জয়া বচ্চনের বকুনি এড়ানোর ‘স্মার্ট ট্রিক’! বাড়ি ফিরতে দেরি হলে কী করেন অমিতাভ?
জয়া বচ্চনের রাগী মেজাজ সম্পর্কে অবহিত নন, এমন সিনেপ্রেমী খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। জয়া বচ্চনের সঙ্গে দাম্পত্যের হাফ সেঞ্চুরি পার করা অমিতাভ কীভাবে এড়ান বউয়ের বকুনি?

জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো 'কৌন বনেগা ক্রোড়পতি' (KBC)-র মঞ্চে বিগ বি অমিতাভ বচ্চনের উপস্থিতি মানেই শুধু খেলা নয়, তার সঙ্গে উপরি পাওনা তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের হাঁড়ির খবর। হটসিটে বসা প্রতিযোগীদের সঙ্গে গল্প করার মাঝেই বিভিন্ন অজানা কথা শেয়ার করেন শাহেনশা। সম্প্রতি এমনই এক পর্বে অমিতাভ ফাঁস করলেন এক মজার উপায়, যা দিয়ে তিনি বছরের পর বছর ধরে স্ত্রী জয়া বচ্চনের বকুনি থেকে বেঁচে আসছেন।
জয়া বচ্চনের বকুনি এড়ানোর ‘স্মার্ট ট্রিক’
অনুষ্ঠানের প্রতিযোগী প্রীতিরাজ আচমকাই অমিতাভের দিকে একটি ব্যক্তিগত প্রশ্ন ছুড়ে দেন। তিনি জানতে চান, রাত করে বাড়ি ফিরলে স্ত্রী জয়া বচ্চনের রাগ বা বকুনি সামলান কীভাবে? এর উত্তরে বিগ বি বলেন, সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই প্রথম কাজ হলো তাঁদের পারিবারিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে হাতজোড় করে একটি মেসেজ পাঠানো। মেসেজে তিনি আগেই লিখে দেন, ‘আজ অমুক জায়গায় শুটিং রয়েছে, তাই ফিরতে অনেকটাই দেরি হবে। আমার জন্য খাওয়ার অপেক্ষা করো না।’
বকুনি থেকে আত্মরক্ষা: অমিতাভের দাবি, আগে থেকে পুরো বিষয়টি জানিয়ে রাখলে জয়া বচ্চনের রাগ থেকে রেহাই পাওয়া যায়। না জানিয়ে দেরি করে বাড়ি ফিরলেই শুনতে হয় কড়া কথা। তাই দেরি হলে জয়া আগেই রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।
বাড়ির কাজ করতে পারেন বিগ বি?
কথা প্রসঙ্গে প্রতিযোগী যখন জানতে চান, বাড়িতে কাজের লোক বা পরিচারক না থাকলে তিনি বাড়ির কাজ করেন কি না? অমিতাভ জানান, বাড়িতে স্টাফ না থাকলে ধোয়া-ম থেকে শুরু করে সব ছোট-বড় কাজ তিনি নিজেই হাসিমুখে করে নেন। তবে একটা বিষয়ে তিনি বেশ কাঁচা— অমিতাভ স্বীকার করে নেন যে তিনি আর যা-ই পারুন না কেন, রান্না করতে একদম পারেন না!
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


