৫৪টা পরিবর্তনের পর অবশেষে সেন্সর বোর্ডে ছাড় পেল ‘অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’! কবে মুক্তি পাচ্ছে ছবি?

চলতি বছরের মে মাসে জানা গিয়েছিল যে এই বছরই ৪ জুলাই এই ছবি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে পরিচালক জয়ব্রত দাশের ছবি ‘অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’। কিন্তু সেন্সর এবং অ্যানিম্যাল পারমিশনে দেরি হওয়ার জন্য পিছিয়েছে ছবি মুক্তি। অবশেষে ৫৪টা বদলের পর সেন্সরের ছাড়পত্র মিলল ‘অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’-এর।

Published on: Oct 14, 2025, 18:31:09 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

চলতি বছরের মে মাসে জানা গিয়েছিল যে এই বছরই ৪ জুলাই এই ছবি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে পরিচালক জয়ব্রত দাশের ছবি ‘অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’। কিন্তু সেন্সর এবং অ্যানিম্যাল পারমিশনে দেরি হওয়ার জন্য পিছিয়েছে ছবির মুক্তি। অবশেষে ৫৪টা বদলের পর সেন্সরের ছাড়পত্র মিলল ‘অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’-এর। অবশ্য এর সঙ্গে অ্যাডাল্ট সার্টিফিকেটও দেওয়া হয়েছে।

৫৪টা পরিবর্তনের পর সেন্সর বোর্ডে ছাড় পেল ‘অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’! কবে মুক্তি?
৫৪টা পরিবর্তনের পর সেন্সর বোর্ডে ছাড় পেল ‘অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’! কবে মুক্তি?

তবে এবার প্রশ্ন আসতে পারে কবে মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি? এটি মুক্তি পেতে চলেছে আগামী ১৪ নভেম্বর। লম্বা বদলের লিস্টের পরেও অ্যাডাল্ট সার্টিফিকেট সাম্প্রতিক কালে বাংলা ছবির ক্ষেত্রে নজিরবিহীন। কী বলছেন নতুন পরিচালক জয়ব্রত দাশ? তিনি জানান, মাত্র ৫৪টা পরিবর্তনে ছবির কোনও সমস্যাই হবে না। তিনি আরও অনেক বেশি কাটস্ আর চেঞ্জের জন্যে প্রস্তুত ছিলেন। তাঁর হিসেবে সেন্সর বোর্ড যা যা পরামর্শ দিয়েছে সব করেছেন তিনি। সব কটাই জাস্টিফায়েড।

কিন্তু হঠাৎ চিলড্রেনস ডে তে অ্যাডাল্ট ছবি মুক্তির সিদ্ধান্ত কেন? ছবির সহ-প্রযোজক সৌম্য সরকার এবং সংকেত মিশ্র বলেন, ‘প্রতিবছরই শিশু দিবসে বাচ্চাদের জন্য ছবি মুক্তি পায়, এই বছর না হয় বড় হয়ে যাওয়া বাচ্চাদের জন্য একটা ছবি মুক্তি পাক।’

ফিল্ম ইনস্টিটিউট এর কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে, সম্পূর্ণ ইন্ডিপেন্ডেন্ট ভাবে, নিজেদের নিজস্ব পুঁজি দিয়ে চার বছর ধরে এই ছবিটি তৈরি করেছেন জয়ব্রত। বহুবার বন্ধ হয়ে গিয়েছে ছবির কাজ। আবার ফান্ড জোগাড় করে তা শুরু হয়। ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় রুদ্রনীল ঘোষ, সৌরভ দাস ,পায়েল সরকার , ঋষভ বসু, অনুরাধা মুখোপাধ্যায়, সুদীপ মুখোপাধ্যায়, অমিত সাহা, অনিন্দ্য পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, অঞ্জন রায় চৌধুরী, রানা বসু ঠাকুর প্রমুখ।

পরিচালক জানান এটি একটি পাল্প অ্যাকশন থ্রিলার। তাঁর এই কাজ প্রখ্যাত পরিচালক কুইন্টন ট্যারান্টীনোর প্রতি ভালোবাসার শ্রদ্ধার্ঘ্য। তবে অ্যাকশন থ্রিলার হলেও এই সিনেমায় অ্যাকশনের সঙ্গে কমেডিও মিশে রয়েছে।

ছবির গল্প কেমন হবে?

একটি অত্যন্ত দামি অ্যান্টিক মদের বোতল আর কয়েকজন ক্রিমিনালের। সবাই মিলে প্ল্যান করে এই দুর্লভ বোতল চুরি করে। সেই প্ল্যান অনুযায়ী কাজ করতে নেমেই ঘটতে থাকে একের পর এক রোমহর্ষক ঘটনা, তৈরি হতে থাকে প্ল্যান - অ্যান্টি প্ল্যান! ছলে বলে দখল বেদখল, বিশ্বাস ও বিশ্বাসঘাতকতার প্রেক্ষিতে সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়। পরতে পরতে টান টান উত্তেজনার পারদ বাড়ে নায়িকাদের পরকীয়া, প্রতারণার রোমাঞ্চকর রসায়নেও।

সিনেমাটি শেষ করতে সাহায্য করেছেন সৌম্য সরকার এবং প্রমোদ ফিল্মসের কর্ণধার প্রতীক চক্রবর্তী। প্রতীক ছবি প্রসঙ্গে বলেন, ‘বাংলায় পাল্প অ্যাকশন কমেডি এই ধরনের ছবি এর আগে খুব একটা হয়নি। কাজেই এই অন্য ধারার ছবি যাতে বাঙালি দর্শকদের কাছে পৌঁছতে পারে সেজন্যই ছবিটির সমর্থনে দাঁড়িয়েছি।’