Rahul-Sahaj: রাহুলের মৃত্যুর দেড় মাসের মাথায় দেখা গেল সহজকে, সঙ্গে ঋত্বিক-পুত্র উপমন্যু
রাহুলের মৃত্যুর প্রায় দেড় মাস বাদে দেখা মিলল সহজের। 'নধরের ভেলা' নামে একটি সিনেমার সাফল্য পার্টিতে দেখা মিলল তাঁর। সেই ঘরোয়া পার্টিতে ছিলেন প্রিয়াঙ্কাও।
জনপ্রিয় বাঙালি অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় চলতি বছরের ২৯ মার্চ তালসারি সমুদ্রে শ্যুটের সময় জলে ডুবে মারা যান। স্থানীয় মৎস্যজীবীরা তাঁকে উদ্ধার করেন এবং দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। বাবার শেষকৃত্যে শেষ দেখা গিয়েছিল তাঁর ছেলে সহজকে। মা প্রিয়াঙ্কা সরকার সেই সময়টা আগলে রেখেছিলেন সন্তানকে।

এবার রাহুলের মৃত্যুর প্রায় দেড় মাস বাদে দেখা মিলল সহজের। 'নধরের ভেলা' নামে একটি সিনেমার সাফল্য পার্টিতে দেখা মিলল রাহুল-পুত্রের। তার কেক কাটার একটি ভিডিয়ো এসেছে সামনে। সঙ্গে ছিল ঋত্বিক চক্রবর্তীর ছেলে উপমন্যুও। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বহুল প্রশংসিত বাংলা স্বাধীন (Independent) সিনেমা নধরের ভেলা। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত খ্যাতনামা চলচ্চিত্র পরিচালক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য। চরিত্র 'নধর' নামের এক ব্যক্তি, যে তার চরম ধীরগতির কারণে সমাজের কাছে অকেজো বা অচল বলে বিবেচিত। পরবর্তীতে সে একটি ভ্রাম্যমাণ সার্কাসের অংশ হয়ে ওঠে এবং তার এই ধীরগতিই সেখানে প্রদর্শনীর বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। সিনেমাটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী, প্রিয়ঙ্কা সরকার, শতাক্ষী নন্দী, সায়ন ঘোষ।
মাসখানেক আগে এক রবিবার সন্ধের দিকে আচমকাই আসে অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের মৃত্যু সংবাদ। ভোলে বাবা পার করেগা ধারাবাহিকের শ্যুটে দীঘার কাছে তালসারি সমুদ্রসৈকতে জলে ডুবে মারা যান তিনি। এরপর ধীরে ধীরে তদন্তে যা উঠে আসে, তা চমকে দেয় সকলকে। জানা যায়, সেটে নিরাপত্তার অভাব, অব্যবস্থাই প্রাণ কাড়ে তাঁর। সমুদ্রে নেমে শ্যুট হচ্ছিল বলে দাবি করে প্রত্যক্ষদর্শীরা, চলছিল ড্রোন শট। আর তারপরই এক ঢেউয়ের ধাক্কা। তলিয়া যান রাহুল ও সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্র। শ্বেতাকে সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করা গেলেও, অনেকটা দেরি হয় রাহুলকে তুলতে। ফুসফুসে জল-বালি ঢোকে। হাসপাতাল নেওয়ার পথেই মৃত্যু। এরপর স্থানীয় পুলিশ ময়নাতদন্তের পর রাহুলের মরদেহ তুলে দেয় পরিবার-বন্ধুদের হাতে। কলকাতাতেই হয় শেষকৃত্য। মুখাগ্নি করেন রাহুল-পুত্র সহজই।
বহুদিনের সম্পর্কে রাহুল-প্রিয়াঙ্কার। ১৮ পেরনোর আগে, স্কুলে পড়াকালীনই বন্ধুত্ব, তারপর প্রেম, এরপর লিভ ইন। আর তারপর বিয়ে। কোলে আসে সহজ। বিবাহিত জীবন মুখোমুখি হয়েছিল ওঠাপড়ার। দুজনের মাঝে এসেছিল দূরত্বও। তবে ছেলের জন্যই সবটা মিটমাট করে নেন ২০২২ সাল নাগাদ। তবে হাতে সময় যে বড্ড কম, তা বোধহয় দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি।
এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছিলেন যে, রাহুলের মৃত্যুর পর থেকে তিনি আর সহজ, দুজনেই নিজেদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ছেলে কেমন আছে, এই প্রশ্ন করেননি। সহজকে বরং এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করুক এটাই চান।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


