Amitabh Bachchan: ‘হোস্টেলের ব্যালকনিতে বসা মেয়েরা বলে উঠল উফ কী চলন!’ দিল্লির কলেজে ইভটিজিং-এর শিকার হন অমিতাভ

অমিতাভ বচ্চন কৌন বনেগা ক্রোড়পতির পর্বে তাঁর জীবনের এক অজানা অধ্য়ায় ভাগ করে নিলেন। বলিউডের ‘অ্যাংরি ইয়াং ম্যান’ একসময় হেনস্থার মুখে পড়েছেন কলেজ ছাত্রীদের হাতে। কী ঘটেছিল?   

Published on: Nov 6, 2026, 22:00:52 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

জনপ্রিয় গেম শো ‘কোন বনেগা ক্রোড়পতি’ (KBC)-র সেটে প্রায়শই জীবনের নানা জানা-অজানা কথা শেয়ার করেন বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। সম্প্রতি মাধুরী দীক্ষিতের উপস্থিতিতে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামী মিরাণ্ডা হাউস কলেজ সংক্রান্ত একটি পুরোনো ঘটনা স্মৃতিচারণ করলেন তিনি।

‘হোস্টেলের ব্যালকনিতে বসা মেয়েরা বলে উঠল উফ কী চলন!’ ইভটিজিং-এর শিকার হন অমিতাভ
‘হোস্টেলের ব্যালকনিতে বসা মেয়েরা বলে উঠল উফ কী চলন!’ ইভটিজিং-এর শিকার হন অমিতাভ

কলেজের ছাত্রীদের হাতে ইভটিজিং-এর শিকার হওয়ার সেই অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে অমিতাভ জানান, সেই ঘটনাটিই তাঁকে শিখিয়েছিল কোনো নারী যখন রাস্তায় এই ধরণের কটূক্তির শিকার হন, তখন তাঁর মনে ঠিক কেমন অনুভূতি হয়।

‘আয় হায়ে কী চাল!’— মিরাণ্ডা হাউসের সেই স্মৃতি:

কেবিসি-র মঞ্চে বেশ গম্ভীর সুরেই অমিতাভ বচ্চন সেই পুরোনো দিনের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, 'আমি আপনাদের একটা গম্ভীর কথা বলতে চাই... প্রথমবার যেদিন আমরা মিরাণ্ডা হাউসে ঢুকলাম, হোস্টেলের ব্যালকনিতে বসে থাকা সমস্ত মেয়েরা একযোগে বলে উঠল— ‘আয়ে হায়ে কী চলন!’

‘তখনই বুঝেছিলাম মহিলাদের মনের অবস্থা’

এই ঘটনার পরেই তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন যে ছেড়ছাড়ের মুখে পড়লে একজন নারীর ঠিক কী মানসিক অবস্থা হয়।

অমিতাভ যোগ করেন, ‘ঠিক তখনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম, যখন কোনও নারীর সঙ্গে এই ধরনের ইভটিজিং হয়, তখন তাঁর হৃদয়ে কী ঘটে। কারণ নিজের ওপর না ঘটলে কেউ সেটা অনুধাবন করতে পারে না। মিরাণ্ডা হাউসে পা দেওয়ার পর যখন ওটা শুনলাম, তখন আমি বুঝতেই পারছিলাম না কী করব…’।

কথাটি শুনে মাধুরী দীক্ষিত হেসে কৌতুহল প্রকাশ করে জিজ্ঞেস করেন যে, তারপর তাঁরা কী করেছিলেন? উত্তরে স্বভাবসিদ্ধ রসিকতায় অমিতাভ বলেন, ‘পালিয়ে গিয়েছিলাম, আর কী করব!’

রণবীর কাপুরের প্রশ্ন ও অভিষেককে নিয়ে বিগ বি-র বার্তা:

এর আগে ‘রামায়ণ’ (Ramayana) ছবির প্রমোশনে কেবিসি-র হটসিটে বসেছিলেন অভিনেতা রণবীর কাপুর। তিনি অমিতাভকে প্রশ্ন করেন, ছোটবেলায় অভিষেক বচ্চনের কোনও কাজ পছন্দ না হলে তিনি কি সরাসরি বলতেন নাকি জয়া বচ্চনের মাধ্যমে জানাতেন?

রণবীরের প্রশ্নের জবাবে অমিতাভ জানান, বাইরে লাখ লাখ লোক সমালোচনা করার জন্য বসেই রয়েছে, তাই ঘরের ভেতরে তিনি কখনোই অভিষেকের সমালোচনা করেননি।

অমিতাভের কথায়, ‘বাইরে সমালোচনা করার লোকের অভাব নেই। তাই বাড়িতে আরও একজন সমালোচক থাকার দরকার নেই। আমি কখনোই অভিষেকের সমালোচনা করিনি, সবসময় ওকে আশীর্বাদ করেছি। বলেছি কোনো সিনেমা না চললে চিন্তা নেই, ভবিষ্যতে আরও অনেক কাজ আসবে।’

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More