Khiladi Kumar: এই ছবির পর নিজের নাম পরিবর্তন করেন অক্ষয় কুমর! কীভাবেই বা পড়ল ‘খিলাড়ি’ নাম

অক্ষয় কুমারের আসল নাম রাজীব হরিওম ভাটিয়া। কীভাবে নাম বদলে অক্ষয় কুমার হলেন তিনি?

May 12, 2026, 17:57:14 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বলিউডের 'খিলাড়ি' নামে পরিচিত অক্ষয় কুমারের চলচ্চিত্র যাত্রা কোনও অনুপ্রেরণার চেয়ে কম নয়। মার্শাল আর্টে ব্ল্যাক বেল্ট থেকে শুরু করে পদ্মশ্রী পুরস্কার পাওয়া পর্যন্ত অক্ষয় নিজের জন্য একটি স্বতন্ত্র ছাপ রেখেছেন। ইন্ডাস্ট্রিতে কোনো গডফাদার ছাড়াই নিজের পরিচিতি গড়েছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক তাঁর সম্পর্কে অজানা কিছু কথা-

অক্ষয় কুমার।
অক্ষয় কুমার।

১৯৯১ সালে অক্ষয় তাঁর কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। তবে আপনি কি জানেন যে, তিনি তাঁর কেরিয়ার শুরু হওয়ার ১০ বছর পরে তাঁর প্রথম পুরষ্কার পেয়েছিলেন? তিনি ২০০১ সালের সিনেমাতে ‘আজনাবি’তে তাঁর দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য 'সেরা খলনায়ক' পুরষ্কার পেয়েছিলেন।

অক্ষয় কুমার কবে নিজের নাম পরিবর্তন করেন? অক্ষয় কুমারের আসল নাম রাজীব হরিওম ভাটিয়া। তিনি 'টুডে' ছবিতে মাত্র ১৫ সেকেন্ডের একটি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এই ছবির পর নিজের নাম পরিবর্তন করে 'অক্ষয়' রাখার সিদ্ধান্ত নেন, যা আজ সারা বিশ্বে বিখ্যাত।

অক্ষয় কুমারের মেয়ে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জন্মগ্রহণ করে। একই সময়ে, সুপারস্টার রাজেশ খান্না ২০১২ সালের ১৮ জুলাই মারা যান। এমন পরিস্থিতিতে অক্ষয় তাঁর শ্বশুরের সম্মানে তাঁর মেয়ের নাম রেখেছিলেন নিতারা রাজেশ খান্না।

অক্ষয় কুমার তায়কোয়ান্ডোয় জিতেছিলেন ব্ল্যাক বেল্ট। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে শেফ এবং ওয়েটার হিসাবে কাজ করার সময় তিনি মুয়ে থাই শিখেছিলেন। মার্শাল আর্টের প্রতি তার ভালোবাসা সেই অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকে।

মার্শাল আর্টিস্ট হিসেবে অক্ষয় কুমার প্রায়ই নিজের স্টান্ট নিজেই করেন। 'খিলাড়ি ৪২০' ছবিতে তিনি একটি বিমানের উপরে স্টান্ট করেছিলেন। বিশেষ ব্যাপার হল, ওই স্টান্টে তাঁর মুখ আর দেখা যাবে না, তাই খুব সহজেই বডি ডাবল ব্যবহার করার সুযোগ ছিল, তবুও তিনি নিজেই তা করার জন্য জোর দিয়েছিলেন।

বলিউডের 'খিলাড়ি কুমার' কীভাবে হয়ে উঠলেন? 'খিলাড়ি' ছবির ব্যাপক সাফল্যের পর অক্ষয় 'খিলাড়ি কুমার'-এর তকমা পেয়েছেন। তিনি 'খিলাড়ি' শিরোনামে মোট ৭টি সিনেমায় কাজ করেছেন, 'খিলাড়ি', 'ম্যায় খিলাড়ি তু আনারি', 'সবসে বড়া খিলাড়ি', 'খিলাড়ি কা খিলাড়ি', 'ইন্টারন্যাশনাল খিলাড়ি', 'মিস্টার অ্যান্ড মিসেস খিলাড়ি' এবং 'খিলাড়ি ৪২০'।

২০০৮ সালে, কানাডার উইন্ডসর বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ভারতীয় সিনেমায় তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে 'ডক্টরেট অফ ল' সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদান করে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More