West Bengal Vote Latest Update: 'বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে সীমান্তে ইলেকট্রিক কাঁটাতারের বেড়া বসানো হবে'

Himanta Biswa Sarma: অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বললেন, বিজেপি যদি রাজ্যে ক্ষমতায় আসে, তাহলে ইলেকট্রিক কাঁটাতারের বেড়া বসানো হবে সীমান্তে। এরই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই কাঁটাতারের জন্য জমি দিচ্ছে না।

Published on: Apr 17, 2026 11:24 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Himanta Biswa Sarma: সীমান্তে কাঁটাতার ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত জারি আছে। এই আবহে অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে বারংবার তোপ দাগে বিজেপি। আবার তৃণমূল দাবি করে, অনুপ্রবেশ বন্ধ করা কেন্দ্রীয় সরকারের কাজ। এই আবহে পালটা বিজেপিকেও কাঠগড়ায় দাঁড় কলায় ঘাসফুল শিবির। এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনে দেশের সীমান্তের একটা বড় অংশ এখনও অরক্ষিত। সেখান দিয়ে দেদার পাচার বা অনুপ্রবেশ চলে আসছে। বাংলার মাটিতে প্রচারে এসে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বললেন, বিজেপি যদি রাজ্যে ক্ষমতায় আসে, তাহলে ইলেকট্রিক কাঁটাতারের বেড়া বসানো হবে সীমান্তে। এরই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই কাঁটাতারের জন্য জমি দিচ্ছে না।

সীমান্তে কাঁটাতার ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত জারি আছে।
সীমান্তে কাঁটাতার ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত জারি আছে।

কোচবিহারে বিজেপির হয়ে প্রচার করতে এসে হিমন্ত বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গে একাধিক জায়গায় সীমান্ত খোলা রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমি দেন না। আমরা যতই অনুপ্রবেশ আটকাতে চেষ্টা করি না কেন, এই রাজ্য সেটা ব্যর্থ। উত্তর পূর্ব ভারতকে বাঁচাতে হলে রাজ্যের সীমান্তে কাঁটাতার বসানো প্রয়োজন রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার থাকলে এটা হবে না। বাংলায় বিজেপি সরকার হলে ত্রিপুরা, অসম এবং পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে সীমান্তে একটি কাঁটাতারের বেড়া থাকবে এবং সেখানে ইলেকট্রিক লাগানো থাকবে। অনুপ্রবেশকারী এবং পাচারকারীদের তাতে করে আটকানো যাবে।'

হিমন্ত বলেন, 'আমাদের একটাই উদ্বেগ, বাংলাদেশিদের কেন এই দেশে ঢুকতে দেওয়া হবে। আমাদের এই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে দিচ্ছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সীমান্তে কাঁটাতার খুবই প্রয়োজনীয়, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে।' এদিকে মাংস ও মাছ খাওয়া নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস 'ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে' বলে অভিযোগ করেন হিমন্ত। তিনি বলেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে একমাত্র গরুর মাংস খাওয়াওর ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এছাড়া গবাদি পশু পাচারও রোধ করা হবে। কোচবিহার জেলায় একটি নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, 'অসমে বিজেপি সরকার গঠন করার পরেও মাছ ও মাংস খাওয়ার ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা ছিল না।'

হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পাচ্ছেন বিজেপি এলে মাংস খাওয়া বন্ধ হবে। কিন্তু তিনি পাঁঠা কিংবা মুরগির মাংসের কথা বলছেন না। তিনি গোমাংসের কথা বলছেন। আমাদের রাজ্যে সবাই মাছ-মাংস খায়। কিন্তু, গোমাংস বন্ধ করা হয়েছে। এই রাজ্যেও বিজেপি এলে তা বন্ধ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পাচ্ছেন গোমাংস বন্ধ হলে, তাদের গরুপাচার ও গোমাংসের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে।' পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হিমন্ত বলেন, 'পূর্ব ভারতের অনেক জায়গায় মা কালীর পুজো হয়। কামাখ্যা দেবীর পুজো হয়, সেখানে বলি দেওয়া হয়। কোথাও মাছ-মাংস খাওয়া নিয়ে নিষেধ নেই। আসলে দিদি ভয় পেয়েছেন এখানে গোমাংস বন্ধ হয়ে যাবে। বাকি মাছ-মাংস তো অসমে বিজেপির সরকারের শাসনেও বন্ধ হয়নি। এই রাজ্য থেকেই সবথেকে বেশি গরু পাচার হয়। বিজেপি এলে সেটা বন্ধ করা হবে।'

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More