Bhoot Bangla BO day 1: ১৪ বছর পর প্রিয়দর্শন-অক্ষয় ম্যাজিক! প্রথম দিনেই ‘ভূত বাংলা’র পকেটে কত কোটি?
Bhoot Box Office Collection Day 1: প্রিয়দর্শন আর অক্ষয়— এই ‘কাল্ট’ জুটি দীর্ঘ ১৪ বছর পর ফিরতেই বক্স অফিসে ধামাকা। প্রথম দিনেই ‘ভূত বাংলা’ যা ব্যবসা করল, তাতে খিলাড়ি কুমারের সাম্প্রতিক সময়ের ফ্লপের খরা যে কাটতে চলেছে, তার ইঙ্গিত স্পষ্ট।
Bhoot Box Office Collection Day 1: অক্ষয় কুমারের সময়টা গত কয়েক বছর ধরে খুব একটা ভালো যাচ্ছিল না। একের পর এক ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ছে। কিন্তু অক্ষয়ের তুরুপের তাস যে আজও প্রিয়দর্শন, তা প্রমাণ করল ‘ভূত বাংলা’। মুক্তির প্রথম দিনেই ভারতজুড়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকার ব্যবসা করে খাতা খুলল এই হরর-কমেডি। যা গত কয়েক বছরে অক্ষয়ের ছবির ওপেনিং ডে কালেকশনের নিরিখে অন্যতম সেরা।

হরর আর কমেডির মিশেলে বাজিমাত
‘ভুল ভুলাইয়া’র স্মৃতি উস্কে দিয়ে যখন ‘ভূত বাংলা’র ঘোষণা হয়েছিল, তখন থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছিল। প্রথম দিনের শো শেষে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া বলছে, প্রিয়দর্শনের সিগনেচার কমেডি আর অক্ষয়ের টাইমিং— এই দুইয়ের যুগলবন্দী আবারও সফল। ১৫ কোটির এই শুরুটা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সপ্তাহ শেষে এই ছবি অনায়াসেই ৫০ কোটির গণ্ডি পেরিয়ে যেতে পারে।
খিলাড়ির কামব্যাক?
অক্ষয় কুমারের শেষ কয়েকটি ছবি যেমন ‘সরফিরা’ বা ‘বড় মিঞা ছোটে মিঞা’ প্রথম দিনে দু’সংখ্যার ঘরে পৌঁছাতে হিমশিম খেয়েছিল। সেখানে ‘ভূত বাংলা’র ১৫ কোটির গ্র্যান্ড ওপেনিং বলিউডের বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। বিশেষ করে মাল্টিপ্লেক্সের পাশাপাশি সিঙ্গল স্ক্রিনেও এই ছবির ভালো দাপট লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
প্রতিযোগিতার বাজারেও অবিচল
ধুরন্ধর ২ জ্বরে আক্রান্ত গোটা দেশ। তা সত্ত্বেও অক্ষয়ের এই হরর-কমেডি ড্রামা নিজের জায়গা করে নিতে পেরেছে। সমালোচকদের একাংশ বলছেন, গল্পের প্লট খুব একটা নতুন না হলেও, নস্ট্যালজিয়া আর হাস্যরসের প্রাবল্য দর্শকদের সিনেমা হল পর্যন্ত টেনে আনতে সফল হয়েছে।
অক্ষয় কুমার ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করেছেন ওয়ামিকা গাব্বি, টাবু, রাজপাল যাদব এবং যিশু সেনগুপ্ত। বালাজি টেলিফিল্মস লিমিটেডের একটি বিভাগ বালাজি মোশন পিকচার্স এবং কেপ অফ গুড ফিল্মসের সহযোগিতায় এই ছবিটি প্রযোজনা করেছেন অক্ষয় কুমার, শোভা কাপুর এবং একতা আর কাপুর।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


