১৭বার কষিয়ে চড়! অক্ষয়ের হাতে থাপ্পড় খেয়ে গাল ফুলে গিয়েছিল আমিরের, তারপর?
আমির খান এবং ফারহান আখতার ‘দিল চাহতা হ্যায়’-এর এক অজানা কিসসা সামনে আনলেন ফ্যানেদের। কোনওরকম অভিনয় নয়, অক্ষয় খান্নার হাতে আসল চড় খেয়েছিলেন আমির।
বলিউডের কাল্ট ক্লাসিক ছবি ‘দিল চাহতা হ্যায়’-এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ছবির একটি গোপন তথ্য ফাঁস করলেন পরিচালক ফারহান আখতার ও অভিনেতা আমির খান। ছবির অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে পারফেকশন আনতে গিয়ে সহ-অভিনেতা অক্ষয় খান্নার হাতে একে একে প্রায় ১৭ বার কষিয়ে চড় খেয়েছিলেন আমির খান!

আমিরের ১৭ টি চড় ও ফারহানের ‘সারপ্রাইজ প্ল্যান’:
সাক্ষাৎকার চলাকালীন আমির যখন ১৭ বার চড় খাওয়ার কথা বলছিলেন, তখন আরেক অভিনেতা সইফ আলি খান বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না। তিনি জানতে চান যে চড়গুলো সত্যি ছিল কিনা। পরিচালক ফারহান আখতার খোলসা করেন যে আমির নিজেই দৃশ্যের নিখুঁত অভিজ্ঞতার জন্য আসল চড় খেতে চেয়েছিলেন। তবে ফারহান অক্ষয়কে নির্দেশ দিয়েছিলেন আমির ডায়লগ শেষ করার আগেই হঠাৎ চড় মারতে, যাতে আমিরের আসল চমকে যাওয়ার অভিব্যক্তিটি ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
ফুলে গিয়েছিল মুখ: চড় খাওয়ার পর আমির সেই মানসিক অবস্থায় এসে গিয়েছিলেন যা দৃশ্যটির জন্য প্রয়োজন ছিল। তাই বারবার রিটেকের জন্য তিনি অক্ষয়কে চড় মারতে বলেন। শুটিং শেষ হতে হতে আমিরের মুখের একপাশ চড়ের চোটে লাল হয়ে ফুলে গিয়েছিল।
সইফকে ৩ বার চড় মারেন সুচিত্রা পিল্লাই:
সেটে কেবল আমিরই নন, চড় খেতে হয়েছিল সইফ আলি খানকেও! ছবিতে সইফের প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী ও মডেল সুচিত্রা পিল্লাই জানান, তিনি সইফকে সত্যি চড় মারতে ইতস্তত করছিলেন। কিন্তু পরিচালক ফারহান তাঁকে কোনো দ্বিধা না করে সজোরে চড় মারার নির্দেশ দেন। ফলস্বরূপ, দৃশ্যের প্রয়োজনে সইফকেও ৩ বার সুচিত্রার হাতের চড় খেতে হয়েছিল।
২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ফারহান আখতারের ডেবিউ ছবি ‘দিল চাহতা হ্যায়’ তিন বন্ধুর (আমির, সাইফ ও অক্ষয়) গল্প দিয়ে ভারতীয় সিনেমায় আধুনিক বন্ধুত্ব ও সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


