Adah Sharma: অক্ষয় কোলে তুলতেই বাতকর্ম! কেন অপকর্ম? ফ্যানের প্রশ্নের কী জবাব দিলেন অদা শর্মা
অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘সেলফি’ ছবিতে একটি বিশেষ কমেডি দৃশ্যে দেখা গিয়েছিল আদাহ শর্মাকে। কিন্তু সেই দৃশ্যে ‘বায়ুত্যাগ’ করা নিয়ে নেটপাড়ায় নীতিপুলিশদের আক্রমণের মুখে পড়তে হলো অভিনেত্রীকে। দিলেন মোক্ষম জবাব।
পর্দায় নায়িকারা সব সময় পরিপাটি থাকবে, তাঁদের কোনো শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া থাকতে পারে না— এই ধারণা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিলেন আদাহ শর্মা। অক্ষয় কুমার ও ইমরান হাশমি অভিনীত ‘সেলফি’ ছবিতে একটি মজার দৃশ্যে অদা ‘বায়ুত্যাগ’ করা নিয়ে ট্রোলিং শুরু হতেই আসরে নামলেন অভিনেত্রী। সপাটে জানালেন, পুরুষরা হিরো বলে যা খুশি করতে পারেন, কিন্তু মেয়েরা পাদলে (Fart) দোষ?

ট্রোলের মুখে অদা
সম্প্রতি এক নেটিজেন আদাহর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, ‘আপনি দেখতে খুব সুন্দর কিন্তু অক্ষয় কুমারের সামনে ওই কাজটা করলেন? যাতা! খুব ঘেন্না করছে আমার।’ এই মন্তব্য নজরে আসতেই দমে না গিয়ে বরং এক চিমটি রসিকতা আর খানিকটা বিজ্ঞানের মিশেলে জবাব দিয়েছেন অভিনেত্রী। অদা নিজের ভিডিওর ক্যাপশন দিয়েছেন— ‘আমি কেন সঠিকভাবে গন্ধযুক্ত পাদলাম?’
কী বললেন অভিনেত্রী?
ভিডিওতে অদা খুব সহজভাবে বোঝান যে বায়ুত্যাগ করাটা একটি অতি সাধারণ শারীরিক প্রক্রিয়া। বৃহদান্ত্রে খাবার হজম হওয়ার সময় মিথেন, হাইড্রোজেন এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো গ্যাস তৈরি হয়, যা চাপের কারণে নির্গত হয়। অদার কথায়, 'একজন সুস্থ মানুষ দিনে গড়ে ১০-১২ বার পাদতে পারেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে যদি এটা দোষের না হয়, তবে মহিলাদের কেন পারমিশন থাকবে না?' তিনি আরও যোগ করেন, ‘পাদ বা ফার্টের ক্ষেত্রে জেন্ডার, বর্ণ, ধর্ম বা জাত দেখে বৈষম্য করা উচিত নয়।’ যদিও সেটি ছিল একটি ছবির দৃশ্য় মাত্র। তবে অতীতে এলি আব্রাহামকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অদা জানিয়েছিলেন, শ্যুটিং সেটে অফ এবং অনস্ক্রিন দু-ক্ষেত্রেই বাতকর্ম করার অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। সেখানেও অদা বুঝিয়েছিলেন, বাতকর্ম খুব স্বাভাবিক একটা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
নেটপাড়ার প্রতিক্রিয়া
আদাহর এই স্পষ্টবাদী জবাবে মুগ্ধ নেটিজেনদের বড় অংশ। অনেকেই বলছেন, সস্তা ট্রোলিংয়ের এর চেয়ে ভালো জবাব আর হতে পারে না। কেউ কেউ আবার মজার ছলে লিখেছেন, 'অদার সৎ সাহস আছে বলেই তিনি এই বিষয় নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে পেরেছেন।'
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


