Dev-Subhashree-Raj: বিচ্ছেদ জল্পনায় ছাই! হাতে হাত, ভালোবাসায় মাখামাখি রাজ-শুভশ্রী, দেবের সাথেও কানে কানে কথা নায়িকার

এক ছাদের তলায় শুভশ্রীর প্রাক্তন ও বর্তমান। শহরের এক অনুষ্ঠানে বরের হাত ধরে হাজির শুভশ্রী। দিলেন সব বিতর্কের জবাব। দেবের সাথেও সৌজন্য বিনিময়। 

Published on: Aug 27, 2026, 09:00:31 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দেশু৭ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। দেব-শুভশ্রীর ভাঙা সম্পর্কে এখন বন্ধুত্বের প্রলেপ লেগেছে। প্রাক্তন প্রেমিক জুটি ছবির স্বার্থে ফের একসঙ্গে। ছবির শ্যুটিং শেষে পরস্পরের উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি লিখছেন তাঁরা, এক কথায় রসায়ন জমে ক্ষীর। এইসবের মাঝেই শুভশ্রী-রাজের দাম্পত্য নিয়ে টলিপাড়ায় কানাঘুষো শুরু হয়েছিল।

বিচ্ছেদ জল্পনায় ছাই! হাতে হাত, ভালোবাসায় মাখামাখি রাজ-শুভশ্রী, দেবও উপস্থিত
বিচ্ছেদ জল্পনায় ছাই! হাতে হাত, ভালোবাসায় মাখামাখি রাজ-শুভশ্রী, দেবও উপস্থিত

এমনিতেই বিধানসভা ভোটে হারের পর থেকে লাইমলাইট থেকে নিজেকে খানিকটা দূরেই রাখছেন রাজ। সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। এইসবের মাঝখানে গুঞ্জন তৈরি হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়। তবে সব জল্পনা-কল্পনায় জল ঠেলে রাজ-শুভশ্রী বুঝিয়ে দিলেন তাঁদের সাত পাকে বাঁধা সম্পর্ক এতটা ঠুনকো নয়। জি বাংলা এবং এসেল গ্রুপে অনুষ্ঠানে হাতে হাত, পোশাকে রং মিলান্তি- রেড কার্পেটে ‘রাজশ্রী’র উজ্জ্বল উপস্থিতি।

শুভশ্রী ও রাজের 'ফ্যাশন কা জলওয়া'

এদিনও বউকে চোখে হারালেন রাজ। শুভশ্রী পরেছেন একটি সম্পূর্ণ সাদা রঙের স্লিভলেস ব্লেজার এবং প্যান্ট। একদম সিম্পল ও মিনিমালিস্টিক লুক বজায় রেখে চুলগুলো পেছন দিকে মসৃণভাবে পনিটেল করে বাঁধা। কানে মানানসই হালকা স্টাড ইয়াররিং পরিহিত, যা তাঁকে অত্যন্ত মার্জিত ও এলিগ্যান্ট দেখাচ্ছে।

রাজের লুকে রয়েছে ক্লাসিক ফর্মাল টাচ। তিনি পরেছেন একটি ফুল-স্লিভ সাদা শার্ট (হাতা গুটিয়ে পরা) এবং সঙ্গে কালার কন্ট্রাস্ট তৈরি করে কালো ট্রাউজার্স। চোখে তাঁর সিগনেচার কালো ফ্রেমের চশমা, মুখে ট্রিম করা দাড়ি এবং হাতে একটি স্মার্টওয়াচ।

খুশি শুভশ্রী ভক্তরা

একজন লেখেন, ‘দুজনকে একসঙ্গে দেখেও শান্তি। প্রফেশন্যাল লাইফ আলাদা, কিন্তু পার্সোনাল লাইফে রাজশ্রীই আসল পাওয়ার কপল’। আরেকজন লেখেন, ‘কারা যেন বলেছিল ওরা আলাদা হয়ে গেছে?’

এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন জি বাংলার নতুন ‘দাদা’ দেবও। অনুষ্ঠানে দুজনে সৌজন্য বিনিময় করতে ভোলেননি। প্রসেনজিৎ-এর সঙ্গে বসেছিলেন দেব। তাঁদের দেখে এগিয়ে যান শুভশ্রী। শুরুতে বুম্বাদার আর্শীবাদ নিয়ে দেবের সঙ্গে কথা বলেন। ‘দেশু৭’-এর নায়ক এবং পরিচালকের সঙ্গে কয়েক সেকেন্ডের জন্য কানে কানে কথা বলতেও দেখা যায় শুভশ্রীকে।

বুধবারই ফেসবুকে শুভশ্রীর জন্য খোলা চিঠি লেখেন দেব। তিনি জানান, ‘দেশু৭ অংশ হওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ! যখন আমি এই ঝুঁকিটা নিয়ে প্রথমবারের মতো একটি সিনেমা পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিই, তখন আমার চারপাশে অনেক অনিশ্চয়তা ছিল। এমন এক সময়, যখন দুর্গাপুজোর সময়ও আমাকে কোনও সিনেমা মুক্তি দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছিল না। তখন তুমি আমার পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলে এবং চিত্রনাট্য, শিরোনাম বা এই সিনেমায় শেষ পর্যন্ত কী হতে চলেছে, সে সম্পর্কে কিছু না জেনেই দেশু৭-এর জন্য হ্যাঁ বলেছিলে।’

দেব আরও লেখেন যে, ‘আমার পাশে থাকার জন্য, আমাকে বিশ্বাস করার জন্য এবং এই যাত্রার অংশ হওয়ার জন্য ধন্যবাদ। এছাড়াও, এত বছর পরেও ভক্তদের মাঝে #DeSu-এর প্রতি ভালোবাসা ও উদ্দীপনা বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ। আমার উপর এবং #DeSu7-এর ধারণার উপর বিশ্বাস রাখার জন্য আমি তোমার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। তোমার ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা!’

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More