Alia Bhatt Skin Snacks: নারকেল-ঘি-গুড় মিশিয়ে এই স্ন্যাক্স খান আলিয়া, ত্বক থাকে চকচকে! কীভাবে করে কাজ?
ঘি, সামান্য গুড়, কিছু গুঁড়ো করা বাদাম মিশিয়ে একটি স্ন্যাক্স খান আলিয়া। কানের মঞ্চে নিজেই করলেন ফাঁস। কী কী গুণ আছে এটিতে?
২০২৬ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের ফ্যাশন দিয়ে গোটা বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন আলিয়া ভাট। আর এই উৎসবের মঞ্চেই এক আলাপচারিতায় এমন এক স্ন্য়াক্সের কথা বলেছেন আলিয়া, যা তিনি ত্বক ভালো রাখার জন্য প্রতিদিনই খেয়ে থাকেন।

আলিয়া জানান, ‘ঘি অন্ত্রের জন্য খুব ভালো, এটি ত্বকের জন্যও খুব ভালো। আমি প্রতিদিন তাই এই বিশেষ স্ন্যাক্সটি খাই। ঘি, সামান্য গুড়, কিছু গুঁড়ো করা বাদাম এবং সামান্য নারকেল দিয়ে তৈরি। আমি এটা খাই, কারণ এতে ত্বক খুব ভালো থাকে।’
আদৌ কি আলিয়ার এই স্ন্যাক্স স্বাস্থ্যকর?
এবার প্রশ্ন উঠতে পারে, আলিয়ার এই স্ন্যাক্সটি কি আসলেই হেলদি? এশিয়ান হাসপাতালের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ রাধিকা রাহেজার মতে, চিকিৎসা গবেষণায় অন্ত্র ভালো রাখতে হেলদি ফ্যাট খুব উপকারী। আর পেট সুস্থ থাকলেই তার সরাসরি প্রভাব পড়বে আপনার ত্বকে। আসবে জেল্লা।
ঘি ভিটামিন এ, ই এবং কে-এর মতো ভিটামিনের একটি সমৃদ্ধ উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ত্বকের সুরক্ষা প্রাচীর হিসেবে কাজ করে। এটি গভীর থেকে ত্বকে আর্দ্রতা জোগায়, বলিরেখা কমায় এবং ত্বককে স্বাস্থ্যকর আভা দেয়।
নারকেল ফাইবারের একটি চমৎকার উৎস। কাঁচা বা শুকনো নারকেলের ফাইবার হজমশক্তি বাড়ায় এবং অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতা ঠিক রাখে। এছাড়াও নারকেলের মধ্যম-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড (MCT) অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, যা বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে অত্যন্ত কার্যকর।
কান চলচ্চিত্র উৎসবে আলিয়া
আলিয়া ভাট উৎসবের রেড কার্পেটে ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিকতার মিশেলে নিজস্ব স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করেছে। এবারে রাই সুন্দরী ঐশ্বর্যর জুতোয় পা গলিয়েছিলেন আলিয়া। তাতেই যেন ট্রোল উঠেপড়ে লাগে। একাধিক কমেন্ট পড়তে থাকে যে, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও ফটোগ্রাফাররা কানের রেড কার্পেটে আলিয়াকে তেমন একটা পাত্তা বা আমল দেননি। এমনকী এমন এক কটাক্ষে জবাবও দিয়েছেন রণবীর-পত্নী।
এমনকী, মেয়ের হয়ে মুখ খুলেছেন আলিয়ার মা-ও। বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সোনি রাজদান তাঁর মেয়েকে ঘিরে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করেন। লেখিকা শুনালি খুল্লার শ্রফ তাঁর ইনস্টাগ্রামে আলিয়ার সমর্থনে একটি পোস্ট শেয়ার করেন। আর সেই পোস্টের কমেন্ট সেকশনে সোনি লেখেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক কিছুই আছে। ভালোবাসা, তথ্য, বিনোদন এবং প্রচুর ঘৃণা। এগুলো আমাদের সমাজ সম্পর্কে অনেক কিছু প্রকাশ করে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা হতে পারে।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


