IPS Officer K Jayraman: দুর্নীতিকাণ্ডে IAS-কে গ্রেফতার করে মমতার ‘রোষে’ পড়েন, সেই IPS খুঁজবেন TMC-র 'চুরি'
IPS Officer K Jayraman: ‘ডিরেক্টরেট অফ ইকোনমিক অফেন্সেস’-র প্রধান হলেন আইপিএস অফিসার কালিয়াপ্পন জয়রামন। যিনি দুর্নীতিকাণ্ডে আইএএস অফিসারকে গ্রেফতার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের রোষের মুখে পড়েছিলেন।
IPS Officer K Jayraman: যে আইপিএস অফিসারের উপরে খড়্গহস্ত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁকেই ‘ডিরেক্টরেট অফ ইকোনমিক অফেন্সেস’-র প্রধান করলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে পালাবদলের পরে পুলিশে যে একগুচ্ছ রদবদল করা হয়েছে, সেই ধারা অব্যাহত রেখে অর্থনৈতিক অপরাধ দমন শাখা তথা ‘ডিরেক্টরেট অফ ইকোনমিক অফেন্সেস’-র প্রধান করা হয়েছে আইপিএস অফিসার কালিয়াপ্পন জয়রামনকে। ‘ডেয়ারডেভিল’ পদক্ষেপের জন্য যে দক্ষ এবং সৎ আইপিএস অফিসারকে মমতা সরকারকে কোণঠাসা করে দিয়েছিল বলে হামেশাই অভিযোগ করেছে বিরোধীরা।

SJDA দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করেছিলেন IAS অফিসারকে
১৯৯৭ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মমতা সরকারের রোষের মুখে পড়েছিলেন একটি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতারির পরবর্তীতে। ২০১৩ সালে শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি উন্নয়ন পর্ষদের (SJDA) আর্থিক দুর্নীতি মামলায় শিলিগুড়ির তৎকালীন পুলিশ কমিশনার জয়রামন গ্রেফতার করেছিলেন এক আইএএস অফিসারকে।
কম্পালসরি ওয়েটিং, কম গুরুত্বপূর্ণ পদে দেওয়া হয়েছিল
আর সেই ঘটনার পরই আইপিএস অফিসারকে কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে পাঠিয়ে দিয়েছিল মমতা সরকার। সরিয়ে দিয়েছিল শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার পদ থেকে। কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে ছয় মাস থাকার পরে তাঁকে অপেক্ষাকৃত ‘কম গুরুত্বপূর্ণ’ পদে বসানো হয়েছিল। অভিযোগ উঠত যে অত্যন্ত কড়া, দক্ষ এবং সৎ অফিসার হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে কোণঠাসা করে রেখেছিল মমতা সরকার।
প্রোটোকল মেনে IAS অফিসারকে ধরেননি, যুক্তি ছিল মমতা সরকারের
তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের অভিযোগ ছিল, নিজের এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে ওই আইএএস অফিসারকে গ্রেফতার করেছিলেন আইপিএস। একজন আইএএস অফিসারকে গ্রেফতারির জন্য একাধিক স্তর থেকে অনুমতি নিতে হয়। প্রোটোকল মেনে আইপিএস অফিসার কাজ করেননি। সেজন্যই তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল।
তারপরও নিজের অবস্থানে অনড় ছিলেন আইপিএস অফিসার। ১৩ বছর আগে নবান্নে তৎকালীন রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার কোনও অনুশোচনা বা আক্ষেপ নেই।’
আরও পড়ুন: Bengal Tourism Policy: 'সংবেদনশীল' জায়গায় পর্যটকদের দাপাদাপি রুখতে চাইছে রাজ্য! জোর IIT-র ডেটার উপরে
শুভেন্দুর আমলে নবজাগরণ
সেই আইপিএস অফিসারকে প্রথম থেকেই বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছে শুভেন্দু সরকার। বিধানসভা ভোটের সময় তাঁকে এডিজি (উত্তরবঙ্গ) পদে বসানো হয়েছিল। তারপর তৃণমূলের জমানায় ‘প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি’-র তদন্তের জন্য যে কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নেতৃত্বে যে কমিশন গঠন করেছে শুভেন্দু সরকার, সেটির সদস্য সচিব করা হয় আইপিএস অফিসারকে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


