Swastika Dutta: 'নিজেই প্রতিদিন কিছু ইচ্ছেকে মেরে ফেলো!’ বিদায় নিচ্ছে বিদ্য়া, এর মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ কবিতা স্বস্তিকার

'তুমি নিজেই প্রতিদিন কিছু ইচ্ছেকে মেরে ফেলো!’ ক্ষোভ ও অবসাদের মাঝে স্বস্তিকা দাত্তের ইঙ্গিতপূর্ণ কবিতা, জবাব দিলেন রূপসা চক্রবর্তী। 

Published on: Nov 5, 2026, 18:30:44 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

সোশাল মিডিয়ায় আবারও নিজের আবেগ ও বিষাদের কথা অনুরাগী ও বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত। জীবনের টানাপোড়েন, সম্পর্কের চোরাস্রোত কিংবা প্রতিদিনের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের অজান্তেই হারিয়ে যাওয়ার যে যন্ত্রণা— তা ফুটে উঠেছে তাঁর নতুন লেখায়। আচমকাই সোশাল মিডিয়ায় নিজের অনূভূতির কথা কাব্যিক ভাষায় তুলে ধরেন অভিনেত্রী।

'নিজেই প্রতিদিন কিছু ইচ্ছেকে মেরে ফেলো!’ বিদায় নিচ্ছে বিদ্য়া,কী লিখলেন স্বস্তিকা
'নিজেই প্রতিদিন কিছু ইচ্ছেকে মেরে ফেলো!’ বিদায় নিচ্ছে বিদ্য়া,কী লিখলেন স্বস্তিকা

প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি (তাঁর অভিনীত কোনো জনপ্রিয় চরিত্র)-র মাধ্যমে হালে দর্শকদের নজর কেড়েছেন স্বস্তিকা। সেই জার্নি অকালেই ফুরোচ্ছে। সিরিয়ালের শেষ দিনের শ্যুটিংয়ের আগের রাতে ফেসবুকে যেন নিজেকে উজাড় করে লিখলেন সেই গভীর অনুভূতির কথা।

স্বস্তিকা দত্তের সেই আবেগঘন কবিতা:

সোশাল মিডিয়ায় স্বস্তিকা লেখেন: 'দমবন্ধের নাম?

দমবন্ধের কোনও নির্দিষ্ট নাম হয় না।

কখনও তার নাম সংসার,

কখনও সম্পর্ক,

কখনও দায়িত্ব,

কখনও নিজের কাছেই নিজের পরাজয়।

কেউ বাইরে থেকে এসে তোমার গলা চেপে ধরে না।

তুমি নিজেই প্রতিদিন কিছু কথা গিলে ফেলো,

কিছু ইচ্ছেকে মেরে ফেলো,

কিছু কান্নাকে ছুটির দিনে তুলে রাখো।

তারপর একদিন বুঝতে পারো, তোমার চারপাশে সবাই আছে,

শুধু তোমার নিজের জন্য তোমার কাছেই আর কোনও জায়গা নেই।'

পোস্টের একদম শেষে তিনি লেখেন— ‘আমি বলে কেউ’।

‘সময়কে সময় দে!’ — পরামর্শ প্রযোজক-পত্নী রূপসার:

স্বস্তিকার এই মন খারাপ করা ও খাঁটি বাস্তবতার কথা পোস্ট হওয়ার পর চুপ থাকতে পারেননি তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষী, প্রযোজক স্নেহাশিস চক্রবর্তীর স্ত্রী তথা অভিনেত্রী রূপসা চক্রবর্তী।

জীবনকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার পরামর্শ দিয়ে কমেন্টে রূপসা লেখেন, ‘ভালো-মন্দ মেলালেই তো জীবন! মন্দকে গ্রহণ না করলে ভালোর আনন্দ নিবি কীভাবে? সময়কে সময় দে, তাহলেই সব ঠিক হয়ে যাবে!’

পালটা জবাবে রহস্যময় ইঙ্গিত স্বস্তিকার:

রূপসার এই ইতিবাচক বার্তার উত্তর দিতে গিয়েও আবার নিজের উপস্থিত বুদ্ধির সঙ্গে এক রহস্যের ইঙ্গিত রেখে দিলেন স্বস্তিকা। রূপসার কমেন্টের পালটা জবাবে হাসিমুখে নায়িকা লেখেন, ‘ম্যাম বলে একজন আছেন তো পাশে, জানি!’

অর্থাৎ জীবনের কঠিন সময়ে পথ দেখানোর জন্য রূপসার মতো অভিজ্ঞ বা বয়সে বড় কেউ (যাঁকে তিনি ‘ম্যাম’ বলে সম্বোধন করেন) যে তাঁর পাশে রয়েছেন, তা স্বীকার করে নিয়ে স্বস্তিকা বোঝাতে চাইলেন— জীবনে অন্ধকার থাকলেও পাশে দাঁড়ানোর মতো মানুষের অভাব নেই। তারকাদের এমন নিঃসংকোচ খোলামেলা কথোপকথন ও জীবনদর্শন অনুরাগী মহলে বেশ সাড়া ফেলেছে।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More