Agnimitra Paul: ‘অমিতাভ যদি নিরামিষ খেতে পারেন, তাহলে আমরা খেলে দোষ কোথায়’, সাওয়াল অগ্নিমিত্রার
মিড ডে মিলে ডিম থাকবে না বাদ যাবে এই নিয়ে বিতর্কে মজেছিল গোটা বাংলা। যদিও সব বিতর্কে জল ঢেলে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে, খাবার ইস্কনের থেকে এলেও, ডিম দেবে রাজ্য সরকার! তারই মাঝে অগ্নিমিত্রা প্রশ্ন তুললেন, অমিতাভ বচ্চন নিরামিষ খেতে পারলে, সবার খেতে সমস্যা কী?
কিছুদিন আগেই মিড ডে মিল থেকে ডিম উঠে যাওয়া নিয়ে উত্তাল হয়েছিল বাংলার রাজনীতি। আসলে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসে বিজেপি সরকার ঘোষণা করে যে, মিড ডে মিলে-র রান্নার দায়িত্ব দেওয়া হবে ইসকনকে। স্বাভাবিকভাবেই ইসকনের রান্না অর্থাৎ সম্পূর্ণ নিরামিষ। তারপরই ডিম বাদ যাওয়া নিয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন বিরোধীরা। দাবি ছিল, ডয়েটে ডিম না থাকলে, পর্যাপ্ত প্রোটিন পাবে না পড়ুয়ারা। সঙ্গে বিজেপি বাংলার খাদ্যাভ্যাস বদলানোর চেষ্টা করছে বলেও, দাবি উঠতে থাকে। যদিও বিজেপি সরকারের যুক্তি ছিল, ইসকনের থেকে পড়ুয়াদের কাছে খাবার পৌঁছলে তাতে পুষ্টিগুণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছনতা বজায় থাকবে।

চলতি মাসে এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলাও দায়ের হয়েছিল। এই নিয়ে রাজ্য সরকারের হলফনামাও চেয়ে পাঠায় আদালত। অবশ্য এরইমধ্যে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি ঘোষণা করেছেন যে, ‘১ অগস্ট থেকে ইসকন মিড ডে মিল দেবে। তবে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করতে সেলফ হেলফ গ্রুপের মাধ্যমে আমরা আলাদা করে ডিম দেব।’
সম্প্রতি পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের একটি মিডিয়া বাইট ভাইরাল হয়েছে। যেখানে বিজেপি নেত্রী প্রশ্ন তোলেন, অমিতাভ বচ্চন যদি নিরামিষ খেতে পারেন, তাহলে আমরা খেলে দোষ কোথায়? অগ্নিমিত্রাকে বলতে শোনা যায়, ‘অনেকেই আছি আমরা যারা নিরামিষাশী হয়ে যাচ্ছি। আমাদের ম্যাটিনি আইডল অমিতাভ বচ্চনও নিরামিষ খান। বিদেশের বেশিরভাগ লোকজন একন পুরোপুরি নিরামিষ খাচ্ছেন, ডেয়ারি প্রোডাক্টও খাওয়া চলবে না! এটা ভুল ধারণা যে নিরামিষ খেলে পুষ্টির কমতি হতে পারে। তাও আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী এই ব্যবস্থা করে দিয়েছেন যে যারা ডায়েটে ডিম খায়, তারা ডিম পাবে।’
প্রসঙ্গত, শারীরিক নানা অসুস্থতার কথা মাথায় রেখে এখন পরিমিত খাবার থাকে অমিতাভের ডায়েটে। যদিও একেবারে শুরুর দিকে মোটেও তেমনটা ছিল না। ব্যক্তিগত পছন্দ ও রুচির কারণে ধূমপান, মদ্যপান ও মাংস খাওয়া পুরোপুরি ছেড়ে দিয়েছেন। একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, অভিনেতা প্রায় দুই দশক আগে নিরামিষাশী হন। কেবিসি-র একটি এপিসোডে অমিতাভকে বলতে শোনা গিয়েছিল, যৌবনে তিনি মাংস খেতে খুব উপভোগ করতেন, কিন্তু স্বাস্থ্যগত কারণে বর্তমানে সেসব পুরোপুরি ছেড়ে দিয়েছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


