অহনার বুকে মুখ গুঁজে মীরা, চুমু দীপঙ্করের, ভাইরাল আদুরে মুহূর্ত! ১৯-এ সহবাস, কত বছর বয়সে মা হন ‘মিশকা’?
মীরা সাড়ে তিন মাসের হতেই, তাঁকে নিয়ে দীঘায় ঘুরতে যান দম্পতি। সেখানে জগন্নাথ মন্দিরে পুজোও দেন। তারপরই মীরার মুখ আনেন প্রকাশ্যে। এবার মেয়ে-বউয়ের মিষ্টি ছবি শেয়ার করলেন স্বামী দীপঙ্কর।
বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীবারে মেয়ের মুখ প্রকাশ্যে এনেছেন অভিনেত্রী অহনা দত্ত। আর শুক্রবার বউ আর মেয়ের দুটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে নিলেন রূপটান শিল্পী দীপঙ্কর রায়। এতদিন মেয়ের মুখ গোপন রেখেছিলেন অহনা দত্ত। তবে মীরা সাড়ে তিন মাসের হতেই, তাঁকে নিয়ে দীঘায় ঘুরতে যান দম্পতি। সেখানে জগন্নাথ মন্দিরে পুজোও দেন। তারপরই মীরার মুখ আনেন প্রকাশ্যে।

দীপঙ্করের শেয়ার করা প্রথম ছবিটিতে অহনার কোলে মেয়ে মীরা। অবাক বিষ্ময়ে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছে। মেয়ের গালে গাল ঠেকিয়ে ছবিটি তুলেছেন অহনা। পরের ছবিতে মায়ের বুকে মুখ বুজে ঘুমোচ্ছে মীরা। অহনারও চোখ বন্ধ। আর বউয়ের কপালে চুম্বন দীপঙ্করের।
নিজের শাশুড়ি মায়ের নাম অনুসারে মেয়ের নাম ‘মীরা’ রেখেছেন অহনা। মাত্র ১৯ বছর বয়সে নিজের মায়ের অমতে, পরিবারকে ছেড়ে এসে দীপঙ্করের সঙ্গে একত্রবাস শুরু করেন। এরপর ২০ বছর বয়সে করে নেন আইনি বিয়ে। ২১ বছরে কোলে আসে ছোট্ট মীরা। বউমাকে একেবারে আগলে রাখতেন দীপঙ্করের মা। যদিও মীরাকে দেখে যেতে পারেননি। তাই শাশুড়ির নাম অনুসারেই মেয়ের নাম রাখেন ‘মিশকা’।
আরও পড়ুন: বিয়ের ৯ মাস, মা হচ্ছেন শ্বেতা? রুবেলের জবাব, ‘স্বরস্বতী আছে, লক্ষ্মী আসুক, পরে কার্তিকও…’
কাজের সূত্রে, প্রেগন্যান্সির সময়তেও কাজ করেছিলেন অহনা ‘অনুরাগের ছোঁয়া’ ধারাবাহিকে। তবে বিগত মাস ছয়েক ধরে ক্যামেরার মুখোমুখি হননি। তবে শুরু করেছেন ভ্লগিং। প্রেগন্যান্সির সময়ে মা হওয়ার আগের সফরের খুঁটিনাটি তুলে ধরতেন অহনা। কখনও রান্নাবান্নার ভিডিয়ো, কখনও আবার স্বামী দীপঙ্করকে নিয়ে রিল বানানো। অথবা দীপঙ্করকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া। এখন মাতৃত্বের নানা খুঁটিনাটি থাকে অহনার ভ্লগে।
তবে খুব জলদিই ছোট পর্দায় ফিরছেন অহনা দত্ত। জি বাংলার নতুন ধারাবাহিক ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ ধারাবাহিকে অভিনয় করতে দেখা যাবে অহনাকে। এই ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে চলেছেন বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পল্লবী শর্মা। তবে এখনও তিনি ডাকসাঁইটে ভিলেন কি না, তা এখনও জানা যায়নি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই লুক সেট হয়ে গিয়েছে। কদিনের মধ্যেই ফিরতে হবে সেটে। ছোট্ট মীরা তখন থাকবে দাদুর কাছে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


