‘আমাদের ছবি ইন্ডাস্ট্রির দাদা-দিদিদের সমর্থন পায়নি…’! হাউজফুল হয়েও ১ সপ্তাহেই হল থেকে সরানো হল বেপরোয়া, ক্ষোভ আদৃতের
বড় পর্দায় এবারেও সাফল্যের মুখ দেখতে পারলেন না আদৃত রায়। অভিনেতা রবিবার একটি পোস্ট করলেন ফেসবুকে। যাতে তাঁকে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির প্রতি ক্ষোভপ্রকাশ করতে দেখা যায়।
বড় পর্দা দিয়েই অভিনয়ে পা রেখেছিলেন আদৃত রায়। তাঁর প্রথম কাজ ছিল নূর জাহান। এরপর প্রেম আমার ২-তেও কাজ করেন মুখ্য চরিত্রে। কিন্তু সিনেমা তাঁকে সাফল্য দেয়নি। আদৃতকে দর্শকমনে জায়গা করে দেয় তাঁর জি বাংলার ধারাবাহিক ‘মিঠাই’। আর সেই কাজ শেষ হতেই ফের সুযোগ এসেছিল বড় পর্দায় কাজের। বেপরোয়া শ্যুট শেষের পরেও, নানান কারণে মুক্তি আটকে ছিল। অবশেষে এটি হলে আসে ১৭ সেপ্টেম্বর। আদৃতের অভিযোগ, শো হাউজফুল হওয়া সত্ত্বেও তাঁর ছবি হল থেকে সরিয়ে দেওয়া হল মাত্র ১ সপ্তাহে।

টলিউড ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ আদৃতের:
আদৃত রবিবার রাতে ফেসবুকে করেন একটি দীর্ঘ পোস্ট। তিনি লেখেন, ‘এটা শেষ হয়ে গেছে ভাই! আমাদের সিনেমা ‘বেপরোয়া’-র কোনো প্রচারই হয়নি। আমাদের সিনেমা ‘বেপরোয়া’ আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির দাদা এবং দিদিদের সমর্থন পায়নি, যারা সাধারণত খুব সমর্থন কে, নতুনদের স্বাগত জানায়। আমাদের সিনেমা নিয়ে একটা টুইটও করেনি। আমাদের সিনেমা ‘বেপরোয়া’-র কোনো প্রিমিয়ারও ছিল না, যেখানে বিখ্যাত ব্যক্তিরা ছবিকে ঘৃণা করলেও, ভালো ভালো কথা বলেনি মাইকের সামনে এসে। আমাদের সিনেমা ‘বেপরোয়া’ কলকাতার বেশিরভাগ সিনেমাহল থেকে সরানো হয়েছে। বাংলা সিনেমা দর্শকের ভালো লাগলেও, তার পাশে দাঁড়ানোর সময় দেয় না।’
‘কিন্তু বেপোরোয়া যারা দেখছেন, যাদের ভালো লেগেছে। যারা সিনেমা শেষের পর স্ট্যান্ডিং অভিশন দিয়েছে, তাঁদের মন থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজ আপনারা পাশে দাঁড়িয়েছেন, ভালো রিভিউ দিয়েছেন, তাই কোনো প্রোমোশন ছাড়াই ছবি দ্বিতীয় সপ্তাহেও হাউজফুল যাচ্ছে। সিনেমা ভালো হলে শুধু দর্শকের সমর্থনের দরকার পড়ে, আর কারও না।’, আরও লেখেন আদৃত।
আর সবশেষে নিজের অনুরাগীদের জন্য আদৃতের বার্তা, ‘বঙ্গোললনাজ, বঙ্গোমাতাজ, বঙ্গোসিস্টার্স, বঙ্গোব্রাদার্সদের অনেক ধন্যবাদ। তোমরা যা করেছ, তার কোনো বিকল্প নেই। বেপরোয়া উপভোগ করতে থাকুন।’
বেপরোয়া সিনেমা সম্পর্কে:
পরিচালক অভিরূপ ঘোষের পরিচালনায় ছবির নাম প্রথমে রাখা হয়েছিল পাগল প্রেমী। পরবর্তীতে বেপরোয়া নামে মুক্তি পায়। আদৃত রায়ের বিপরীতে এই ছবিতে অভিনয় করেছেন আরিয়া রায়।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


