WB SIR Voter List: এসআইআরে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ও শুনানিতে গরহাজির থাকায় কত জনের নাম বাদ যেতে পারে ভোটার তালিকা থেকে?
রিপোর্ট অনুযায়ী, শুনানি পর্বে ৬ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ যাবে। এই ভোটাররা হিয়ারিংয়ের নোটিশ পেলেও হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির ও আনম্যাপড ভোটরদের মধ্যে আরও ১০ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর।
এসআইআর শুনানির আজ শেষ দিন। তবে শুক্রবারই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। আজ চলছে তথ্য আপলোডের কাজ। রিপোর্ট অনুযায়ী, শুনানি পর্বে ৬ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ যাবে। এই ভোটাররা হিয়ারিংয়ের নোটিশ পেলেও হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির ও আনম্যাপড ভোটরদের মধ্যে আরও ১০ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

এর আগে এসআইআরের প্রথম পর্বে ফর্ম জমা না পড়ায় মৃত এবং স্থানান্তরিত মিলিয়ে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে তালিকায়। এদিকে হাজিরায় অনুপস্থিতির জন্যে আরও ৬ লাখ ভোটার বাদ পড়তে চলেছে। এরই সঙ্গে প্রায় ১০ লাখের মতো ভোটার নাকি লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জেরে বাদ পড়তে পারে তালিকা থেকে। এই আবহে প্রায় ৭৫ লাখের কাছাকাছি নাম শেষ পর্যন্ত বাদ পড়তে পারে তালিকা থেকে।
তবে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জেরে কেন ১০ লাখের মতো ভোটারের নাম বাদ পড়বে তালিকা থেকে। রিপোর্ট অনুযায়ী, শুনানিতে অনেকেই কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি নথির একটি জমা দিতে পারেননি। নথি না দিতে পারা ভোটারদের নাম বাদ পড়বে তালিকা থেকে। এদিকে কী কারণে নাম বাদ গেল তা নোটিস দিয়ে ভোটারদের জানানো হবে। নাম বাদ পড়া ভোটাররা এরপর কী করতে পারেন? রিপোর্ট অনুযায়ী, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পাঁচ দিনের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করতে পারবেন ভোটাররা। এরপরও যদি তাঁর নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত না হয়, তাহলে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে সিইও দফতরে আবেদন জানাতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ভোটার। আপাতত স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া চলবে। এরপর আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
এদিকে এসআইআর নিয়ে ইআরও-দের বিরুদ্ধে উঠছে গুরুতর অভিযোগ। আবজার্ভাদের সতর্কবার্তা নাকি শুনছেন না ইআরও-রা। অভিযোগ উঠেছে, বহুক্ষেত্রে শুধু আধার বা প্যান কার্ড নিয়ে ভোটারের তথ্য ওয়েবসাইটে আপলোড করছেন ইআরও-রা। যা নিয়ে মাইক্রো অবজার্ভাররা সতর্ক করলেও তা কানে তুলছেন না ইআরও-রা। এই আবহে অভিযুক্ত ইআরও-দের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে নির্বাচন কমিশন।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


