপ্রদেশ।

চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স
রণিত দাস (পশ্চিমবঙ্গ): জুনিয়র 'C' বিভাগে চারটি সোনা জিতে পুরুষদের মধ্যে অন্যতম সেরা পারফর্মার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং বাংলার ঝুলিতে ২০ পয়েন্ট যোগ করেন।
সম্প্রীতি কুণ্ডু (পশ্চিমবঙ্গ): জুনিয়র 'C' মহিলা বিভাগে চারটি সোনা (২০ পয়েন্ট) জিতে ভারতীয় ফিনসুইমিংয়ের উদীয়মান তারকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
আহেলি সাহা (পশ্চিমবঙ্গ): সিনিয়র 'A' মহিলা বিভাগে চারটি সোনা জিতে এই চ্যাম্পিয়নশিপের অন্যতম সফল সিনিয়র সাঁতারু হিসেবে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন।
ঋতু বন্দ্যোপাধ্যায় (পশ্চিমবঙ্গ): মাস্টার্স ক্যাটাগরির 'V0' বিভাগে চারটি সোনা জিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন, যা সব বয়সভিত্তিক বিভাগেই বাংলার আধিপত্যকে তুলে ধরে।
সৃঞ্জয় নাথ ও অংশুমান নাগ: জুনিয়র 'D' বিভাগে সৃঞ্জয় তিনটি সোনা ও একটি রুপো এবং জুনিয়র 'E' বিভাগে অংশুমান দুটি সোনা ও দুটি রুপো জিতে নজর কেড়েছেন।
সারফেস, বাই-ফিনস, অ্যাপনিয়া এবং রিলে ইভেন্টগুলোতে বাংলার সাঁতারুদের এই সাফল্য রাজ্যের শক্তিশালী তৃণমূল স্তরের কাঠামো, কোচিং ব্যবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদী অ্যাথলিট ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামেরই প্রতিফলন। আন্ডারওয়াটার স্পোর্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার (USFI) কর্মকর্তারা বাংলার এই ধারাবাহিকতা এবং শৃঙ্খলার প্রশংসা করেছেন। টানা পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হওয়াকে তারা ভারতীয় ফিনসুইমিংয়ের জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এই ঐতিহাসিক কৃতিত্বের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ নিজেকে ভারতীয় ফিনসুইমিংয়ের অবিসংবাদিত শক্তিকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করল এবং এমন এক উত্তরাধিকার তৈরি করল, যা আগামী বহু বছর অজেয় থাকতে পারে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


