Ankush Hazra: ছোঁয়ার আকুতি, হাত ধরে টানাটানি! তৃণমূলের হয়ে ভোট চাইতে রাস্তায় ‘মহানায়ক’ অঙ্কুশ

বরাবরই তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত অঙ্কুশ। ভোটে দাঁড়াতে পারেন, এমন খবরও শোনা গিয়েছিল মাসখানেক আগে। তবে প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকলেও, তৃণমূলের হয়ে প্রচারে নিলেন ভাগ। রবিবার করলেন বনগাঁয় রোড শো। 

Published on: Apr 27, 2026, 10:00:21 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

২৯ মে পশ্চিমবঙ্গে শেষ দফায় ভোট। আর তাই শেষ মুহূর্তে সব দলই নেমেছে কোমর বেঁধে। একাধিক টলিউড তারকা নিজেদের পছন্দের দলের হয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। রবিবার বনগাঁয় এক বিশাল রোড শো-র আয়োজন করা হয়েছিল ঘাসফুল দলের পক্ষ থেকে। আর তাতে তারকা মুখ হিসেবে দেখা গেল অঙ্কুশ হাজরাকে।

তৃণমূলের হয়ে বনগাঁয় রোড শো অঙ্কুশের।
তৃণমূলের হয়ে বনগাঁয় রোড শো অঙ্কুশের।

পছন্দের অভিনেতাকে দেখতে থিকথিকে ভিড়। একপলক দেখার, ছোঁয়ার আকুতি। এমনকী, ভিড়ের মধ্যে বেশকয়েকবার হাতেও পড়ল টান। তরুণীদেপ মধ্যে হুড়োহুড়ি। কেউ কেউ আবার উপহারও এনেছেন। আর এই সমস্তকিছুই হাসিমুখে সামলালেন। এদিন অঙ্কুশের পাশে দেখা গেল অভিনেতা সোহেল দত্তকে।

সরাসরি রাজনীতিতে না থাকলেও, অঙ্কুশ হাজরা তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত। রাজ্য সরকারের যে কোনো অনুষ্ঠানেই থাকেন তিনি ও তাঁর বান্ধবী ঐন্দ্রিলা সেন। অঙ্কুশ স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি এই মুহূর্তে রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন না এবং সম্পূর্ণভাবে সিনেমা ও প্রযোজনা নিয়েই ব্যস্ত থাকতে চান

২০২৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক মর্যাদাপূর্ণ 'মহানায়ক সম্মান'-এ ভূষিত হয়েছেন। নিন্দুকদের দাবি, শাসকদলের সঙ্গে দহরম-মহরম থাকার কারণেই নাকি এই সম্মান।যদিও নিজেই জানিয়েছিলেন যে, তিনি নিজেকে এই প্রজন্মের 'মহানায়ক' হিসেবে মানেন না এবং এই পুরস্কারের যোগ্য হয়ে উঠতে তার আরও অনেক পরিশ্রম বাকি।

২০১০ সালে 'কেল্লাফতে' ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন অঙ্কুশ হাজরা। ‘খিলাড়ি’, ‘কানামাছি’, ‘আমি শুধু চেয়েছি তোমায়’, ‘ভিলেন’, ‘বিবাহ অভিযান’, ‘ম্যাজিক’, এবং ‘শিকারপুর’-এর মতো ভিন্নধর্মী ছবিতে অভিনয় করে তিনি প্রশংসা পেয়েছেন। ২০২২ সালের ১৫ আগস্ট অঙ্কুশ নিজের প্রযোজনা সংস্থা ‘অঙ্কুশ হাজরা মোশন পিকচার্স’ শুরু করেন।

তাঁর প্রযোজিত প্রথম ছবি ‘মির্জা’ (Mirza), যা ২০২৪ সালে মুক্তি পায়। এটি একটি বড় বাজেটের অ্যাকশন থ্রিলার ছবি, যদিও বক্স অফিসে সেভাবে কামাল করতে পারেনি। শেষ সিনেমা ছিল নারী চরিত্র বেজায় জটিল, যার রীতিমতো ভরাডুবি হয়।

তারকাদের মধ্য়ে জোরদার প্রচার চালাচ্ছেন দেব, সৌমিতৃষা কুণ্ডু-রা। এমনকী, তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আবেদন এসেছে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের তরফে। মমতার সভায় এসেছিলেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। টলিপাড়ার তারকারা বেশিরভাগই এখন ‘দিদির’ পাশে, এবার কতটা মন থেকে, আর কতটা চাপে পড়ে তা বলা মুশকিল! এখন দেখার, প্রচারের এই বহর কতটা ছাপ ফেলতে পারে ব্যালেট বক্সে। ৪ জুন কাদের মুখে ফোটে জয়ের হাসি।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More