Happy Birthday Meera: মীরার প্রথম জন্মদিনে আদুরে বার্তা অহনার! ‘তোমার জীবনে একটাই অভাব…’, লিখল দীপঙ্কর
২০২৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর আইনি বিয়ে করেন অহনা দত্ত ও দীপঙ্কর রায়। ২০২৫ সালের ২৫ জুলাই তাঁদের কোল আলো করে আসে মেয়ে মীরা।
মঙ্গলবার ছোট্ট মীরার প্রথম জন্মদিন। এমনিতেই এই একরত্তিকে খুব ভালোবাসে নেটপাড়া। আর মেয়ের জন্মদিনে তাকে ভালোবাসায় ভরালেন অহনা দত্ত ও দীপঙ্কর রায়।

মাঝরাতেই মীরার ছবি শেয়ার করে অহনা লিখলেন, ‘হ্যাপি বার্থ ডে মীরা। আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। আর হ্যাঁ আমি সত্যিই ভালোবাসি’। আর মেয়ের জন্য বাবা দীপঙ্কর লিখলেন, ‘তোমাকে প্রথমেই অনেক অনেক ধন্যবাদ আর আদর যে তুমি আমার জীবনে মা ডাকটা আবার ফিরিয়ে দিয়েছ’!
আসলে মেয়ে হওয়ার মাসখানেক আগেই মারা যান দীপঙ্করের মা। আর প্রয়াত শাশুড়ির নামেই মেয়ের নাম রেখেছেন অহনা। খুদেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে দীপঙ্কর আরও লিখেছেন, ‘তোমাকে প্রথমেই অনেক অনেক ধন্যবাদ আর আদর যে তুমি আমার জীবনে মা ডাকটা আবার ফিরিয়ে দিয়েছ ।তাই আমি আর তোমার মা তোমাকে এই নামটা উপহার দিয়েছি ‘মীরা’। আজ তোমার একবছর পূর্ণ হল, আর প্রথম জন্মদিনে তোমাকে একটা কথা দিলাম, জীবনে পরিস্থিতি যাইহোক আমি সব সময় তোমার জীবনের প্রথম হিরো থাকব। তোমার দাদু, পিসি, পিসেমশাই, দাদা সবার তুমি খুব আদরের, তাদের এই ভালোবাসা আগলে রেখো সারা জীবন। তোমার জীবনে একটাই অভাব থাকবে তোমার ঠাকুমা। শুভ জন্মদিন মা।’
২০-র কোঠা টপকাতে না টপকাতেই মাতৃত্ব আসে অহনার জীবনে। তবে এই অল্প বয়সে অহনাকে আগলে রাখতে ছিলেন না মা চাঁদনী। এমনিতেই বাবা-মায়ের ডিভোর্সের পর, মায়ের কাছেই বড় হয়ে ওঠেন অহনা। এমনকী, নাচের রিয়েলিটি শো ডান্স বাংলা ডান্সেও ভাগ নিয়েছিলেন একত্রে। তবে এরপর প্রথম ধারাবাহিক অনুরাগের ছোঁয়া-তে কাজ করার সময় প্রেমে পড়েন অহনা। সিরিয়ালের মেকআপ আর্টিস্ট দীপঙ্কর রায়কে ভালোবেসে ফেলেন। আর এই প্রেমেরই বিরোধে ছিলেন চাঁদনী। ফলে মা-মেয়ের দূরত্ব বাড়ে।
মাত্র ১৯ বছরেই মা-কে ছেড়ে দীপঙ্করের হাত ধরে ঘর ছাড়েন অহনা। শুরু হয় লিভ ইন। এরপর বিয়ে করেন। একদম ঘরোয়া আয়োজনে আইনি বিয়ে হয়। সেই সয়টা অহনাকে আগলে রেখেছিলেন দীপঙ্করের মা। তবে তিনিও চলে যান আচমকাই।
আপাতত শ্বশুর, ননদ, ননদাইদের নিয়ে গুছিয়ে সংসার করছেন অহনা। কাজের জন্য লম্বা সময় থাকতে হয় বাড়ির বাইরে। সেইসময় মীরাকে সামলান দীপঙ্করের বাবা ও ন্যানিরা। শ্যুটের মাঝে একটু সময় পেলেও ছুটে চলে আসেন সন্তানের কাছে। কাজের সূত্রে, আপাতত তারে ধরি ধরি মনে করি মেগাতে নেটিবাচক চরিত্রে দেখা যাচ্ছে অহনা দত্তকে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


