Ahona-Dipankr: অহনা-দীপঙ্করের একান্তযাপন! বিছানায় আদুরে মীরার মা-বাবা, মিষ্টি ছবি কাড়ল মন

Ahona Dutta-Dipankar Ray: বাড়ির অমতে ভালোবেসে বিয়ে। কোনো বিতর্কই অহনা আর দীপঙ্করের প্রেমে বাধা হতে পারেনি। ছুটির দিন আদরে মাখামাখি বর-বউ। 

Published on: Apr 14, 2026, 14:43:08 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Ahona Dutta-Dipankar Ray: কদিন আগেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন পেশায় মেকআপ আর্টিস্ট দীপঙ্কর রায়। অহনার একটা ছবি থেকেই সামনে আসে বিষয়টা। বরের সঙ্গে একটা সেলফি পোস্ট করেছিলেন, যেখানে দেখা গিয়েছিল যে, হাসপাতালের বিছানায় বসে দীপঙ্কর। স্যালাইন চলছে। সারা বুকজুড়ে বিভিন্ন নল। জানা যায়, আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন দীপঙ্কর। ড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয় তাঁকে। হয়েছে অ্যাঞ্জিওগ্রাম। তবে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও, বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন ডাক্তারেরা।

বিছানায় আদুরে মীরার মা-বাবা দীপঙ্কর ও অহনা।
বিছানায় আদুরে মীরার মা-বাবা দীপঙ্কর ও অহনা।

এবার দীপঙ্করের সঙ্গে মিষ্টি মুহূর্ত ভাগ করে নিলেন অহনা দত্ত। দুজনের রোম্যান্টিক মুহূর্ত ধরা পড়ল ক্যামেরাতে। অহনার গায়ে নীল রঙের স্ট্রাইপড শার্ট। দীপঙ্কর পরে আছেন হলুদ রঙের টি-শার্ট। একটি বই অহনার হাতে। যদিও মজেছেন বরের আদরে। আর ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ছুটির দিন’!

ডেইলি সোপের চাপে অহনার ছুটিছাটা মেলে না বললেই চলে। দীপঙ্করও ছোট পর্দায় মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেন। ফলে চূড়ান্ত ব্যস্ততা দুজনেরই। আগে সময় পেলেই একে-অপরের সঙ্গে বেরিয়ে পড়তেন। গাড়ি নিয়ে উইকেন্ড ট্যুর, বা পছন্দের রেস্তোরাঁয় ভুরিভোজ। তবে এখন মেয়ে মীরা কোলে আসার পর থেকেই, একটু হলেও লাগাম পড়েছে বোহেমিয়ান জীবনে। যদিও একরত্তি কন্যাকে নিয়েই বেরিয়ে পড়েন অহনা। ২০ পেরোতে না পেরোতেই মা হয়েছেন! তবে, এই অল্প বয়সেও মাতৃত্ব, সংসার, কাজ সবটাই খুব সুন্দরভাবে সামলে নিচ্ছেন।

অহনার মা তাঁর আর দীপঙ্করের প্রেম বা বিয়ে, কোনোটাতেই মত দেননি। ফলে বাপের বাড়ির কেউ নেই পাশে। তবে অহনাকে আগলে রেখেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ি। যদিও শাশুড়ি মারা গিয়েছেন তাঁদের বিয়ের পরপর। নাতনিকে দেখে যেতে পারেননি বলে, তাঁর নামেই মেয়ের নাম রেখেছেন মীরা। আপাতত শ্বশুর ও ন্যানিদের কাছে মীরাকে রেখে কাজে বের হন অহনা ও দীপঙ্কর।

স্বভাবতই স্বামীর অসুস্থতা ও হাসপাতালে ভর্তিতে বড় বিপদে পড়েছিল পরিবার। অহনা ফেসবুকে ভিডিয়ো শেয়ার করে জানিয়েছিলেন, ‘ছোট্ট মীরাকে বাড়িতে রেখে আসতে হয়েছিল, তাই সব মিলিয়ে আমি বেশ চাপে ছিলাম। শনিবার আমি শুটিংয়ে ছিলাম, তখন হঠাৎ দীপঙ্কর ফোন করে জানায়, তার বুকে প্রচণ্ড ব্যথা হচ্ছে এবং সে ঠিকমতো নিঃশ্বাস নিতে পারছে না। এরপর আমার শ্বশুরমশাই তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। তার সুগার ও প্রেশার ক্রমশ ওঠানামা করতে থাকে। এর মধ্যেই আমি হাসপাতালে পৌঁছে যাই। পরে তাকে অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং আইসিইউ-তে ভর্তি করা হয়। বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার চিকিৎসা চলছে।’

আর দীপঙ্কর জানান, সেদিনের ঘটনা মনে করলে এখনো আতঙ্ক অনুভূত হয় তাঁর। এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল, যেন সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে। বলেন, এতটাই কষ্ট অনুভূত হচ্ছিল যে মনে হচ্ছিল, যেন যে কোনো মুহূর্তে প্রাণটা বেরিয়ে যাবে। নিঃশ্বাস নিতে ভীষণ কষ্ট হচ্ছিল। সেই সময় অহনা বাড়িতে উপস্থিত ছিল না, এবং মীরাকে নিয়ে বাবা একাই বাড়িতে ছিলেন। বারবার প্যানিক অ্যাটাক অনুভূত হচ্ছিল এবং কী করা উচিত, তা বুঝে ওঠা যাচ্ছিল না।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More