Beporoya vs Daktar Kaku BO Day 3: আদৃতের বেপরোয়াকে পিছনে ফেলে এগিয়ে প্রসেনজিৎ-ঋদ্ধির ডাক্তার কাকু,৩ দিনে কত আয় দুই ছবির?
Beporoya vs Daktar Kaku: আয়ের নিরিখে প্রথম তিন দিনে আদৃত-আরিয়াকে মাত প্রসেনজিতের। কত আয় করল দুই ছবি?
বক্স অফিসের লড়াইয়ে রাজকীয় টেক-অফ! তরুণ অভিনেতা আদৃত রায়ের 'বেপরোয়া'-কে পেছনে ফেলে ব্যবসার নিরিখে তরতরিয়ে এগিয়ে গেল প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও ঋদ্ধি সেন অভিনীত নতুন ছবি 'ডাক্তার কাকু'। মাত্র ৩ দিনেই ব্যবসার অঙ্কে আদৃতের ছবিকে মাত দিয়েছে পাভেল পরিচালিত এই ছবি।

'ডাক্তার কাকু'-র প্রথম ৩ দিনের আয়:
পাভেলের পরিচালনায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋদ্ধি সেন ও এনা সাহা অভিনীত 'ডাক্তার কাকু' থিয়েটারে বেশ ভালোই প্রভাব ফেলেছে। ছবিটির আয় দিন দিন ঊর্ধ্বমুখী। প্রথম ৩ দিনে ছবিটির মোট বক্স অফিস কালেকশন দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ টাকা।
শুক্রবার (প্রথম দিন): ২ লাখ টাকা
শনিবার (দ্বিতীয় দিন): ৩ লাখ টাকা
রবিবার (তৃতীয় দিন): ৫ লাখ টাকা
রবিবার এক ধাক্কায় ৫ লাখ টাকা আয় করে সপ্তাহান্তে ব্যবসার পারদ এক লাফে অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছে 'ডাক্তার কাকু'।
'বেপরোয়া'-র ৩ দিনের বক্স অফিস রেকর্ড:
অন্যদিকে, আদৃত রায় ও নবাগতা আরিয়ার ছবি 'বেপরোয়া' বক্স অফিসে কিছুটা ধীমে তালে ব্যবসা শুরু করেছে। ৩ দিনে এই ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ টাকা।
শুক্রবার (প্রথম দিন): ৩ লাখ টাকা
শনিবার (দ্বিতীয় দিন): কমে দাঁড়ায় ২ লাখ টাকা
রবিবার (তৃতীয় দিন): ফের ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩ লাখ টাকা
প্রথম দিনে ৩ লাখ টাকা দিয়ে ভালো সূচনা করলেও শনিবারে আয় কিছুটা কমে যায় অভিরূপ ঘোষ পরিচালিত 'বেপরোয়া'-র। যদিও রবিবার আবার ৩ লাখ টাকা ঘরে তুলতে পেরেছে ছবিটি, তবে ৩ দিনের সার্বিক হিসেবে 'ডাক্তার কাকু'-র থেকে ২ লাখ টাকা পিছিয়ে রইল আদৃতের ছবি।
আগামী দিনগুলোতে প্রসেনজিৎ-ঋদ্ধির ‘ডাক্তার কাকু’ এই বজায় রাখা আয়ের গতি ধরে রাখতে পারে নাকি আদৃতের 'বেপরোয়া' নতুন করে বাউন্স ব্যাক করে— এখন সেদিকেই নজর টলিপাড়ার! তবে পুজোর আগে এই দুই বাংলা ছবিই আশানুরূপ ব্যবসা করতে ব্যর্থ। তবে সমালোচকদের কাছে প্রশংসা কুড়িয়েছে এই দুই ছবিই।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


