CM Suvendu Adhikari: রাজ্যে কবে ছাত্র সংসদ নির্বাচন? পুজোর মুখে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

CM Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী জানান, তৃণমূল আমলে রাজ্যের কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কোনও ছাত্রভোট হয়নি। এবার সেই নির্বাচন করাতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার।

Published on: Oct 9, 2026, 21:13:06 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

CM Suvendu Adhikari: তৃণমূল কংগ্রেস আমল থেকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ। রাজ্যে শাসকদল বদলের হয়েছে। ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। এবার ছাত্র সংসদ নির্বাচন করাতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। শুক্রবার আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে সংঘ পরিবারের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-র ডাক্তারি পড়ুয়াদের সর্বভারতীয় সম্মেলনে আশার কথা শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তাঁর আশ্বাস আগামী বছরই রাজ্যের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের (College-University) ছাত্র সংসদগুলিতে নির্বাচন হবে।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (PTI)
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (PTI)

এদিনের সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তৃণমূল আমলে রাজ্যের কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কোনও ছাত্রভোট হয়নি। এবার সেই নির্বাচন করাতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। এই নিয়ে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবিভিপি পর্যবেক্ষকের সঙ্গে কথাও হয়েছে বলে জানান তিনি। নিজের রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিনগুলির কথা টেনে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'ভোট হওয়া উচিত। আমরা সবাই ছাত্র রাজনীতির ফসল। কলেজের নির্বাচনে ক্লাসের ফাঁকে বক্তৃতা দিয়েই আজ এখানে এসেছি।' এরপর এবিভিপি পর্যবেক্ষকের বক্তব্য উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'উনি আমায় বললেন, আগামী বছর করে (ছাত্র সংসদ নির্বাচন) করুন। রাজ্যের সব কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ ও রাষ্ট্রবাদীদের আওয়াজ বন্দে মাতরম শোনা যাবে।'

কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবাদী পতাকা উড়বে। সেই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল আমলে ছাত্র ভোট বন্ধ করে দিয়েছিল সরকার। করোনা অতিমারির পরে ছাত্র ভোট করা সমস্যার, সেই কথাও আদালতে তৎকালীন রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ। শুধু তাই নয়, ইউনিয়ম রুমগুলিও আদালতের নির্দেশেই তালাবন্ধ করা হয়েছিল। এখনও সেই তালাবন্দি অবস্থাতেই রয়েছে ঘরগুলি। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টাপাধ্যায়ও দিন কয়েক আগে ছাত্র ভোট হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তৃতায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গও উঠে আসে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’ বলে দাবি করে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার এই বিশ্ববিদ্যালয়কে ১ হাজার কোটি টাকা অর্থসাহায্য করেছে। এরপরেই সুর চড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'যাদবপুরে মিছিল করে ‘আজাদি, আজাদি’ স্লোগান তোলা হচ্ছে। কিসের আজাদি? ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’। কান খুলে শুনুন, যে কাশ্মীরের মাটিতে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয়েছে। সেই কাশ্মীর আমাদের। দিমাগি নকশাল, কমিউনিস্ট ও দেশবিরোধী শক্তিদের বেছে বেছে ধ্বংস করতে হবে।'

উল্লেখ্য, তৃণমূল আমলে ২০১৭ সালে রাজ্যের কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে শেষ পূর্ণাঙ্গ ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছিল। বিগত বছরগুলিতে এসএফআই, এবিভিপি-সহ একাধিক ছাত্র সংগঠনের তরফে বহুবার ছাত্রভোটের দাবি তোলা হয়েছে। এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইঙ্গিত দিলেন, আগামী বছরই রাজ্যের কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভোটের দামামা বাজতে পারে।