Alka Yagnik Husband: ট্রেনে আলাপ, তারপর প্রেম! ৩৫ বছরের সংসার, কিন্তু থাকেননি একসঙ্গে, কী করেন অলকা ইয়াগনিকের বর?

সব বাধা দূরে রেখেও যে ভালোবাসা যায়, বিয়ে টিকিয়ে রাখা যায়, তা প্রমাণ করেছন ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’ গায়িকা অলকা ইয়াগনিক। তাঁর আর নীরাজ চোপড়ার প্রেম ও বিয়ের গল্প অনুপ্রেরণা জোগাবে বর্তমান প্রজন্মকে।

Published on: Dec 18, 2025, 14:01:19 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বলিউডের এই গায়িকার অনুরাগীর সংখ্যা অগুণতি। যেমন মিষ্টি গলা, তেমনই তাঁর মিষ্টি ব্যবহার। তবে যেমন সুন্দর করে গান করেন তিনি, তেমনই মিষ্টি তাঁর প্রেম ও বিবাহিত জীবনও। এক সাধারণ ব্যবসায়ীর গলায় মালা দেন। এখানেই শেষ নয়, যখন বলিউডে আখছার বিয়ে ভাঙার খবর আসে, সেখানে এই গায়িকা বিগত ৩৫ বছর ধরে টিকিয়ে রেখেছেন নিজের লং ডিসট্যান্স ম্যারেজ।

কী করেন অলকা ইয়াগনিকের স্বামী?
কী করেন অলকা ইয়াগনিকের স্বামী?

এই গল্প গায়িকা অলকা ইয়াগনিকের। ২৫টি বিভিন্ন ভাষায় ২০,০০০-এরও বেশি গান রেকর্ড করা থেকে শুরু করে ৭ বার সেরা প্লেব্যাক সিঙ্গারের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জেতা পর্যন্ত, অলকা ইয়াগনিককে ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পের ইতিহাসের অন্যতম সেরা মহিলা গায়িকা হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

অলকা বিয়ে করেছেন শিলং-এর ব্যবসায়ী নীরজ কাপুরকে। তাদের সাইশা কাপুর নামে একটি কন্যা রয়েছে। অলকা ও নীরজের মেয়ে সায়েশার বিয়ে হয়েছে অমিত দেশাইয়ের সঙ্গে। অলকা আর নীরাজের প্রেম কাহিনি কোনো বলিউড সিনেমার থেকে কম নয়। এই দম্পতির প্রথম দেখা হয়েছিল ট্রেনে। সেখান থেকেই বন্ধুত্ব। সম্পূর্ণ ভিন্ন পেশায় থাকা সত্ত্বেও, অলকা এবং নীরজ একে-অপরের সঙ্গে ডেটিং শুরু করেন। এবং তারপর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

২ বছরেরও বেশি সময় ধরে একে অপরকে ডেট করার পর, অলকা ইয়াগনিক এবং নীরজ কাপুর ১৯৮৯ সালে বিয়ে করেন। তবে গায়িকার বাবা-মার সম্মতি ছিল না এই সম্পর্কে। তাঁরা মনে করেছিলেন, লং ডিসট্যান্স এই বিয়েতে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অলকাকে বিয়ের পর নীরজ কাপুর মুম্বইয়ে তাঁর ব্যবসা শুরু করেছিলেন। কিন্তু প্রচুর লোকসান হয়ে যায়। একবার, একটি নিউজ পোর্টালের সঙ্গে একটি পুরনো সাক্ষাৎকারে, অলকা ইয়াগনিক এই বিষয়ে মুখ খুললেন এবং প্রকাশ করেছিলেন যে কীভাবে তিনিই ছিলেন যিনি নীরজকে শিলংয়ে ফিরে যেতে বলেছিলেন। অলকা জানান, ‘নীরজ মুম্বাইয়ে একটি ব্যবসা শুরু করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ছোট শহরের সিধেসাধা লোক এবং এখানে এসে তাঁকে বিপুল পরিমাণ আর্থিক প্রতারণার মুখে পড়তে হয়।। তাই আমি তাকে বলেছিলাম যে তার শিলং ফিরে যাওয়া উচিত এবং সেখানেই নিজের ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া উচিত।’

শীঘ্রই, অলকা ইয়াগনিক এবং নীরজ কাপুরের বিয়েতে ফাটল দেখা দিতে শুরু করে এবং এই দম্পতি চার থেকে পাঁচ বছর ধরে একে অপরের সঙ্গে দেখা করা এবং কথা বলা পর্যন্ত বন্ধ করে দেন।

তবে ধীরেধীরে অলকা এবং নীরজ বুঝতে পেরেছিলেন যে, তাঁরা একে অপরকে ছাড়া বাঁচতে পারবেন না। একে অপরের প্রতি তাদের খাঁটি ভালবাসা উপলব্ধি করার পরে, অলকা মুম্বইয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নেন, এবং নীরজ শিলংয়ে ব্যবসা চালিয়ে যান। এই দম্পতি গত ৩৪ বছর ধরে লং ডিসট্যান্স বৈবাহিক সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছেন।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More