নতুন বন্ধু হুমায়ুনের? বাম-আইএসএফের জন্য 'বন্ধ' দরজা, কী বলছেন নওশাদ সিদ্দিকী?

ভাঙড়ের বিধায়ক বলছেন, 'তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধী ভোট যাতে ভাগ না হয়ে, তা দেখতে হবে।'

Published on: Feb 17, 2026 1:13 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

নতুন দল গঠনের পরই বাম ও আইএসএফকে জোট বার্তা দিয়েছিলেন জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। কিন্তু ছাব্বিশের মহারণের দোরগোড়ায় এসে, এখন তৃণমূলের বহিষ্কৃত বিধায়ক বলছেন, বাম ও আইএসএফের সঙ্গে জোট করবেন না তিনি। এই আবহে প্রশ্ন উঠছে, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা করেছিলেন কী হুমায়ুন? আইএসএফের সঙ্গেও কী আলোচনা করেছিলেন? কোনও রাখঢাক না রেখেই উত্তর দিলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।

কী বলছেন নওশাদ সিদ্দিকী? (PTI)
কী বলছেন নওশাদ সিদ্দিকী? (PTI)

হুমায়ুন কবীর তাঁর দলের সঙ্গে জোট করবেন না জানানোর পর নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, 'আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে জোট নিয়ে আমরা শুধু বামেদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে আমাদের কোনও আলোচনাই হয়নি। ফলে মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর-সহ অন্য জেলায় হুমায়ুনের দলের সঙ্গে আসন ছাড়া নিয়ে আমাদের কোনও কথা হয়নি।' গত বছরের ডিসেম্বরে নতুন দল গঠনের পর হুমায়ুন জানিয়েছিলেন, তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি বিরোধী দলগুলির সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা করবেন। জোট বার্তা দেন সিপিএম, আইএসএফ, মিমের মতো দলকে। কিন্তু, এখন তিনি সিপিএম ও আইএসএফের সঙ্গে জোট করতে চান না।

এরপরেই প্রশ্ন উঠছে, হুমায়ুন কবীরের দলের সঙ্গে জোট নিয়ে কী ভাবছেন একমাত্র আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী? হুমায়ুনের বক্তব্য শুনে ভাঙড়ের বিধায়ক বলছেন, 'তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধী ভোট যাতে ভাগ না হয়ে, তা দেখতে হবে। কিন্তু, হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে আমরা কোনও আলোচনা করিনি। আমরা শুধু বামেদের সঙ্গে আলোচনা করছি।' তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, বামেদের সঙ্গেই এখনও পর্যন্ত জোট নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। হুমায়ুন কী বলছেন, তা নিয়ে আইএসএফ মাথা ঘামাচ্ছে না। উল্লেখ্য, ২০২১ বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে সংযুক্ত মোর্চার হয়ে লড়ে আইএসএফ মোট ৩২টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ১টি-তে জয় পায়। সেখানে বামেরা ১৭৯ (সিপিএম ১৩৮টি)-টি আসনে দাঁড়িয়েও কোনও আসন পায়নি। কংগ্রেস ৯১টি-তে লড়ে খালি হাতে ফিরেছিল। এবার বামেদের সঙ্গে আইএসএফ-র জোট যদি চূড়ান্ত হয়, তাহলে গতবার ভাঙড়ে বাম, কংগ্রেস সমর্থন পাওয়ায় নওশাদের ২৬ হাজারের বেশি ভোটে জয়ের বিষয়টি সহজ হয়।