Adrit Roy New Film Beparwa: মুখভর্তি দাড়ি, ঝাঁকড়া চুল, মুখে সিগারেট! ‘বেপরোয়া’ প্রেমিক আদৃত, নাম বদল পাগল প্রেমীর
Adrit Roy New Film Beparwa: ‘রিলেশনে রেড ফ্ল্যাগ, প্রেমে রেবেল (বিপ্লবী), প্রেমিক সে বেপরোয়া, পুরো আনস্টপেবল…’, প্রকাশ্যে আদৃত রায়ের ‘বেপরোয়া’ ছবির পোস্টার।
টেলিভিশন জগতের অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ আদৃত রায়। 'মিঠাই'-এর 'উচ্ছেবাবু' কিংবা 'কুমকুম'-এর 'ইশান' খ্যাত অভিনেতা প্রায় দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আবারও রুপোলি পর্দায় ফিরছেন। ক্যারিয়ারের সূচনা সিনেমা দিয়ে হলেও এতদিন বড়পর্দায় তাঁর ঝুলিতে সফলতার চেয়ে ব্যর্থতার সংখ্যাই বেশি ছিল। তবে ছোটপর্দার অভাবনীয় সাফল্যের পর এবার ফের সেলুলয়েডে কামব্যাক করছেন এই তারকা।

প্রায় দু-বছর ধরে আটকে থাকার পর অবশেষে মুক্তির আলো দেখতে চলেছে আদৃত অভিনীত ছবি 'বেপরোয়া' (আগে নাম ছিল পাগল প্রেমী)। মঙ্গলবার প্রকাশ্যে এসেছে ছবিটির চমকপ্রদ মোশন পোস্টার।
'পাগল প্রেমী' থেকে 'বেপরোয়া': থমকে থাকা প্রজেক্টের পথচলা
পরিচালক অভিরূপ ঘোষের পরিচালনায় ২০২৩ সালেই এই মিউজিক্যাল লাভ স্টোরির কাজ শুরু হয়েছিল। তখন ছবিটির নাম রাখা হয়েছিল ‘পাগল প্রেমী’। ছবিতে আদৃতের বিপরীতে নবাগতা অভিনেত্রী আরিয়া রায় (Ariya)-কে কাস্ট করা হয়। তবে নানা জটিলতায় ছবিটির কাজ থমকে ছিল। সমস্ত বাধা কাটিয়ে অবশেষে নাম পরিবর্তন করে 'বেপরোয়া' নামে রূপোলি পর্দায় আসছে এই ছবি।
যেন বাংলার 'কবীর সিং'! চিনতেই পারছেন না অনুরাগীরা
প্রকাশিত ফার্স্ট লুক মোশন পোস্টারে আদৃতকে এক একেবারে ভিন্ন ও দুর্ধর্ষ অবতারে দেখা যাচ্ছে। মুখভর্তি দাড়ি, ঝাঁকড়া চুল আর মুখে জ্বলন্ত সিগারেট— টেলিপর্দার শান্ত-শিষ্ট 'উচ্ছেবাবু'র সঙ্গে এই রূপের কোনো মিলই নেই। মোশন পোস্টারে দেখা যাচ্ছে আদৃতের হাতে ওঁর প্রেমিকার (আরিয়া) একটি জ্বলন্ত পোস্টার।
'কবীর সিং' ভাইব: নায়কের এই রাফ অ্য়ান্ড টাফ, অ্যাকশন-প্যাকড ও ছকভাঙা লুক দেখে অনেকেই ওঁর সাথে বলিউডের 'কবীর সিং' বা রণবীর কাপুরের 'অ্যানিম্যাল' চরিত্রের মিল খুঁজে পাচ্ছেন।
আদৃতের বার্তা
ছবিটির মোশন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই নিজের আড়াই বছরের লড়াই, ব্যাকস্টেজ স্ট্রাগল এবং ছবির সমস্ত কলাকুশলীদের ধন্যবাদ জানিয়ে সোশাল মিডিয়ায় একটি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ বার্তা শেয়ার করলেন অভিনেতা।
সোশাল পোস্টে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করে আদৃত লেখেন, ‘আড়াই বছর ধরে সবচেয়ে কঠিন লড়াই, অপেক্ষা আর হার না মানার জেদ! অবশেষে সেই ছবিটা আসছে, যার জন্য এতদিন ধরে এত লড়াই করে যাওয়া!’
ছবিটিকে আলোর মুখ দেখাতে যাঁদের অবদান অনস্বীকার্য, তাঁদের প্রত্যেককে মন থেকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন আদৃত। প্রযোজক শ্রীকান্ত মোতাকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান অভিনেতা। আদৃত লেখেন— 'সম্পূর্ণ পরিচালনা এবং প্রযোজনা দলকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা এই কঠিন পথ পেরিয়ে আসতে পারতাম না।'
সহ-অভিনেত্রী আর্যা রায়কে ধন্যবাদ জানিয়ে মজার ছলে লেখেন, ওঁর মতো একজন চমৎকার কো-অ্যাক্টর পাওয়ার জন্য এবং ওঁকে এতদিন সহ্য করার জন্য!এমন একটি দুর্দান্ত ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে তাঁকে কাস্ট করার জন্য পরিচালক অভিরূপ ঘোষকে বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান আদৃত।
যে সমস্ত ভক্তরা ও দর্শকেরা সবসময় বিশ্বাস রেখেছিলেন যে এই ছবিটি একদিন ঠিকই মুক্তি পাবে, তাঁদের সবাইকে আস্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন আদৃত।
শেষে নিজের চেনা ছন্দে অভিনেতা লেখেন— 'বেপরোয়া’... বাকিটা এবার পর্দায় দেখা হবে!'
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রিয় অভিনেতার এমন বোল্ড ও ডাকাবুকো অবতারে সেলুলয়েডে ফেরার খবরে দারুণ উচ্ছ্বসিত আদৃতের তামাম অনুরাগী ও ভক্ত মহল।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


