Live-In Partner Killed: গড়িয়ায় লিভ-ইন সঙ্গীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ! গ্রেফতার প্রেমিকা ও তাঁর মা, বাড়ছে রহস্য

Live-In Partner Killed: তদন্তে নেমে পুলিশের সন্দেহ হয় যে এই খুনের ঘটনার পেছনে কেবল একা তরুণী নন, তাঁর মায়েরও পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ যোগ থাকতে পারে। সেই সন্দেহের ওপর ভিত্তি করেই পুলিশ পরবর্তীতে তরুণীর মা মৌমিতা বসুকেও গ্রেফতার করে।

Published on: Nov 8, 2026, 15:53:08 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

Live-In Partner Killed: লিভ ইন সম্পর্কের ফের ভয়াবহ পরিণতি। কলকাতার উপকণ্ঠ গড়িয়ার ফরতাবাদ এলাকায় শনিবার রাতে ঘটে গেল এক চাঞ্চল্যকর ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। এক তরুণীর বিরুদ্ধে তাঁর ‘লিভ-ইন’ সঙ্গীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই এলাকা জুড়ে ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, এই ঘটনায় ধৃত তরুণীর মায়েরও যুক্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অভিযুক্ত তরুণী ও তাঁর মাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গড়িয়ায় লিভ-ইন পার্টনারকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ তরুণীর বিরুদ্ধে (সৌজন্যে এক্স)
গড়িয়ায় লিভ-ইন পার্টনারকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ তরুণীর বিরুদ্ধে (সৌজন্যে এক্স)

জানা গেছে, মৃতের নাম সার্থক সরকার, বয়স ২৫ বছর। মৃত যুবকের বাড়ি বারাসতে। তবে গড়িয়ার ফরতাবাদে প্রেমিকা সঞ্চালিকা বসুর সঙ্গে তিনি একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া নিয়ে থাকতেন। শনিবার রাতে ওই ফ্ল্যাট থেকেই উদ্ধার হয়েছে তাঁর দেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাতে কোনও কারণে দু’জনের মধ্যে অশান্তি হয়। অভিযোগ, অশান্তির মাঝেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে সার্থকের কাঁধে কোপ মারেন সঞ্চালিকা। গুরুতর জখম হন যুবক। চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে ওই ফ্ল্যাটে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। তাঁরাই রক্তাক্ত অবস্থায় সার্থককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে সার্থককে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এদিকে, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে এবং প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর অভিযুক্ত তরুণী সঞ্চালিকাকে গ্রেফতার করে। তদন্তে নেমে পুলিশের সন্দেহ হয় যে এই খুনের ঘটনার পেছনে কেবল একা তরুণী নন, তাঁর মায়েরও পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ যোগ থাকতে পারে। সেই সন্দেহের ওপর ভিত্তি করেই পুলিশ পরবর্তীতে তরুণীর মা মৌমিতা বসুকেও গ্রেফতার করে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সার্থক পেশায় সফটঅয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভের একটি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। অভিযুক্ত তরুণী টেকনো ইন্ডিয়ায় পড়তেন। তবে শুধুমাত্র সামান্য বচসার জেরে এই ধরনের ভয়াবহ আক্রমণ, নাকি এই খুনের নেপথ্যে অন্য কোনও গভীর পারিবারিক বা আর্থিক কারণ লুকিয়ে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শুধু তা-ই নয়, খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত তরুণীর মায়ের কী ভূমিকা, সেই প্রশ্নের উত্তরও খুঁজছেন তদন্তকারীরা। ধৃত মা ও মেয়েকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচন করতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে আরও একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছিল। চার মাস ধরে সহবাস। লিভ ইন সম্পর্কের ফের ভয়ঙ্কর পরিণতির সাক্ষী ছিল বাংলা। সেবারেও খাস কলকাতায় শিউরে ওঠা কাণ্ড। নিউটাউন চন্ডিবেড়িয়াতে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল এক তরুণীর ঝুলন্ত দেহ। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল তাঁর লিভ ইন সঙ্গীর দেহ‌। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।