Jaya Ahsan Age: ‘উনি কি ভ্যাম্পায়ার?’ গোলাপি গাউনের ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে জয়ার সুডৌল স্তনযুগল, বয়স কত বাংলাদেশি সুন্দরীর?
জয়ার বয়স কি ৫০ পার করেছে? কীভাবে এই রূপ-যৌবন ধরে রেখেছেন পদ্মা-পারের সুন্দরী? জয়া আহসানের বয়স রহস্য যেন বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের চেয়েও জটিল!
বয়স যেন তাঁর কাছে নেহাতই একটা সংখ্যা। সময়ের সাথে সাথে তাঁর রূপের ধার এবং আবেদন আরও যেন চড়চড়িয়ে বাড়ছে! কথা হচ্ছে বাংলাদেশ ও টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান (Jaya Ahsan)-কে নিয়ে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি বোল্ড ও গ্ল্যামারাস ফটোশুট শেয়ার করে অনুরাগীদের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিয়েছেন এই চিরযৌবনা অভিনেত্রী। ব্যাকলেস ও গভীর নেকলাইনের সিল্ক-স্যাটিন আউটফিটে তাঁর উপস্থিতি ফের একবার প্রশ্ন তুলে দিয়েছে— বয়স কি সত্যিই থমকে গিয়েছে জয়ার ফ্রেমেই?

‘প্রেমে পড়া বারণ!’ আলো আঁধারির নতুন ফটোশুট:
ইনস্টাগ্রামে নতুন এই বোল্ড লুকের ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে জয়া রহস্যজনকভাবে লিখেছেন, ‘প্রেমে পড়া বারণ’। ছবিতে হালকা গোলাপি শেডের একটি স্যাটিন বডি-হাগিং স্ট্র্যাপি গাউনে ধরা দিয়েছেন জয়া। যার রিভিলিং ও গভীর ক্রিস-ক্রস নেকলাইন এবং ফ্রন্ট কাট-আউট লুকে উপচে পড়ছে তাঁর যৌবন ও আবেদন। ছবিতে নেটিজেনদের মন্তব্যের বন্যা। খোলামেলা ও মোহময়ী অবতারে জয়াকে দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ লিখেছেন, ‘উনি কি রিভার্স এজিং করছেন? নাকি সত্যিই কোনো ভ্যাম্পায়ার, যাঁর বয়স বাড়ে না!’ আবার কেউ জয়ার সুডৌল চেহারার প্রশংসায় লিখেছেন, ‘এই বয়সেও এমন ফিটনেস ও গ্ল্যামার ধরে রাখা স্রেফ অবিশ্বাস্য!’ জোর চর্চা শুরু হয়েছে জয়ার আসল বয়স নিয়ে।
জয়া আহসানের আসল বয়স কত?
পুরোনো বিতর্ক বনাম বাস্তব:জয়া আহসানের বয়স কত— এই প্রশ্ন ও বিতর্ক নেটপাড়ায় নতুন কিছু নয়। একটা সময় উইকিপিডিয়ায় উল্লেখ ছিল জয়ার জন্ম ১৯৭২ সালের ১লা জুলাই। জয়া জানিয়েছিলেন সেই তথ্য ভুল। নায়িকার হিসাবে তাঁর জন্ম ১৯৮৩ সালের ১লা জুলাই। ২০১৯ সালের এক সাক্ষাৎকারে জয়া আহসান জানিয়েছিলেন তাঁর বয়স ‘৩৭ বছরের একদিনও বেশি নয়’। সেই হিসাবে অভিনেত্রীর বর্তমান বয়স ৪৫-এর আশেপাশে।

২৭ বছর পুরোনো ছবির বিতর্ক:
কিন্তু জয়া মুখে যাই বলুন না কেন ছবি বলে অন্য কথা। কিছুদিন আগেই জয়া মাসউদ নামের একটি পুরোনো ছবি (১৯৯৮ সালের আগের) ভাইরাল হওয়া ঘিরে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছিল। জয়ার ছবি ও এক সাক্ষাৎকারে কাট আউট ভাইরাল হয় গত বছর। যখন জয়া আহসান নন, ছিলেন জয়া মাসউদ। হ্যাঁ, জয়ার প্রাক্তন স্বামীর পদবি আহসান। ডিভোর্স হলেও প্রাক্তনের পদবি নামের পাশ থেকে সরাননি অভিনেত্রী। সেই সাদা কালো ছবিতে বাঙালি সাজে দেখা মিলেছিল জয়ার। পরনে শাড়ি, ছিমছাম গয়না। চুলে খোঁপা। সেই ছবিটির সাল স্পষ্ট নয়, তবে তা ১৯৯৮ সালের আগের সময়কার তা নিশ্চিত জয়ার নামের পাশে মাসউদ দেখা যাওয়ায়। জয়া সেই সময় জানিয়েছিলেন তাঁর বয়স ২০ বছর। অর্থাৎ সেই হিসাবেও জয়ার বয়স দাঁড়ায় কমপক্ষে ৪৬-৪৭। অনেকে আবার প্রশ্ন তোলেন, জয়ার হিসাবে তাঁর জন্ম ১৯৮৩-তে আর বিয়ে ১৯৯৮-এ। তাহলে উনি কি ১৫ বছরে বাল্য বিবাহ করেছিলেন? সেই রহস্য অবশ্য ভেদ হয়নি।
সমালোচকরা তাঁর বয়স কিংবা পোশাক নিয়ে যতই জলঘোলা করুক না কেন, নিজের রূপ, গ্ল্যামার আর অভিনয়ের ধার দিয়ে বারবার সকলকে টেক্কা দিয়েছেন জয়া। ‘প্রেমে পড়া বারণ’ ক্যাপশনে ছবি পোস্ট করলেও, এই রূপের জাদুতে বুঁদ হয়ে অনুরাগীরা যে প্রতিনিয়ত নতুন করে তাঁর প্রেমে পড়ছেন, তা বলাই বাহুল্য!
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


