ডিভোর্সে গৌরবের থেকে ১০ লাখ টাকা খোরপোশ? ‘এত টাকা থাকলে…’, মুখ খুললেন আকাঙ্খা

গৌরব খন্নার সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার জল্পনার মাঝেই ১০ কোটি টাকা খোরপোশ নেওয়ার গুঞ্জন ঘিরে মুখ খুললেন আকাঙ্খা চামোলা। অভিনেত্রীর দাবি, সত্যিই যদি তাঁর কাছে এত টাকা থাকত, তাহলে অনেক আগেই দেশ ছেড়ে চলে যেতেন।

Published on: Sep 13, 2026, 08:31:04 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

গৌরব খন্না ও আকাঙ্ক্ষা চামোলার সম্পর্ক ভাঙার খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। ‘দ্য লক আপ’ শোয়ে গিয়ে আকাঙ্ক্ষা জানিয়েছিলেন, তিনি এবং গৌরব দীর্ঘদিন ধরেই আলাদা থাকছেন। এবার তাঁদের বিচ্ছেদ আনুষ্ঠানিক হওয়ার অপেক্ষা।

গৌরব খান্না ও আকাঙ্খা চামোলা।
গৌরব খান্না ও আকাঙ্খা চামোলা।

এরই মধ্যে খবর ছড়ায়, বিবাহবিচ্ছেদের পর গৌরবের কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা খোরপোশ চাইতে পারেন আকাঙ্ক্ষা। সেই গুঞ্জন নিয়েই এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী।

১০ কোটি টাকার খোরপোশের গুঞ্জনে কী বললেন আকাঙ্ক্ষা?

Mashable India-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আকাঙ্ক্ষা বলেন, সত্যিই যদি তিনি এত টাকা চাইতেন এবং তা পেয়ে যেতেন, তাহলে তিনি আর সেখানে বসে থাকতেন না। বরং অনেক আগেই দেশ ছেড়ে চলে যেতেন।

আকাঙ্ক্ষার কথায়, তিনি এমন মানুষ নন যিনি খোরপোশের জন্য মুখিয়ে থাকবেন। ১০ কোটি টাকা খোরপোশ নেওয়ার যে খবর ছড়িয়েছে, তা নিয়েই কার্যত প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেত্রী।

‘সুগার ড্যাডি’ মন্তব্যেরও জবাব আকাঙ্খার

গৌরব ও আকাঙ্ক্ষার বয়সের ব্যবধান নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নানা মন্তব্য হয়ে আসছে। আকাঙ্ক্ষা যখন গৌরবকে বিয়ে করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল ২৪ বছর। গৌরব তাঁর থেকে প্রায় ১০ বছরের বড়। এই বয়সের ব্যবধানের কারণে আকাঙ্ক্ষাকে ‘সুগার ড্যাডি’র সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগেও কটাক্ষ করা হয়েছিল।

এই মন্তব্যের জবাব দিয়ে আকাঙ্ক্ষা জানান, সাধারণত ৩০, ৪০ বা ৫০ বছর বয়সি পুরুষদের ‘সুগার ড্যাডি’ বলা হয়। তাঁর মতে, কারও থেকে ১০ বছর বড় হলেই তাঁকে ‘সুগার ড্যাডি’ বলা যায় না।

ইনস্টাগ্রামে এখনও কেন গৌরবের নাম?

বিচ্ছেদের জল্পনা চললেও আকাঙ্খার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে এখনও ‘আকাঙ্খা গৌরব খন্না’ নামটি রয়েছে। কেন এখনও নাম পরিবর্তন করেননি, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন অভিনেত্রী।

আকাঙ্খা জানান, মেটা-সংক্রান্ত কিছু সমস্যার কারণেই এখনও নাম বদলানো সম্ভব হয়নি। তাঁর কথায়, ‘মেটা-ওয়ালারা করেই দিচ্ছে না।’ ২০১৬ সালে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর বিয়ে করেছিলেন গৌরব ও আকাঙ্খা। তবে তাঁদের বিচ্ছেদ নিয়ে গৌরব এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত কোনও মন্তব্য করেননি। যদিও আকাঙ্খা যখন ‘দ্য লক আপ’-এ ছিলেন, তখন গৌরব তাঁকে সমর্থন করার জন্য সকলকে অনুরোধ করেছিলেন। এমনকি আকাঙ্খার পাশে দাঁড়াতে শোতেও হাজির হয়েছিলেন তিনি।

‘লক আপ’-এ ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিস্ফোরক দাবি

‘দ্য লক আপ’-এ থাকাকালীন আকাঙ্খা নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কথা জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বিয়ের আগে তিনি বাইসেক্সুয়াল ছিলেন এবং নারীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও ছিল। আকাঙ্খার দাবি, গৌরব এই বিষয়টি জানতেন এবং তা সত্ত্বেও তাঁকে গ্রহণ করেছিলেন।

সন্তান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও হয়েছিল বিতর্ক

এর আগে ‘বিগ বস’-এ এসে গৌরব জানিয়েছিলেন, তিনি সন্তান চান। তবে আকাঙ্ক্ষা সন্তান নিতে চান না। যদিও স্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে তিনি সম্পূর্ণ সমর্থন করেন বলেও জানিয়েছিলেন গৌরব।

গৌরবের এই মন্তব্যের পর আকাঙ্ক্ষাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ট্রোলিংয়ের মুখে পড়তে হয়েছিল। পরে অভিনেত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, সন্তান না নেওয়া তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং এর জন্য কাউকে কোনও ব্যাখ্যা দিতে তিনি বাধ্য নন।

আকাঙ্ক্ষার অভিনয় জীবন

টেলিভিশনের একাধিক ধারাবাহিক ও অনুষ্ঠানে কাজ করেছেন আকাঙ্ক্ষা চামোলা। ‘স্বরাগিনী’, ‘ভূতু’, ‘সন্তোষী মা’, ‘ইয়ে হ্যায় আশিকি’, ‘ক্রাইম পেট্রোল’, ‘রিওয়াইন্ড ওয়ালা লাভ’, ‘ক্যায়সে মুঝে তুম মিল গয়ে’-সহ বিভিন্ন শোয়ে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

সম্প্রতি ‘দ্য লক আপ’-এ অংশ নিয়েছিলেন আকাঙ্ক্ষা। বর্তমানে মায়ের সঙ্গে থাকছেন তিনি। আগামী দিনে আরও কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে অভিনেত্রীর।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More