বস লেডি ঐশ্বর্য! কানের লাল গালিচায় শেষ চমক, পালক লাগানো প্যান্টস্যুট বচ্চন-বধূ

সাদা প্যান্টস্যুট পরে ঐশ্বর্য রাই বচ্চন কান চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচায়আগুন ধরালেন। টং করা চুল এবং স্মোকি আইতে বচ্চন-বধূর থেকে চোখ ফেরানোই দায়। 

Published on: May 24, 2026, 10:09:38 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

চেনি চ্যান ক্যুচারের ডিজাইন করা সাদা প্যান্টস্যুট পরে ঐশ্বর্য রাই বচ্চন কান চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচায় আগুন ধরালেন। পোশাকে রুপোলি কাজ করা ছিল। বাড়তি গ্ল্যামারের জন্য কনুই ও কাঁধে জড়ানো ছিল বিশাল আকারের পালক। মোহিত রাইয়ের স্টাইলিংয়ে, রাই-সুন্দরী তাঁর লুকটি সম্পূর্ণ করতে টং করা চুল এবং স্মোকি আই বেছে নিয়েছিলেন।

কানে সাদা প্যান্টস্যুট ঐশ্বর্য।
কানে সাদা প্যান্টস্যুট ঐশ্বর্য।

এর আগে ঐশ্বর্যকে কানে দেখা যায় সোফি ক্যুচারের ডিজাইন করা একটি পাউডার পিঙ্ক রঙের পোশাকে। যাতে ছিল একটি শিফন কেপ। পোশাকটিতে ফুলের নকশাও ছিল, যা গ্ল্যামার কোশেন্টকে আরও বাড়িয়ে তুলেছিল। ব্র্যান্ডটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসারে, ঐশ্বর্যর পোশাকটির দাম ৩৭০০ মার্কিন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩,৫৪,১৬৩ টাকা।

এই দিনে পাশে ছিলেন মেয়ে আরাধ্যাও। যাকে লাল গাউনে মায়ের পাশে দেখা যায়, এই পোশাকটিতে ছিল একটা লম্বা কেপ। একেবারে ছিমছাম সাজে এসেছিল আরাধ্যা।

আর কানে ঐশ্বর্যর প্রথম উপস্থিতি ছিল ধামাকাদার। ডিজাইনার অমিত আগারওয়ালের তৈরি নীল রঙের গাউন বেছে নিয়েছিলেন। সেই গাউনে ছিল ‘ক্রিস্টাল ভেইন’ এমব্রয়ডারির সূক্ষ্ম কাজ। অসংখ্য ক্রিস্টালের জটিল বিন্যাসে আলো প্রতিফলিত হয়ে তৈরি করছিল ভিন্ন এক দীপ্তি। ডিজাইনারের প্রেস নোটে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই পোশাকটি তৈরিতে ১৫০০ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। আছে সূক্ষ্ম হাতের কাজ। পোশাকের সূক্ষ্ম নকশার ভেতর বসানো হয়েছে হাজার হাজার ক্রিস্টাল। আর এই গাউনের ‘অ্যাবিস ব্লু’ রংটি মহাজাগতিক আলো আর অসীম মহাশূন্যের প্রতীক।

কানে ঐশ্বর্য থাকবেন কি থাকবেন না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল ভক্তদের মনে। তবে অভিনেত্রীর কান উপস্থিতি আবারও প্রমাণ করল তিনিই ওজি কান কুইন! অনেকে তো তাঁকে ‘মাদার অব কান’-ও বলছেন।

মডেলিং দিয়ে কেরিয়ার শুরু করেন ঐশ্বর্য। এরপর ১৯৯৪ সালে তিনি 'মিস ওয়ার্ল্ড' জিতে নেন। ১৯৯৭ সালে মণি রত্নমের তামিল ছবি 'ইরুভার' (Iruvar) দিয়ে তাঁর সিনেমায় অভিষেক ঘটে। হাম দিল দে চুকে সনম (১৯৯৯), দেবদাস (২০০২), মহব্বতে (২০০০), যোধা আকবর (২০০৮), গুজারিশ (২০১০), অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল (২০১৬)-এর মতো সিনেমায় কাজ করেছেন। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ঐশ্বর্যা কান চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করছেন এবং গ্লোবাল আইকন হিসেবে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন। প্রথমবার কানে উপস্থিত হয়েছিলেন পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালির ব্লকবাস্টার সিনেমা দেবদাস-এর প্রিমিয়ারে। ডিজাইনার নীতা লুল্লার তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী হলুদ রঙের শাড়ি পরেছিলেন এবং পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালি ও সহ-অভিনেতা শাহরুখ খানের সঙ্গে রেড কার্পেটে হেঁটেছিলেন।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More