আচমকা ছাড়েন ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’, শুরু করেছেন ব্যবসা! আর ধারাবাহিকে কাজ করবেন না অহনা?
অহনা দত্ত যখন তারে ধরি ধরি মনে করি ছাড়েন, তখন অনেকেরই মনে হয়েছিল বুঝি বা বিগ বস বাংলা-য় যাবেন। পরে দেখা যায়, পুজোর আগে নিজের নতুন ব্যবসা শুরু করেছেন। তবে অহনাকে মিস করছেন তাঁর ভক্তরা। তিনি কি আর অভিনয় করবেন না?
কদিন আগেই ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ ধারাবাহিক আচমকাই ছাড়েন অহনা দত্ত। প্রথমে মনে করা হয়েছিল যে, বিগ বস বাংলা-র ঘরে যাবেন অভিনেত্রী। তবে দেখা যায় যে, অহনা বিগ বস বাংলা-র ঘরের ধারেকাছেও হাঁটেননি। বরং, নিজের পোশাকের নতুন ব্যবসা খুলেছেন তিনি। নাম রেখেছেন, ‘অহনা ফ্যাশন লেভেলস’।

এরপর প্রশ্ন উঠতে থাকে, তাহলে কি অভিনয় কেরিয়ার থেকে বিরতি নিলেন অহনা। আর করবেন না অভিনয়? নিজের একটা ভিডিয়োতেই এর জবাব দিয়েছেন অহনা। জানান, কাজের থেকে এই বিরতি নেওয়া শুধুই নিজের একরত্তি মেয়েটাকে সময় দেওয়ার জন্য। মনের মতো প্রোজেক্ট ফেলে খুব শীঘ্রই ফিরবেন।
অহনাকে বলতে শোনা যায়, ‘দিদি তুমি কি সিরিয়াল ছেড়ে দিলে, তুমি কি আর কোনোদিন সিরিয়াল করবে না? এইসব প্রশ্ন তোমরা আমাকে প্রতিদিন করছ। দেখো আমার প্রথম পরিচয় আমি একজন অভিনেত্রী, একজন ডান্সার। আমি নাচ করতে খুব ভালোবাসি আর অভিনয় করতেও। কিন্তু যখন থেকে আমি আমার পরিবারকে পেয়েছি মনে হয়েছে এর চেয়ে বড় উপহার আর কিছু হতে পারে না। তাই এই ব্রেকটা নেওয়া আমার এই ছোট্ট বেবির জন্য। কারণ বেবিকে সময় দেওয়াটাও জরুরি। অবশ্য নতুন ভেঞ্চারও একটা শুরু হয়েছে।’
‘সবকিছুর মাঝে আমি টুকটাক রান্না করা, ঘোরাঘুরিটাও চালিয়ে যাচ্ছি। তবে এই যে তোমরা আমাকে সবসময় প্রশ্নটা করো, তুমি কি আর কখনো অভিনয় করবে না, সেটা একেবারে ভুল। আমি বরাবর অভিনেত্রী ছিলাম, আছি আর থাকব। সুযোগ পেলে তাই চেষ্টা করব তোমাদের কাছে একদম মনের মতো একটা প্রোজেক্ট নিয়ে আসতে।’, আরও বলেন অহনা।
মাত্র ১৯ বছরে অহনা কাজ করেন অনুরাগের ছোঁয়া ধরাবাহিকে। আর সেই মেগা তাঁকে পৌঁছে দিয়েছিল ঘরে ঘরে মানুষের মনে। অবশ্য তার আগে অহনাকে দেখা গিয়েছিল ডান্স বাংলা ডান্সে। অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিক চলাকালীনই অহনা বিয়ে করেন এই ধারাবাহিকেরই রূপটান শিল্পী দীপঙ্করের সঙ্গে। আর এই সিরিয়াল চলাকালীনই অহনার গর্ভে আসে তাঁর প্রথম সন্তান। এরপর মেয়ের জন্মের আগে অনুরাগের ছোঁয়া ছাড়েন তিনি। মীরার যখন মাস দুয়েক বয়স তখন যোগ দেন তারে ধরি ধরি মনে করি ধারাবাহিকে।
অহনা আর দীপঙ্করের বিয়েতে মত ছিল না অভিনেত্রীর মায়ের। মেয়ের জন্মের আগে না ফেরার দেশে চলে যান শাশুড়িও। একরত্তি মেয়েকে শ্বশুর ও ন্যানির কাছে রেখেই কাজে যেতে হত। তবে আপাতত বাড়িতে মাকে সবসময় পেয়ে বড্ড খুশি মীরা। এদিকে, শুরুতেই ব্যবসায়ী হিসেবে বেশ সাফল্য এসেছে অহনার ঝুলিতে। অনলাইন বিজনেসে খুব ভালো সাড়া পাচ্ছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


