Jeet-BJP: বাংলা আজ গেরুয়া! বিজেপি-র জয়ের পর শুভেচ্ছা এল জিতের থেকে, ‘এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত…’
কোনো রাজনৈতিক দলের মঞ্চেই কখনো দেখা যায়নি জিৎকে। এবার রাজ্যে নতুন সরকার আসতেই, খোলা মনে স্বাগত জানালেন অভিনেতা। কী লিখলেন।
টলিউড আজ থমথমে। বেশিরভাগ তারকারাই যেন রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে গায়েব। বাংলার বিনোদন জগতের তারকারা বিগত ১৫ বছর ধরে জড়িয়ে পড়েছিলেন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে। কেউ সরাসরি রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন, কেউ ভোটে লড়েছেন, নির্বাচিত হয়েছেন বিধায়ক-সাংসদ। তবে হাতে গোনা কিছু তারকাকেই জনপ্রতিনিধি হিসেবে গ্রহণ করেছেন আমজনতা। বেশিরভাগের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ, ভোটে জিতেও এলাকার মানুষের জন্য কিচ্ছু করেননি। আবার কিছু তারকাকে নিয়মিত দেখা যেত তৃণমূলের মঞ্চে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশেপাশে। আর মমতার সরকারের পতনের পর, খুব স্বাবাবিকভাবেই বদলাচ্ছে সমীকরণ!

তবে বরাবরই স্রোতের বিপরীতে হাঁটেন বাংলার সুপারস্টার জিৎ। কোনো রাজনৈতিক দলের মঞ্চেই তাঁকে দেখা যায়নি। এবার রাজ্যে নতুন সরকার আসতেই, খোলা মনে স্বাগত জানালেন।
জিৎ একটি পোস্ট শেয়ার করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে লেখা, ‘বাংলার জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই জয়ের জন্য শুভেচ্ছা বিজেপিকে। আশা করি এই জয় বাংলার জন্য উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিয়ে আসবে।’
২৯ এপ্রিল গোটা পরিবারকে পাশে নিয়ে নিউ আলিপুরের শ্রী সারদা আশ্রম বালিকা বিদ্যালয়ে ভোট দেন জিৎ-মোহনা। সাদা রঙের শার্ট ও কালো ট্রাউজারে এসেছিলেন সেদিন। আর ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটের হাওয়া কোন দিকে তা জানতে চাওয়ায় জিৎ মিষ্টি হেসে বলেছিলেন, ‘৪ তারিখে কী হচ্ছে দেখে নাও আগে…’।
প্রসঙ্গত, নির্বাচনের আবহে জিতের একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে দাবি করা হয়েছিল, জিৎ নাকি বর্তমান শাসকদলকে নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বুদ্ধবাবু-জ্যোতিবাবুদের জমানাকেই শ্রেয় মনে করছেন। তারপর জিৎ ভুল ভাঙান। বিবৃতি দিয়ে স্পষ্ট করেন, ‘আমার নামে সামাজিক মাধ্যমে যে রাজনৈতিক বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর। আমি এধরণের কোনও মন্তব্য করিনি।’
২০২৬ বিধানসভা ভোটে উত্তরবঙ্গ-জঙ্গলমহল-সহ প্রায় ১০ রাজ্যে প্রায় মুছে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি ২০০-র উপর ভোট পেয়েছে। সেখানে তৃণমূলের ভোট ৯০-এরও কম। দ্বিগুণেরও বেশি আসন পেয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় আসছে পদ্মদল। স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রথম বাংলায় রাজত্ব করবে বিজেপি। যেভাবে তৃণমূল বিরোধী ভোট এসেছে, তাতে স্পষ্ট যে, তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনে তিতিবিরক্ত হয়ে পড়েছিলেন রাজ্যের সাধারণ মানুষ। বদল চেয়েছিলেন সকলে। যার প্রভাব পড়েছে রাজনীতিতে। বাংলার মানচিত্রে এখন শুধুই গেরুয়া।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


